দুই ছাত্রকে মারধরের ঘটনায় অক্সিজেন এলাকায় তুলকালাম।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৯ ৪৯০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আব্দুল করিম, চট্টগ্রামঃ
চট্টগ্রাম বায়েজিদ থানার অক্সিজেন এলাকায় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রকে মারধরের ঘটনায় অক্সিজেন এলাকায় তুলকালাম কান্ডের সৃষ্টি হয়েছে।(২৬আগস্ট) সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা অক্সিজেনের কুয়াইশ রোডে জড়ো হয়ে সিএনজি অটোরিকশাসহ সবধরনের গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিলে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।
জানা যায়, বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে কুয়াইশ রাস্তার মাথা থেকে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র আমানত ও শুভ অক্সিজেনগামী একটি সিএনজি অটোরিকশায় করে অক্সিজেনে আসে। তারা সিএনজি থেকে নেমে চালককে একটি একশত টাকার নোট দিলে চালক তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে এবং দশ বারো জন চালক মিলে তাদের মারধর করে।
পরে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের বহনকারী তিনটি গাড়ি রাস্তায় আড়াআড়িভাবে দাঁড় করিয়ে দিয়ে ছাত্ররা গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেয়। বিশেষ করে বেশকিছু সিএনজি অটোরিকশার চাবি কেড়ে নিয়ে কয়েকজন সিএনজি চালককে মারধর করে। প্রায় দুই ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ থাকার পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ঘটনা মিমাংসা করে দেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে বায়েজিদ থানার ওসি খোন্দকার আতাউর রহমান এসে মারধরে শিকার দুই ছাত্র ও প্রতিবাদকারী অন্যান্য ছাত্রদের সাথে কথা বলে অভিযুক্ত চালকদের শাস্তি প্রদানের নিশ্চয়তা দিলে এবং ঘটনার সুষ্ঠু সমাধানের আগ পর্যন্ত কুয়াইশ রোডে সিএনজি অটোরিকশা চলাচল বন্ধ রাখা হবে মর্মে আশ্বস্ত করলে ছাত্ররা অবরোধ তুলে নেন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
মারধরের শিকার আমনত বলেন, আমি ও আমার বন্ধু শুভ আজ বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে একটি সিএনজি অটোরিকশাযোগে অক্সিজেনে আসি। ভাড়া হিসেবে একটি একশত টাকার নোট দিলে তারা আমাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে এবং আমাদেরকে মারধর করে।
মাহবুব নামের চুয়েটের এক ছাত্র বলেন, আমাদের দুই ছোট ভাই আমানত ও শুভকে সিএনজি অটোরিকশা চালকরা মারধর করেছে। আমরা দোষী চালকদের শাস্তি চাই।
এ ব্যাপারে বায়েজিদ থানার ওসি বলেন, কয়েকজন সিএনজি অটোরিকশাচালক মিলে চুয়েটের দুই ছাত্রকে মারধরের ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে তারা রাস্তা অবরোধ করেছিল। আমরা দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ তুলে নেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দুই ছাত্রকে মারধরের ঘটনায় অক্সিজেন এলাকায় তুলকালাম।

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৯

আব্দুল করিম, চট্টগ্রামঃ
চট্টগ্রাম বায়েজিদ থানার অক্সিজেন এলাকায় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রকে মারধরের ঘটনায় অক্সিজেন এলাকায় তুলকালাম কান্ডের সৃষ্টি হয়েছে।(২৬আগস্ট) সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা অক্সিজেনের কুয়াইশ রোডে জড়ো হয়ে সিএনজি অটোরিকশাসহ সবধরনের গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিলে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।
জানা যায়, বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে কুয়াইশ রাস্তার মাথা থেকে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র আমানত ও শুভ অক্সিজেনগামী একটি সিএনজি অটোরিকশায় করে অক্সিজেনে আসে। তারা সিএনজি থেকে নেমে চালককে একটি একশত টাকার নোট দিলে চালক তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে এবং দশ বারো জন চালক মিলে তাদের মারধর করে।
পরে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের বহনকারী তিনটি গাড়ি রাস্তায় আড়াআড়িভাবে দাঁড় করিয়ে দিয়ে ছাত্ররা গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেয়। বিশেষ করে বেশকিছু সিএনজি অটোরিকশার চাবি কেড়ে নিয়ে কয়েকজন সিএনজি চালককে মারধর করে। প্রায় দুই ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ থাকার পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ঘটনা মিমাংসা করে দেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে বায়েজিদ থানার ওসি খোন্দকার আতাউর রহমান এসে মারধরে শিকার দুই ছাত্র ও প্রতিবাদকারী অন্যান্য ছাত্রদের সাথে কথা বলে অভিযুক্ত চালকদের শাস্তি প্রদানের নিশ্চয়তা দিলে এবং ঘটনার সুষ্ঠু সমাধানের আগ পর্যন্ত কুয়াইশ রোডে সিএনজি অটোরিকশা চলাচল বন্ধ রাখা হবে মর্মে আশ্বস্ত করলে ছাত্ররা অবরোধ তুলে নেন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
মারধরের শিকার আমনত বলেন, আমি ও আমার বন্ধু শুভ আজ বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে একটি সিএনজি অটোরিকশাযোগে অক্সিজেনে আসি। ভাড়া হিসেবে একটি একশত টাকার নোট দিলে তারা আমাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে এবং আমাদেরকে মারধর করে।
মাহবুব নামের চুয়েটের এক ছাত্র বলেন, আমাদের দুই ছোট ভাই আমানত ও শুভকে সিএনজি অটোরিকশা চালকরা মারধর করেছে। আমরা দোষী চালকদের শাস্তি চাই।
এ ব্যাপারে বায়েজিদ থানার ওসি বলেন, কয়েকজন সিএনজি অটোরিকশাচালক মিলে চুয়েটের দুই ছাত্রকে মারধরের ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে তারা রাস্তা অবরোধ করেছিল। আমরা দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ তুলে নেয়।