মুহাম্মদ দিদার হোসাইন, বাঁশখালী প্রতিনিধি:
প্রাইভেট কারে করে গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় কার এবং গরু সহ দুই ব্যক্তিকে বাঁশখালীতে আটক করা হয়।
ঘটনাটি ৮ সেপ্টেম্বর(মঙ্গলবার)বিকেলে সাতকানিয়া থানার মুহাম্মদ আলমগীর নামের জনৈক ব্যক্তির একটি চুরি করে প্রাইভেট কারে কর নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় বাঁশখালী উপজেলার গুনাগুরিতে এসে জনতার হাতে আটকা পড়ে দুই চোর। আটককৃতরা হলো পটিয়া বাংলা বাজার এলাকার মৃত্যু রফিক আহমদের পুত্র মুহাম্মদ পারভেজ(২১)
অপর জন লোহাগাড়া থানার দক্ষিণ সুখছড়ি এলাকার আব্দুল খালেক এর পুত্র মুহাম্মদ শাহাজান প্রঃ সফিকুর রহমান(২৮)।প্রাইভেট কারে করে গরু চোরাই নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় বাঁশখালী উপজেলার গুনাগুরিতে এসে ওই দুই গরু চোর জনতার হাতে গণপিটুনি খেয়ে গরু ও কারসহ আটক হয় তারা।এঘটনায় পটিয়া কুসুমপুরা এলাকার মোক্তার হোসেনের পুত্র লোকমান নামে আরো এক চোর সাতকানিয়া এলাকায় আটক হয় বলে জানা যায়।
জানা যায়, সাতকানিয়া এলাকার মো. আলমগীরের একটি গরু ঢাকা মেট্রো-গ ১৫-৬৯৯৮ নং একটি প্রাইভেট কারে করে সাতকানিয়া থেকে এওচিয়া হয়ে বাঁশখালীর গুনাগরী হয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে খবর পেয়ে জনতা তাদের ধাওয়া করে এতে চোর সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও জনতার হাত থেকে পালাতে পারেনি তারা।পরে বাঁশখালী রামদাস হাট পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাদের আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসেন।
আটককৃতরা হলো পটিয়া বাংলা বাজার এলাকার মৃত রফিক আহমদ ও নছুমা বেগমের পুত্র মো. পারভেজ, লোহাগাড়া দক্ষিণ সুখছড়ি এলাকার মৃত আবদুল খালেক ও মরিয়ম খাতুনের পুত্র মো. শাহজাহান প্রকাশ সফিকুর রহমান (২৮)।
রাত ৯টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কার সহ আটক গরু চোরদেরকে বাঁশখালী রামদাস হাট পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা এবং তাদের সাতকানিয়া থানায় স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া চলছিল বলে জানা যায়।
এ ব্যাপারে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম মজুমদার বলেন, “গরু চুরি করে কারযোগে বাঁশখালী গুনাগরী হয়ে পালিয়ে যাওয়ার খবরে পুলিশ গিয়ে তাদের কার ও গরুসহ আটক করে।” এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।