শহীদ মেজর(অব:)সিনহার হত্যা মামলা তদন্তে গণশুনানি ১৬ আগষ্ট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৯:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০ ৬৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজার সংবাদদাতা:
কক্সবাজার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোঃ রাশেদ খানের মৃত্যুতে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ‘গণশুনানি’ করতে যাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন। এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

আগামী ১৬ আগস্ট রবিবার সকাল ১০টায় এই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। কক্সবাজারের টেকনাফ শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প ইনচার্জের (সিআইসি) কার্যালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।এই গণশুনানির নির্ধারিত সময়ে প্রত্যক্ষদর্শী সবাইকে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

বুধবার কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেজর (অব.) সিনহা রাশেদ খানের মৃত্যুজনিত ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির সদস্য মোহা. শাজাহান আলি স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকায় চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর অব. সিনহা রাশেদ খান। এ ঘটনায় মেজর সিনহার বোনের করা মামলায় বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রধান আসামি এবং ২ নম্বর আসামি করা হয় টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে। তারা ছাড়া আরও সাতজনকে এজহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে।

আলোচিত এই মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এএসআই টুটুল ও কনস্টেবল মোহাম্মদ মোস্তফা।

এদিকে ঘটনার দিন মেজর সিনহাকে যে চেকপোস্টে থামানো হয়েছে সেটি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তল্লাশি চৌকি ছিল। সেখানে অভিযান চালানোর জন্য পুলিশ সুপারের অনুমতি আগেই নিয়েছিলেন অভিযানকারী বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইন্সপেক্টর (আইসি) লিয়াকত আলী। তাই সিনহার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল বলেই স্থানীয়দের দাবি। তারা বলছে, মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর মোড়ে এপিবিএন-এর চেকপোস্ট। এই চেকপোস্ট থেকে ঢাল দিয়ে নেমে দেড় কিলোমিটার ভেতরে গেলে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্র। সেখানেও একটি চেকপোস্ট রয়েছে। তবে তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর লিয়াকতকে নিজেদের চেকপোস্টে দাঁড়াতে কখনো দেখেনি কেউ। ওই তদন্তকেন্দ্রের মূল কর্মকর্তা হওয়ায় চেকপোস্টে তার দাঁড়ানোর কথাও নয়।

তবে সেই ইন্সপেক্টর লিয়াকত যখন নিজেদের চেকপোস্ট ছেড়ে শামলাপুরে মেরিন ড্রাইভের মূল সড়কে এপিবিএন-এর চেকপোস্টে তার ফোর্স নিয়ে এসে দাঁড়ান তখন স্থানীয় সবাই বুঝতে পারেন এখানে বড় কোনো অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ। সেদিন সিনহার মুখোমুখি হওয়ার সাত ঘণ্টা আগেই এপিবিএন-এর চেকপোস্টে নজরদারি শুরু করে ইন্সপেক্টর লিয়াকতের নেতৃত্বে পুলিশের দলটি। সূত্র: ঢাকা টাইমস,,,

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শহীদ মেজর(অব:)সিনহার হত্যা মামলা তদন্তে গণশুনানি ১৬ আগষ্ট

আপডেট সময় : ১০:১৯:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০

কক্সবাজার সংবাদদাতা:
কক্সবাজার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোঃ রাশেদ খানের মৃত্যুতে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ‘গণশুনানি’ করতে যাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন। এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

আগামী ১৬ আগস্ট রবিবার সকাল ১০টায় এই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। কক্সবাজারের টেকনাফ শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প ইনচার্জের (সিআইসি) কার্যালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।এই গণশুনানির নির্ধারিত সময়ে প্রত্যক্ষদর্শী সবাইকে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

বুধবার কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেজর (অব.) সিনহা রাশেদ খানের মৃত্যুজনিত ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির সদস্য মোহা. শাজাহান আলি স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকায় চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর অব. সিনহা রাশেদ খান। এ ঘটনায় মেজর সিনহার বোনের করা মামলায় বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রধান আসামি এবং ২ নম্বর আসামি করা হয় টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে। তারা ছাড়া আরও সাতজনকে এজহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে।

আলোচিত এই মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এএসআই টুটুল ও কনস্টেবল মোহাম্মদ মোস্তফা।

এদিকে ঘটনার দিন মেজর সিনহাকে যে চেকপোস্টে থামানো হয়েছে সেটি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তল্লাশি চৌকি ছিল। সেখানে অভিযান চালানোর জন্য পুলিশ সুপারের অনুমতি আগেই নিয়েছিলেন অভিযানকারী বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইন্সপেক্টর (আইসি) লিয়াকত আলী। তাই সিনহার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল বলেই স্থানীয়দের দাবি। তারা বলছে, মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর মোড়ে এপিবিএন-এর চেকপোস্ট। এই চেকপোস্ট থেকে ঢাল দিয়ে নেমে দেড় কিলোমিটার ভেতরে গেলে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্র। সেখানেও একটি চেকপোস্ট রয়েছে। তবে তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর লিয়াকতকে নিজেদের চেকপোস্টে দাঁড়াতে কখনো দেখেনি কেউ। ওই তদন্তকেন্দ্রের মূল কর্মকর্তা হওয়ায় চেকপোস্টে তার দাঁড়ানোর কথাও নয়।

তবে সেই ইন্সপেক্টর লিয়াকত যখন নিজেদের চেকপোস্ট ছেড়ে শামলাপুরে মেরিন ড্রাইভের মূল সড়কে এপিবিএন-এর চেকপোস্টে তার ফোর্স নিয়ে এসে দাঁড়ান তখন স্থানীয় সবাই বুঝতে পারেন এখানে বড় কোনো অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ। সেদিন সিনহার মুখোমুখি হওয়ার সাত ঘণ্টা আগেই এপিবিএন-এর চেকপোস্টে নজরদারি শুরু করে ইন্সপেক্টর লিয়াকতের নেতৃত্বে পুলিশের দলটি। সূত্র: ঢাকা টাইমস,,,