Home সর্বশেষ সংবাদ এক্সক্লুসিভ বাঁশখালীতে কাজের মেয়েকে ধর্ষনের অভিযোগ, আটক এক জন

বাঁশখালীতে কাজের মেয়েকে ধর্ষনের অভিযোগ, আটক এক জন

বাঁশখালীতে কাজের মেয়েকে ধর্ষনের অভিযোগ, আটক এক জন

মুহাম্মদ দিদার হোসাইন,বাঁশখালী প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কাজের মেয়েকে ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে।এই ঘটনায় শহিদুল ইসলাম(৪২)   নামের একজনকে আটক করে পুলিশ।

জানা যায়,উপজেলার পৌরসভার ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের লস্করপাড়া গ্রামের গৃহকর্তার ভাই কর্তৃক কাজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।আটক শহিদুল ইসলাম(৩৮) ওই এলাকার মাওলানা মাসুদুল হকের পুত্র।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকালে ধর্ষিতা নিজে বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় গৃহকর্তা ও তার ছোট ভাইকে আসামি করে এজাহার দায়ের করেছে। এদিকে কাজের মেয়েকে ধর্ষনের ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাঁশখালী পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের লস্করপাড়া গৃহকর্তা শহিদুল ইসলাম ও জিয়াউল হকের বাড়িতে একই এলাকার মুহাম্মদ আলী ও মাতা আনোয়ারা বেগম’র (ওমান প্রবাসী)  ১৪ বছর বয়সি মেয়ে গৃহ পরিচিকার(বুয়া’র) কাজ করত।বিগত রমজান মাসের ৫ ই রমজান থেকে ২৬ রমজান পযর্ন্ত শহিদ তাকে বেশ কয়েকবার জোর পূর্বক ধর্ষণ করে,পরবর্তীতে তাকে তার ছোট ভাই জিয়াউল হকের কালামিয়া বাজারস্থ ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়,সেখানে জিয়াউল হকও  মেয়েটিকে বিভিন্ন সময় একাধিক বার ধর্ষন করে বলে জানা যায়।একপর্যায়ে ধর্ষিতা গর্ভবতী হয়ে পড়ে।  বিগত কয়েকদিন যাবত মেয়েটি শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে অতিরিক্ত রক্তস্রাব হলে ঘটনাটি এলাকায় জানা জানি হয়ে যায়।

এ দিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিসে বিচার কার্যক্রম হওয়ার সময় খবর পেয়ে বাঁশখালী থানা পুলিশের এসআই আব্দুল জলিল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষিতাকে উদ্ধার এবং শহীদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। ধর্ষিতাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্যে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

স্থানীয়, রেজাউল করিম জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর আমাদের কে ডেকে তার কার্যালয়ে আমরা বসে ঘটনাটি বিষয়ে  জেনেছি, ধর্ষিতার বক্তব্য অনুযায়ী তাকে শহিদ এবং জিয়াউল হক তারা ২ ভাই তাকে ধর্ষন করেছে বলে জানায়। এ ঘটনাটি আমরা শুনার পর বৈঠক চলাকালিন সময় ধর্ষক শহিদ পালিয়ে যাওয়ার চেস্টা করে।

পরবর্তীতে পৌরসভার চৌকিদারেরা তাকে ধরে নিয়ে আসে।খবর পে‌য়ে  বাঁশখালী থানা পুলিশ এসে ধর্ষক শহিদ এবং গৃহপরিচারিকা কে থানায় নিয়ে যায়।উল্লেখ্য, ধর্ষক শহিদের ২ স্ত্রী, ৪ কন্যা ও ১ পুত্র সন্তান রয়েছে।

স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আজগর জানান, ঘটনাটি আমাকে অবিহিত করার পর আমি উভয় পক্ষকে ডেকে একটা বৈঠকের চেষ্টা করি,উক্ত বৈঠকে অভিযুক্ত শহিদ এবং গৃহপরিচারিকা মেয়েটি উপস্থিত হলে ও শহিদুল এর অপর ভাই জিয়াউল হক বৈঠকে আসেনি। তিনি আরো বলেন,যেহেতু এটি একটি ধর্ষনের ঘটনা সেহেতু এই বিষয়ে কোন প্রকার বিচার করার এখতিয়ার আমাদের নাই, এটি সম্পূর্ণ আদালতেরই এখতিয়ার। বৈঠক চলাকালিন সময়ে থানা পুলিশ অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম এবং গৃহপরিচারিকা মেয়েটি থানায় নিয়ে যায়।

বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ রেজাউল করিম মজুমদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,ঘটনাটি শুনার পর অভিযুক্ত গৃহকর্তা(ধর্ষক)শহিদুলকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here