দেশের জন্য কিছু করতে পারলে বিজয় দিবস উপভোগ করতে পারতাম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২০ ৬ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, রঙিখালী:
মহান বিজয় দিবস বাঙালি জাতির হাজার বছরের শৌর্যবীর্য এবং বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় দিবস ১৬ ই ডিসেম্বর । বীরের জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশসহ পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের নাম জানান দেওয়ার দিন আজ।

১৯৭১ সালের এদিনে বাঙালি জাতি পরাধীনতার শেকল ভেঙ্গে প্রথম স্বাধীনতার স্বাদ গ্রহণ করে। ২৪ বছরের নাগ পাশ ছিন্ন করে জাতির ভাগ্যাকাশে দেখা দেয় এক নতুন সূর্যোদয়। সমস্বরে একটি ধ্বনি যেন নতুন বার্তা ছড়িয়ে দেয় ‘জয়বাংলা’ বাংলার জয়, পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল, রক্ত লাল, রক্ত লাল।

বাংলাদেশ এখন ৪৯ বছরে পা রাখছে। দেশের যেভাবে উন্নতি হচ্ছে এটা সত্যি অবিশ্বাসনীয়। বর্তমান সরকার যেভাবে দেশ পরিচালনা করতেছেন এরকম হলে দেশের সব কিছু করা সম্ভব। এখন প্রশ্ন হল যাদের রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন হল তাদের মূল্য এদেশের মানুষ কতটুকু দেয়। একবারও কি ভাবছেন কোনদিন এই বিষয় নিয়ে। বাংলাদেশের নাম দূর্নীতে, অর্থ পাচারে শীর্ষে কেন। আপনি যদি সমিকরণ মেলাতে যান তাহলে দেখতে পাবেন যারা দুর্নীতি লুটপাট করে খাই তাদের কাছে এই দেশের স্বাধীনতা,বিজয় দিবস,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসহায়।

বর্তমান সময়ে দূর্নীতি, অর্থ পাচার এতটায় পপুলার যে, মনে হয় দেশের মান দিন দিন বৃদ্ধি হচ্ছে। যারা দূর্নীতি, অর্থ পাচার করে তাদের কাছে অসহায় এদেশের কৃর্তিমানরা। আমরা অনেকে বলে থাকি বাংলাদেশ এখন উন্নত দেশের মধ্যে একটি।

বিজয় দিবস এইপযন্ত ৪৮ বার চলে গেছে, যেতে থাকবে এরকম আজীবন। আমরা বাঙালীরা দূর্নীতি, অর্থ পাচার ও করি আবার বিজয় দিবস ও পালন করি। আপনি দেখতে পাবেন যারা এরকম দেশের ভাবমূর্তি ক্ষীণ করে তারাই বিজয় দিবস পালন করে বেশি। এদের জন্য আজ দেশের অবস্থা হাহাকার। তো আমার প্রশ্ন হলো যারা দেশকে নিয়ে চিনিমিনি খেলে তারা কিভাবে বিজয় দিবস পালন করে। এদের জন্য যারা দেশ প্রেমিক তারা দেশের বিজয় উল্লাস করতে পারে না। যারা দেশ প্রেমিক তারা হারিয়ে যায় ঐ দূর্নীতিবাজদের কাছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দেশের জন্য কিছু করতে পারলে বিজয় দিবস উপভোগ করতে পারতাম

আপডেট সময় : ১০:১৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২০

মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, রঙিখালী:
মহান বিজয় দিবস বাঙালি জাতির হাজার বছরের শৌর্যবীর্য এবং বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় দিবস ১৬ ই ডিসেম্বর । বীরের জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশসহ পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের নাম জানান দেওয়ার দিন আজ।

১৯৭১ সালের এদিনে বাঙালি জাতি পরাধীনতার শেকল ভেঙ্গে প্রথম স্বাধীনতার স্বাদ গ্রহণ করে। ২৪ বছরের নাগ পাশ ছিন্ন করে জাতির ভাগ্যাকাশে দেখা দেয় এক নতুন সূর্যোদয়। সমস্বরে একটি ধ্বনি যেন নতুন বার্তা ছড়িয়ে দেয় ‘জয়বাংলা’ বাংলার জয়, পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল, রক্ত লাল, রক্ত লাল।

বাংলাদেশ এখন ৪৯ বছরে পা রাখছে। দেশের যেভাবে উন্নতি হচ্ছে এটা সত্যি অবিশ্বাসনীয়। বর্তমান সরকার যেভাবে দেশ পরিচালনা করতেছেন এরকম হলে দেশের সব কিছু করা সম্ভব। এখন প্রশ্ন হল যাদের রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন হল তাদের মূল্য এদেশের মানুষ কতটুকু দেয়। একবারও কি ভাবছেন কোনদিন এই বিষয় নিয়ে। বাংলাদেশের নাম দূর্নীতে, অর্থ পাচারে শীর্ষে কেন। আপনি যদি সমিকরণ মেলাতে যান তাহলে দেখতে পাবেন যারা দুর্নীতি লুটপাট করে খাই তাদের কাছে এই দেশের স্বাধীনতা,বিজয় দিবস,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসহায়।

বর্তমান সময়ে দূর্নীতি, অর্থ পাচার এতটায় পপুলার যে, মনে হয় দেশের মান দিন দিন বৃদ্ধি হচ্ছে। যারা দূর্নীতি, অর্থ পাচার করে তাদের কাছে অসহায় এদেশের কৃর্তিমানরা। আমরা অনেকে বলে থাকি বাংলাদেশ এখন উন্নত দেশের মধ্যে একটি।

বিজয় দিবস এইপযন্ত ৪৮ বার চলে গেছে, যেতে থাকবে এরকম আজীবন। আমরা বাঙালীরা দূর্নীতি, অর্থ পাচার ও করি আবার বিজয় দিবস ও পালন করি। আপনি দেখতে পাবেন যারা এরকম দেশের ভাবমূর্তি ক্ষীণ করে তারাই বিজয় দিবস পালন করে বেশি। এদের জন্য আজ দেশের অবস্থা হাহাকার। তো আমার প্রশ্ন হলো যারা দেশকে নিয়ে চিনিমিনি খেলে তারা কিভাবে বিজয় দিবস পালন করে। এদের জন্য যারা দেশ প্রেমিক তারা দেশের বিজয় উল্লাস করতে পারে না। যারা দেশ প্রেমিক তারা হারিয়ে যায় ঐ দূর্নীতিবাজদের কাছে।