হেলাল উদ্দিন সাগর, টেকনাফ প্রতিনিধি:
কক্সবাজার টেকনাফ উপজেলায় প্রতিটি রাস্তায় এখন ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা ও টমটম মুল যানবাহন হিসেবে রুপ নিচ্ছে প্রতিনিয়ত । বেশিরভাগ সড়ক দখল করে আছে নিয়ন্ত্রণহীন এইসব অটোরিক্সা ও টমটম যাদের অধিকাংশ চালক ই শিশু কিশোর এবং রোহিঙ্গা সহ অন্য পেশা থেকে আসা শ্রমিক। রোহিঙ্গা ও অন্যান্য চালকের অভিজ্ঞতা ও প্রাতিষ্টানিক লাইসেন্স নেই।
তাদের অটোরিক্সা ও টমটম চালক দের কোনো অভিজ্ঞতা নেই। আইন অমান্য করে চালানো অটোরিক্সার ও টমটম এর কারণে জণগুরুত্বপূর্ণ সড়কে যানজটের পাশপাশি ঘটছে ছোট বড় দূর্ঘটনা বেপরোয়া ও ট্রাফিক আইন না মেনে রাস্তার উভয় পাশে সারিবদ্ধভাবে গাড়ি দাড় করিয়ে রাখে ফলে রাস্তায় চলাচল কৃত ছোট বড় গাড়িতে যানজটের সমস্যা হচ্ছে, উল্লেখ্য বিভিন্ন স্থান থেকে মুমুর্ষ ও লাশ বাহী এম্বুলেন্স দূরপাল্লার জান বাহন জরুরি কাজে নিয়োজিত সরকারি বেসরকারি গাড়ি চলাচলে বিগ্ন ঘটছে প্রতিনিয়ত। বিশেষ করে অদক্ষ চালকের কারণে ট্রাফিক সিঙ্গেল সাইটের ডান বাম উপেক্ষা করে গাড়ি চালানোর কারনে প্রতিনিয়ত দুর্গটনার শিখার হচ্ছে অনেক পাদচারী ও সাধারণ মানুষ। দিন দিন এ অটোরিক্সা ও টমটম এর সংখ্যা বেড়েই চলছে। সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার হোয়াইক্যং বাজার, উনছিপ্রাং, হ্নীলা বাজার ও প্রত্যেক ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলোতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বিদুৎ খেকো ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা ও টমটম যাদের বেশির ভাগ রোহিঙ্গা শিশু কিশোর এসব কাজে জড়িয়ে পড়ছে দিন দিন। রিক্সা ও টমটম নয় যেন, কার বা মাইক্রোবাস চালাচ্ছেন চালকেরা।
ইচ্ছে মতো যত্রতত্র যাত্রী উঠানামা করায় যানজট বাড়ছে। তেমনি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় ঘটছে দূর্ঘটনা। এতে করে অঙ্গহানী সহ প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়ত। এক প্রকার ঝুঁকির মধ্যে রাস্তা চলাচল করতে হচ্ছে পথ চারিদের। ভাড়া নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে রিক্সা ও টমটম চালকদের তর্কবিতর্ক নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় হড়ে দাড়িয়েছে। অন্যদিকে ব্যাটারি চার্জের জন্য অপচয় হচ্ছে প্রচুর বিদ্যুৎ।
এ ব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান আইন অনুযায়ি অপ্রাপ্ত বয়স্ক কোনো শিশু কিশোর অটোরিক্সা ও টমটম চালাতে পারবেনা। এটা শিশু শ্রমের মধ্যে পড়ে। যা আইনগত অপরাধ। ইতিপূর্বে আমরা বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করেছি। অটো রিক্সার দৌরাত্বে কমাতে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে কাজ করা হবে।