গর্জনিয়া ইউনিয়নের একমাত্র শহীদ মিনার পড়ে আছে অযত্ন-অবহেলায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০ ৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এম.মোবারক হোসাইন, কক্সবাজার:
রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন শহীদ মিনারটি অযত্ন-অবহেলায় এখন ময়লা-আবর্জনা ফেলার ভাগারে পরিনত হয়েছে। অথচ বিষয়টি নজরে নেই ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃপক্ষের।

সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা গেছে, গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের পুরাতন ভবনের সম্মুখে শহীদ মিনারটি দীর্ঘদিন ধরেই অযত্ন অবহেলায় পড়ে আছে। ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবস এলেই শুধু ওই দিনগুলোতে এটি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে পুষ্পমাল্য অর্পন করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। আর সারাবছর ওই শহীদ মিনারটির কোনো খোঁজ রাখেনা কেউ।

স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজন এব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখানে কেউ কেউ দাড়িয়ে প্রস্রাবও করে। এই শহীদ মিনারটির এধরণের বেহাল করা মানে ভাষা শহীদদের প্রতি চরম অবহেলা প্রদর্শন ছাড়া কিছুই নয়। তারা এর তীব্র নিন্দা এবং অবিলম্বে শহীদ মিনারটি যথাযোগ্য মর্যাদায় সংরক্ষণের দাবি জানান।

এ ব্যাপারে গর্জনিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান, শহীদ মিনারটি গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদেরই তৈরি করা। পুনরায় সংরক্ষণ করার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবসের আগেই শহীদ মিনারটি সংরক্ষণ ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গর্জনিয়া ইউনিয়নের একমাত্র শহীদ মিনার পড়ে আছে অযত্ন-অবহেলায়

আপডেট সময় : ১০:২২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০

এম.মোবারক হোসাইন, কক্সবাজার:
রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন শহীদ মিনারটি অযত্ন-অবহেলায় এখন ময়লা-আবর্জনা ফেলার ভাগারে পরিনত হয়েছে। অথচ বিষয়টি নজরে নেই ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃপক্ষের।

সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা গেছে, গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের পুরাতন ভবনের সম্মুখে শহীদ মিনারটি দীর্ঘদিন ধরেই অযত্ন অবহেলায় পড়ে আছে। ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবস এলেই শুধু ওই দিনগুলোতে এটি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে পুষ্পমাল্য অর্পন করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। আর সারাবছর ওই শহীদ মিনারটির কোনো খোঁজ রাখেনা কেউ।

স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজন এব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখানে কেউ কেউ দাড়িয়ে প্রস্রাবও করে। এই শহীদ মিনারটির এধরণের বেহাল করা মানে ভাষা শহীদদের প্রতি চরম অবহেলা প্রদর্শন ছাড়া কিছুই নয়। তারা এর তীব্র নিন্দা এবং অবিলম্বে শহীদ মিনারটি যথাযোগ্য মর্যাদায় সংরক্ষণের দাবি জানান।

এ ব্যাপারে গর্জনিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান, শহীদ মিনারটি গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদেরই তৈরি করা। পুনরায় সংরক্ষণ করার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবসের আগেই শহীদ মিনারটি সংরক্ষণ ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা নেয়া হবে।