মুহাম্মদ দিদার হোসাইন,
বাঁশখালী(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রামের বাঁশখালী পৌরসভাস্থ শাহ্ আস্করিয়া সড়ক সংলগ্ন দোকানে অগ্নিকান্ড সংঘটিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
১৩ জানুয়ারি ২১ ইং-রোজ (বুধবার) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে বারোটার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। এতে ৪ দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়াতে সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে দোকান মালিকগণ। নগদ টাকা সহ মালামাল পুড়ে যাওয়ার ফলে প্রায় ৪০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দোকান মালিকের।
আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে সঠিক কোন তথ্য জানা যাইনি।তবে স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারনা হয়তো বিদ্যুৎ শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের উৎপত্তি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকেও একুই ধারণা করা হচ্ছে।
অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থরা হলেন- শাহ্ আস্করিয়া ফটোস্ট্যাট এন্ড স্টেশনারীর প্রোফাইটর মুহাম্মদ বেলাল হোসাইন, মুদির দোকানী মুহাম্মদ আবুল বশর, শাহ্ মোহছেন আউলিয়া ফার্মেসীর মালিক রাজীব তালুকদার, কামাল ইলেকট্রিক স্টোর মালিক মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন।
এব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্থ মুহাম্মদ আবুল বশর ও মুহাম্মদ বেলাল হোসাইন প্রতিবেদককে জানান, প্রতিদিনের ন্যায় আমরা ব্যবসায়িক কার্যক্রম শেষ করে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যাই।
হঠাৎ আমাদের দোকানে অগ্নিকাণ্ডের কথা শুনে আমরা হতভম্ব হয়ে পড়েছি, রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে আমাদের দোকানে অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার খবর পেয়েছি। বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিস টিমও খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে প্রায় ১ঘন্টা ধরে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। ততক্ষনে আমাদের ৪ দোকানের সর্বস্ব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ ঘটনায় আমাদের প্রায় ৪০ লক্ষাধিক পরিমাণ টাকার ক্ষয়ক্ষতি সংঘটিত হয়েছে বলেও জানান তারা। এখন আমাদের আয়ের একমাত্র উৎস পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ায় আমরা নিঃস্ব হয়ে পড়েছি।
বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের (ইনচার্জ) লিটন বৈষ্ণব জানান, আস্করিয়া সড়ক সংলগ্ন দোকানে রাতে অগ্নিকান্ড সংঘটিত হওয়ার বিষয়টি বাঁশখালী থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ সফিউল কবীর আমাকে অবিহিত করার সাথে সাথেই আমি ও আমার ফায়ার সার্ভিস টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছি, প্রায় এক ঘন্টা ধরে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হই।
তিনি আরো বলেন,যথাসময়ে খবর না পেলে আগুন পার্শবর্তী দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়ে যেতো। ফায়ার সার্ভিস টিম সদস্যদের প্রশংসা করেন স্থানীয়রা। জীবন বাজি রেখেই দীর্ঘ এক ঘন্টা চেষ্টা করে অগ্নি নিয়ন্ত্রণকরণ সাধারণ লোকের পক্ষে সম্ভব হতোন, আর অগ্নি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ওই অগ্নি পার্শ্ববর্তী দোকান গুলোতে ছড়িয়ে যেতো, বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের আপ্রাণ চেষ্টার বিষয়টি সত্যিই প্রশংসনীয়।