বন্দুকযুদ্ধে উখিয়ার বখতিয়ার মেম্বারসহ নিহত ২

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২০ ৬৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া:
কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে উখিয়ার ইউপি সদস্যসহ ২ জন নিহত হয়েছেন,যাদের মাদককারবারি বলে দাবি করছে পুলিশ।

শুক্রবার ভোর রাতে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ওয়াব্রাং এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের কুতুপালং এলাকার ইউপি মেম্বার মৌলভী বখতিয়ার আহমদ প্রকাশ বখতিয়ার (৫৫) ও কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প ই-ব্লকের ইউসুফ আলীর ছেলে মো. তাহের (২৭)।

পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় পুলিশের ৪ সদস্য আহত হয়েছেন।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ইয়াবা পাচার মামলার আসামি ইউনুচসহ উখিয়ার কুতুপালং এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি ইউপি মেম্বার বখতিয়ার ও রোহিঙ্গা যুবক মো. তাহেরকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ইয়াবা বেচাকেনার ১০ লাখ টাকা।

তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ওয়াব্রাং এলাকায় ইয়াবা মজুদের কথা স্বীকার করেন।শুক্রবার ভোর রাতে ইয়াবা উদ্ধারের জন্য অভিযানে যায় পুলিশ। এসময় ওঁৎ পেতে থাকা ইয়াবাকারবারিরা পুলিশের ওপর গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি করলে তারা পালিয়ে যায়।

এসময় পুলিশের হেফাজতে থাকা বখতিয়ার মেম্বার ও রোহিঙ্গা যুবক মো. তাহেরকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসার জন্য প্রথমে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ওসির দাবি, ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ৫টি দেশীয় তৈরি এলজি, ১৭ রাউন্ড কার্তুজ, ১৩ রাউন্ড কার্তুজের খোসা এবং ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়া বন্দুকযুদ্ধের সময় পুলিশের এসআই মাঝহারুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. শহিদুল ইসলাম, মো. হাবিব এবং আবু হানিফ আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বন্দুকযুদ্ধে উখিয়ার বখতিয়ার মেম্বারসহ নিহত ২

আপডেট সময় : ০২:০১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২০

কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া:
কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে উখিয়ার ইউপি সদস্যসহ ২ জন নিহত হয়েছেন,যাদের মাদককারবারি বলে দাবি করছে পুলিশ।

শুক্রবার ভোর রাতে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ওয়াব্রাং এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের কুতুপালং এলাকার ইউপি মেম্বার মৌলভী বখতিয়ার আহমদ প্রকাশ বখতিয়ার (৫৫) ও কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প ই-ব্লকের ইউসুফ আলীর ছেলে মো. তাহের (২৭)।

পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় পুলিশের ৪ সদস্য আহত হয়েছেন।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ইয়াবা পাচার মামলার আসামি ইউনুচসহ উখিয়ার কুতুপালং এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি ইউপি মেম্বার বখতিয়ার ও রোহিঙ্গা যুবক মো. তাহেরকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ইয়াবা বেচাকেনার ১০ লাখ টাকা।

তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ওয়াব্রাং এলাকায় ইয়াবা মজুদের কথা স্বীকার করেন।শুক্রবার ভোর রাতে ইয়াবা উদ্ধারের জন্য অভিযানে যায় পুলিশ। এসময় ওঁৎ পেতে থাকা ইয়াবাকারবারিরা পুলিশের ওপর গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি করলে তারা পালিয়ে যায়।

এসময় পুলিশের হেফাজতে থাকা বখতিয়ার মেম্বার ও রোহিঙ্গা যুবক মো. তাহেরকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসার জন্য প্রথমে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ওসির দাবি, ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ৫টি দেশীয় তৈরি এলজি, ১৭ রাউন্ড কার্তুজ, ১৩ রাউন্ড কার্তুজের খোসা এবং ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়া বন্দুকযুদ্ধের সময় পুলিশের এসআই মাঝহারুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. শহিদুল ইসলাম, মো. হাবিব এবং আবু হানিফ আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।