কক্সবাজারে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আঘাত হানার আশঙ্কা কমে আসছে: আবহাওয়া অফিস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৫:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৯ ২১৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এম এ সাত্তার, কক্সবাজারঃ
কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আঘাত হানার আশংকা ধীর হয়ে আসছে। অপরদিকে দেশের উপকূলীয় অঞ্চল সমুহের মধ্যে পায়রা, মংলা ও সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আঘাত হানার আশংকা ক্রমে বাড়তে চলেছে বলে জানা গেছে। আজ শনিবার বিকেল ৩ টার দিকে কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ বঙ্গোপসাগরে জোরালো ভাবে উত্তর-উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। অর্থাৎ কক্সবাজারের বিপরীতমূখী সুন্দরবন, পায়রা ও খুলনার দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ ৭৪ কিঃমিঃ গতিবেগে ঘন্টায় ১৩৫ কিঃমিঃ থেকে ১৫৫ কিঃমিঃ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোঃ আবদুর রহমান এ ব্যাপারে জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় টি সক্ষমতা থাকা অবস্থায় বলা যাবে না কোন দিকে আঘাত করবে। সেকেন্ডের ভিতর বিপরীতমুখী হতে পারে। তাই এই সন্দেহের নিরিখে কক্সবাজারকে কখনো পুরোপুরি আশংকা মুক্ত বলা যাবেনা। তবে কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে অন্যান্য এলাকা যেমন পায়রা, মংলা ও সুন্দরবনের তুলনায় আঘাত হানার আশংকা ক্রমান্বয়ে কমে আসতেছে।

এতে ঘূর্ণিঝড় ঝুঁকি হ্রাস পাচ্ছে। গতি পরিবর্তন করার সম্ভাবনা খুব একটা নেই, তবে সাগরে ঘূর্ণিঝড় থাকাবস্থায় সেটা নিশ্চিত করে বলা যাবেনা। এজন্য আবহাওয়া অধিদপ্তর কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর সতর্ক সংকেত রাখতে বলেছেন। তিনি আরো জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে আঘাত না হানলেও বুলবুল এর প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকবে, কক্সবাজারে আগামী ২ দিন গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হবে এবং কোথাও কোথাও হালকা দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে অগ্রসর হচ্ছে। এই অবস্থায় খুলনা, মংলা, সাতক্ষীরা ও সুন্দরবন এলকায় শনিবার শেষ রাতে অথবা রোববার যে কোন সময় আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সারা দেশে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হলে ও কক্সবাজার বিমানবন্দরে আজ সারাদিন বিমান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। বিমানের পূর্ব নির্ধারিত কোন সিডিউল পরিবর্তন হয়নি। অন্যদিকে, বিকেল ৩ টা হতে চট্টগ্রাম হজরত শাহ আমানত (রহ.) বিমানবন্দরে সব ধরনের বিমান উঠানামা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে সিভিল এভিয়েশন সুত্রে জানা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কক্সবাজারে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আঘাত হানার আশঙ্কা কমে আসছে: আবহাওয়া অফিস

আপডেট সময় : ০৭:৩৫:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৯

এম এ সাত্তার, কক্সবাজারঃ
কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আঘাত হানার আশংকা ধীর হয়ে আসছে। অপরদিকে দেশের উপকূলীয় অঞ্চল সমুহের মধ্যে পায়রা, মংলা ও সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আঘাত হানার আশংকা ক্রমে বাড়তে চলেছে বলে জানা গেছে। আজ শনিবার বিকেল ৩ টার দিকে কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ বঙ্গোপসাগরে জোরালো ভাবে উত্তর-উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। অর্থাৎ কক্সবাজারের বিপরীতমূখী সুন্দরবন, পায়রা ও খুলনার দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ ৭৪ কিঃমিঃ গতিবেগে ঘন্টায় ১৩৫ কিঃমিঃ থেকে ১৫৫ কিঃমিঃ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোঃ আবদুর রহমান এ ব্যাপারে জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় টি সক্ষমতা থাকা অবস্থায় বলা যাবে না কোন দিকে আঘাত করবে। সেকেন্ডের ভিতর বিপরীতমুখী হতে পারে। তাই এই সন্দেহের নিরিখে কক্সবাজারকে কখনো পুরোপুরি আশংকা মুক্ত বলা যাবেনা। তবে কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে অন্যান্য এলাকা যেমন পায়রা, মংলা ও সুন্দরবনের তুলনায় আঘাত হানার আশংকা ক্রমান্বয়ে কমে আসতেছে।

এতে ঘূর্ণিঝড় ঝুঁকি হ্রাস পাচ্ছে। গতি পরিবর্তন করার সম্ভাবনা খুব একটা নেই, তবে সাগরে ঘূর্ণিঝড় থাকাবস্থায় সেটা নিশ্চিত করে বলা যাবেনা। এজন্য আবহাওয়া অধিদপ্তর কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর সতর্ক সংকেত রাখতে বলেছেন। তিনি আরো জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে আঘাত না হানলেও বুলবুল এর প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকবে, কক্সবাজারে আগামী ২ দিন গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হবে এবং কোথাও কোথাও হালকা দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে অগ্রসর হচ্ছে। এই অবস্থায় খুলনা, মংলা, সাতক্ষীরা ও সুন্দরবন এলকায় শনিবার শেষ রাতে অথবা রোববার যে কোন সময় আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সারা দেশে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হলে ও কক্সবাজার বিমানবন্দরে আজ সারাদিন বিমান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। বিমানের পূর্ব নির্ধারিত কোন সিডিউল পরিবর্তন হয়নি। অন্যদিকে, বিকেল ৩ টা হতে চট্টগ্রাম হজরত শাহ আমানত (রহ.) বিমানবন্দরে সব ধরনের বিমান উঠানামা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে সিভিল এভিয়েশন সুত্রে জানা যায়।