মুছে যাক বিষাদের গ্লানি, শুভ হোক নববর্ষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ জানুয়ারী ২০২১ ৯ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আব্দুল কাইয়ুম,
যেতে নাহি দিবো। হায়, তবু যেতে দিতে হয়। তবু চলে যায়। স্বভাবত যেকোন বিদায়ে রবীন্দ্রনাথ নাথ ঠাকুরের এই চরনটি ভেসে উঠে মনের পর্দায়। বিদায়ের সুরে দিনপঞ্জিকার আবর্তনে বিদায়ের ঘন্টা বাজালো ২০২০।

বছরের শুরুটা নানান পরিকল্পনায় যাত্রা শুরু করলেও করোনা নামক অভিশপ্ত অদৃশ্য ভাইরাসের থাবা জীবনচক্রে এনে দিয়েছে স্থবিরতা।

বছরজুড়ে আলোচনার মূল কেন্দ্র ছিলো মহামারি করোনা ভাইরাস। যার বিরাট প্রভাব পড়ে শিক্ষা ব্যবস্থায়।

লকডাউনে মার্চ থেকে পুরোবছরই বন্ধ থাকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অনলাইন ক্লাসে কিছুটা সংকট কাঁটানোর চেষ্টা করা হলেও প্রান্তিক পর্যায়ে সেই সুফল পৌঁছানো যায়নি।

রপ্তানি-আমদানি কমে যাওয়ায় অর্থনীতিতে বিরাট প্রভাব ফেলেছে কোভিড-১৯।

বন্দর নগরীতে করোনার শুরু থেকেই আলোচনায় আসে চিকিৎসাব্যবস্থার করুন অবস্থা। রোগী বাড়ার সাথে সাথে দেখা যায় আইসিইউ সংকটসহ নানান জটিলতা। তবে পরে সরকারের পক্ষ থেকে নগরীর জেনেরাল হাসপাতাল, বেসরকারি ও নিজ উদ্যোগে কিছু কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ সহ নানান সেবা চালু করলে তা কিছুটা স্বাভাবিক হয়।
করোনা মহামারীতে নগরীর আর্থ সামাজিক উন্নয়ন কাজে কিছুটা ধীর গতি থাকলেও চলমান থাকে উন্নয়ন গতি।নগরীর কর্ণফুলী ট্যানেলের কাজ দৃশ্যমান,আউটার রিং রোড, আগ্রবাদ এক্সেস রোডের মেরামত কাজ সহ বেশ কিছু কাজ চলমান থাকায় কিছুটা স্বস্তির আভাস পাই নগরবাসী।

দরজায় কড়া নাড়াচ্ছে নতুন বছর। নতুন দিনের নব আনন্দে হৃদয় কুঠুরিতে আশার সঞ্চার সকলের। কালো মেঘ দ্রুত কেঁটে যাবে, ঘুরে দাঁড়াবে পৃথীবি, দূর হবে সকল অনিশ্চায়তার দীর্ঘশ্বাস । দিন বদলের স্বপ্নে নতুন বছর সকলের জন্য সুখকর হোক এমনটাই প্রত্যাশা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মুছে যাক বিষাদের গ্লানি, শুভ হোক নববর্ষ

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ জানুয়ারী ২০২১

আব্দুল কাইয়ুম,
যেতে নাহি দিবো। হায়, তবু যেতে দিতে হয়। তবু চলে যায়। স্বভাবত যেকোন বিদায়ে রবীন্দ্রনাথ নাথ ঠাকুরের এই চরনটি ভেসে উঠে মনের পর্দায়। বিদায়ের সুরে দিনপঞ্জিকার আবর্তনে বিদায়ের ঘন্টা বাজালো ২০২০।

বছরের শুরুটা নানান পরিকল্পনায় যাত্রা শুরু করলেও করোনা নামক অভিশপ্ত অদৃশ্য ভাইরাসের থাবা জীবনচক্রে এনে দিয়েছে স্থবিরতা।

বছরজুড়ে আলোচনার মূল কেন্দ্র ছিলো মহামারি করোনা ভাইরাস। যার বিরাট প্রভাব পড়ে শিক্ষা ব্যবস্থায়।

লকডাউনে মার্চ থেকে পুরোবছরই বন্ধ থাকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অনলাইন ক্লাসে কিছুটা সংকট কাঁটানোর চেষ্টা করা হলেও প্রান্তিক পর্যায়ে সেই সুফল পৌঁছানো যায়নি।

রপ্তানি-আমদানি কমে যাওয়ায় অর্থনীতিতে বিরাট প্রভাব ফেলেছে কোভিড-১৯।

বন্দর নগরীতে করোনার শুরু থেকেই আলোচনায় আসে চিকিৎসাব্যবস্থার করুন অবস্থা। রোগী বাড়ার সাথে সাথে দেখা যায় আইসিইউ সংকটসহ নানান জটিলতা। তবে পরে সরকারের পক্ষ থেকে নগরীর জেনেরাল হাসপাতাল, বেসরকারি ও নিজ উদ্যোগে কিছু কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ সহ নানান সেবা চালু করলে তা কিছুটা স্বাভাবিক হয়।
করোনা মহামারীতে নগরীর আর্থ সামাজিক উন্নয়ন কাজে কিছুটা ধীর গতি থাকলেও চলমান থাকে উন্নয়ন গতি।নগরীর কর্ণফুলী ট্যানেলের কাজ দৃশ্যমান,আউটার রিং রোড, আগ্রবাদ এক্সেস রোডের মেরামত কাজ সহ বেশ কিছু কাজ চলমান থাকায় কিছুটা স্বস্তির আভাস পাই নগরবাসী।

দরজায় কড়া নাড়াচ্ছে নতুন বছর। নতুন দিনের নব আনন্দে হৃদয় কুঠুরিতে আশার সঞ্চার সকলের। কালো মেঘ দ্রুত কেঁটে যাবে, ঘুরে দাঁড়াবে পৃথীবি, দূর হবে সকল অনিশ্চায়তার দীর্ঘশ্বাস । দিন বদলের স্বপ্নে নতুন বছর সকলের জন্য সুখকর হোক এমনটাই প্রত্যাশা।