সাংবাদিক এম.এ সাত্তারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চায় সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজার!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ ৬ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
দৈনিক আজকের কক্সবাজার বার্তা’র বিশেষ প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম ট্রিবিউনের জেলা প্রতিনিধি, সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজার’র কার্যকরী পরিষদের সহ অর্থসম্পাদক এম এ সাত্তারের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজার।সোমবার সংগঠনটির সভাপতি এম এ আজিজ রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক বলরাম দাশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানান।

সাংবাদিক নেতারা বলেন, এ ধরনের মামলা স্বাধীন সাংবাদিকতা, মুক্ত গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তাই স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা চর্চার জন্য দ্রুত এই সাজানো মিথ্যা সিআর (৬০৬/২১) মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক এম এ সাত্তারসহ অন্যান্য বিবাদীদেরকে মামলার দায় হতে অব্যাহতি পাওয়ার নিমিত্তেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে প্রশাসনের নিকট দাবি জানানো হয়।

মামলায় এম এ সাত্তার সহ কয়েক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।মিথ্যা মামলাটি দায়ের করেন খুরুশকুল ইউনিয়নের কাউয়ারপাড়া এলাকার চিহ্নিত প্রতারক, হত্যা মামলাসহ অসংখ্য মামলার আসামি সদ্য জেলফেরত মৃত ফজর আলীর পুত্র মোহাম্মদ সুলতান (৮৫)।

গত ২৭ জুলাই ২০২১ তারিখ কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নং ২, আমলী আদালতে নালিশী মামলার আবেদন করেন। আদালত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে পিবিআইকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, বিগত ২৬/০৩/২০২১ তারিখ গভীর রাতে বাঁকখালী নদী ডিঙ্গিয়ে ২৫-৩০ জনের অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে পিএমখালীর ছনখোলা এলাকায় আনুপ্রবেশ করে জবর দখল করতে যায় কক্সবাজার পৌরসভা আলির জাহালের ত্রাস, কথিত নেতা রুহুল আমিন। এ সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মানুষের ধাওয়া খেয়ে অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও, ক্ষুব্ধ জনতার হাতে ধৃত হয়ে গণপিটুনির শিকার হন ঘটনার নেতৃত্বদানকারী রুহুল আমিনসহ অন্য ৩ সন্ত্রাসী।খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি দল তাদের গ্রেফতার পূর্বক জিআর ২০৪/২১, ৪(১)/৫ ধারায় দ্রুত বিচার সংশোধনী আইন ২০১৯, মামলা রুজু করে জেলে পাঠিয়ে দেয় থানা পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সাংবাদিক এম.এ সাত্তারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চায় সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজার!

আপডেট সময় : ০৪:২০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২১

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
দৈনিক আজকের কক্সবাজার বার্তা’র বিশেষ প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম ট্রিবিউনের জেলা প্রতিনিধি, সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজার’র কার্যকরী পরিষদের সহ অর্থসম্পাদক এম এ সাত্তারের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজার।সোমবার সংগঠনটির সভাপতি এম এ আজিজ রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক বলরাম দাশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানান।

সাংবাদিক নেতারা বলেন, এ ধরনের মামলা স্বাধীন সাংবাদিকতা, মুক্ত গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তাই স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা চর্চার জন্য দ্রুত এই সাজানো মিথ্যা সিআর (৬০৬/২১) মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক এম এ সাত্তারসহ অন্যান্য বিবাদীদেরকে মামলার দায় হতে অব্যাহতি পাওয়ার নিমিত্তেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে প্রশাসনের নিকট দাবি জানানো হয়।

মামলায় এম এ সাত্তার সহ কয়েক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।মিথ্যা মামলাটি দায়ের করেন খুরুশকুল ইউনিয়নের কাউয়ারপাড়া এলাকার চিহ্নিত প্রতারক, হত্যা মামলাসহ অসংখ্য মামলার আসামি সদ্য জেলফেরত মৃত ফজর আলীর পুত্র মোহাম্মদ সুলতান (৮৫)।

গত ২৭ জুলাই ২০২১ তারিখ কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নং ২, আমলী আদালতে নালিশী মামলার আবেদন করেন। আদালত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে পিবিআইকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, বিগত ২৬/০৩/২০২১ তারিখ গভীর রাতে বাঁকখালী নদী ডিঙ্গিয়ে ২৫-৩০ জনের অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে পিএমখালীর ছনখোলা এলাকায় আনুপ্রবেশ করে জবর দখল করতে যায় কক্সবাজার পৌরসভা আলির জাহালের ত্রাস, কথিত নেতা রুহুল আমিন। এ সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মানুষের ধাওয়া খেয়ে অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও, ক্ষুব্ধ জনতার হাতে ধৃত হয়ে গণপিটুনির শিকার হন ঘটনার নেতৃত্বদানকারী রুহুল আমিনসহ অন্য ৩ সন্ত্রাসী।খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি দল তাদের গ্রেফতার পূর্বক জিআর ২০৪/২১, ৪(১)/৫ ধারায় দ্রুত বিচার সংশোধনী আইন ২০১৯, মামলা রুজু করে জেলে পাঠিয়ে দেয় থানা পুলিশ।