চট্টগ্রাম ট্রিবিউন ডেস্ক,
গত এক সপ্তাহে নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২০ শতাংশ থেকে নেমেছে ১৬ শতাংশে। তবে এতে স্বস্তির কিছু দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, অন্তত ৩ সপ্তাহ এ হার নিম্নমুখি থেকে, ১০ শতাংশের নিচে নামলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলা যাবে।
পাশপাশি মৃত্যু হার কমাতে, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে আক্রান্ত বয়স্ক ব্যক্তিদের করোনা ধরা পড়লেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।
দেশে করোনা আক্রান্ত ৩ লাখের বেশি, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মারা গেছেন ৪ হাজার ১২৭ জন। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের গড় হার ২০ দশমিক তিন শতাংশ, আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক তিন-পাঁচ।
১৮ আগস্ট করোনা শনাক্তের হার ছিল ২১ দশমিক আট-সাত। এরপর থেকেই এ হার কমছে। বুধবার ১৬ দশমিক সাত-দুই আর বৃহস্পতিবার তা আরো কমে দাঁড়ায় ১৬ দশমিক এক-এক শতাংশে। তবে একে বড় করে দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা।
তবে নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার যদি অন্তত ৩ সপ্তাহ ধরে নিম্নমুখি থাকলে একে পরিস্থিতির উন্নতি বলা যাবে বলেও মত তাদের। আর এ সংখ্যা ৫ শতাংশে নেমে এলে মিলবে স্বস্তি। আর সে অবস্থায় পৌঁছতে সামাজিক দূরত্ব মানার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শও দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
আর করোনায় মৃত্যু বাড়ার কারণ প্রসঙ্গে তারা বলছেন, নানা রোগে আক্রান্ত ও বয়স্ক ব্যক্তিরা সচেতনতার অভাবে ঝুঁকিতে পড়ছেন।
বিশেষ করে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ যাদের রয়েছে, তাদের করোনায় আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শও দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।