মিরসরাইয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৪:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২০ ৫২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
মিরসরাই উপজেলার করেরহাটে বসত ঘরে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ২৩ আগষ্ট (রবিবার) রাতে উপজেলার ১ নম্বর করেরহাট ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম ছত্তরুয়া গ্রামের করেরহাট বাজারের তরকারি ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেনের বাড়িতে এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এসময় সশস্ত্র ডাকাতদল বাড়ির নির্মাণ শ্রমিকসহ বাড়ির সকলকে হাত পা বেঁধে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে, মোবাইল, নগদ টাকা, স্বর্নালংকার লুট করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, জোরারগঞ্জ থানার ওসি মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া।

বাড়ির মালিক মোশাররফ হোসেন বলেন, গতরাত প্রায় সোয়া তিনটার দিকে মুখোশ পরিহিত ৮-১০ জনের সশস্ত্র ডাকাতদল বাড়ির বাউন্ডারি দেওয়াল টপকে দ্বিতীয় তলায় উঠে ৩ জন নির্মাণ শ্রমিককে হাত পা বেঁধে একটা রুমে তালাবদ্ধ করে তাদের মোবাইল চিনিয়ে নেয়। তারপর নিচতলায় এসে আমার রুমের তালা ভেঙে প্রবেশ করে আমাকে, আমার স্ত্রী ছালেহা বেগম মনি ও মেয়েদেরকে হাত পা বেঁধে মোবাইল চিনিয়ে নেয়। একে একে আলমারি, সিন্ধুক ও ড্রয়ারের লক ভেঙে নির্মাণ কাজের জন্য ঋণ করা নগদ ৫ লক্ষ টাকা, পূর্বের জমাকৃত ২ লক্ষ টাকা, আমার স্ত্রী ও মেয়েদের ৬ ভরি স্বর্নালংকার লুট করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমার ভাড়াটিয়া গিয়াস উদ্দিনের রুমের তালা ভেঙে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত পা বেঁধে তাদের নগদ টাকা, স্বর্নালংকার ও মোবাইল চিনিয়ে নিয়ে বাহিরে থেকে দরজা তালাবদ্ধ করে দিয়ে পালিয়ে যায়। ডাকাতদল মোবাইল, নগদ টাকা ও স্বর্নালংকারসহ প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার মালামাল নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলেছি। এই ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার জন্য জোরারগঞ্জ থানা পুলিশকে অনুরোধ করেছি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, আমরা তদন্ত ওসিসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছি। তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মিরসরাইয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট

আপডেট সময় : ০৭:২৪:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২০

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
মিরসরাই উপজেলার করেরহাটে বসত ঘরে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ২৩ আগষ্ট (রবিবার) রাতে উপজেলার ১ নম্বর করেরহাট ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম ছত্তরুয়া গ্রামের করেরহাট বাজারের তরকারি ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেনের বাড়িতে এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এসময় সশস্ত্র ডাকাতদল বাড়ির নির্মাণ শ্রমিকসহ বাড়ির সকলকে হাত পা বেঁধে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে, মোবাইল, নগদ টাকা, স্বর্নালংকার লুট করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, জোরারগঞ্জ থানার ওসি মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া।

বাড়ির মালিক মোশাররফ হোসেন বলেন, গতরাত প্রায় সোয়া তিনটার দিকে মুখোশ পরিহিত ৮-১০ জনের সশস্ত্র ডাকাতদল বাড়ির বাউন্ডারি দেওয়াল টপকে দ্বিতীয় তলায় উঠে ৩ জন নির্মাণ শ্রমিককে হাত পা বেঁধে একটা রুমে তালাবদ্ধ করে তাদের মোবাইল চিনিয়ে নেয়। তারপর নিচতলায় এসে আমার রুমের তালা ভেঙে প্রবেশ করে আমাকে, আমার স্ত্রী ছালেহা বেগম মনি ও মেয়েদেরকে হাত পা বেঁধে মোবাইল চিনিয়ে নেয়। একে একে আলমারি, সিন্ধুক ও ড্রয়ারের লক ভেঙে নির্মাণ কাজের জন্য ঋণ করা নগদ ৫ লক্ষ টাকা, পূর্বের জমাকৃত ২ লক্ষ টাকা, আমার স্ত্রী ও মেয়েদের ৬ ভরি স্বর্নালংকার লুট করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমার ভাড়াটিয়া গিয়াস উদ্দিনের রুমের তালা ভেঙে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত পা বেঁধে তাদের নগদ টাকা, স্বর্নালংকার ও মোবাইল চিনিয়ে নিয়ে বাহিরে থেকে দরজা তালাবদ্ধ করে দিয়ে পালিয়ে যায়। ডাকাতদল মোবাইল, নগদ টাকা ও স্বর্নালংকারসহ প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার মালামাল নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলেছি। এই ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার জন্য জোরারগঞ্জ থানা পুলিশকে অনুরোধ করেছি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, আমরা তদন্ত ওসিসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছি। তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।