পটিয়ায় ইউএনও’র কার্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২০ ৮৪ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ট্রিবিউন

সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রামের পটিয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অফিসে কৌশলে সিসিটিভি ক্যামেরা এড়িয়ে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। ইউএনওর কার্যালয়ের প্রধান অফিস সহকারীর রুমের তালা ভেঙে দুইটি আলমারি থেকে চোরেরা নগদ অর্থ নিয়ে গেছে।

শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি শেষে রবিবার অফিস খোলার পর চুরির বিষয়টি ধরা পড়ে। উপজেলা অফিসে ১৬টি সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও কোনটির ফুটেজেই চোরের চেহারা শনাক্ত করা যাচ্ছে না।

জানা যায়, ইউএনও হাবিবুল হাসানসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বৃহস্পতিবার কাজ শেষ করে অফিস বন্ধ করে যে যার মতো চলে যান। রবিবার সকালে প্রধান সহকারী অমর কান্তি দাশ অফিস কক্ষের তালা এবং দুইটি আলমারি ভাঙা দেখতে পান। পরে আলমারি থেকে টাকা খোয়া যাওয়ার বিষয়টিও নজরে আসে। তবে কত টাকা খোয়া গেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এছাড়া ইউএনওর অফিসের নিচে নৈশপ্রহরী বিমল নাথ পাহারায় থাকলেও তিনি কিছুই টের পাননি।

সকালে খবর পেয়ে পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, পৌরসভার মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. তিমির বরণ চৌধুরী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাজেদা বেগম শিরু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ইউএনও হাবিবুল হাসান বলেন, উপজেলা কার্যালয়ের চারদিকে ১৬টি সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। অফিসের উত্তর দিক দিয়ে দোতলায় উঠে কৌশলে প্যাকেট জাতীয় কিছু দিয়ে সিসিটিভি ক্যামেরার সামনে চেপে ধরে চোরের দল অফিসকক্ষে প্রবেশ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পটিয়ায় ইউএনও’র কার্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরি

আপডেট সময় : ০৯:১০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২০

চট্টগ্রামের পটিয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অফিসে কৌশলে সিসিটিভি ক্যামেরা এড়িয়ে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। ইউএনওর কার্যালয়ের প্রধান অফিস সহকারীর রুমের তালা ভেঙে দুইটি আলমারি থেকে চোরেরা নগদ অর্থ নিয়ে গেছে।

শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি শেষে রবিবার অফিস খোলার পর চুরির বিষয়টি ধরা পড়ে। উপজেলা অফিসে ১৬টি সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও কোনটির ফুটেজেই চোরের চেহারা শনাক্ত করা যাচ্ছে না।

জানা যায়, ইউএনও হাবিবুল হাসানসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বৃহস্পতিবার কাজ শেষ করে অফিস বন্ধ করে যে যার মতো চলে যান। রবিবার সকালে প্রধান সহকারী অমর কান্তি দাশ অফিস কক্ষের তালা এবং দুইটি আলমারি ভাঙা দেখতে পান। পরে আলমারি থেকে টাকা খোয়া যাওয়ার বিষয়টিও নজরে আসে। তবে কত টাকা খোয়া গেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এছাড়া ইউএনওর অফিসের নিচে নৈশপ্রহরী বিমল নাথ পাহারায় থাকলেও তিনি কিছুই টের পাননি।

সকালে খবর পেয়ে পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, পৌরসভার মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. তিমির বরণ চৌধুরী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাজেদা বেগম শিরু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ইউএনও হাবিবুল হাসান বলেন, উপজেলা কার্যালয়ের চারদিকে ১৬টি সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। অফিসের উত্তর দিক দিয়ে দোতলায় উঠে কৌশলে প্যাকেট জাতীয় কিছু দিয়ে সিসিটিভি ক্যামেরার সামনে চেপে ধরে চোরের দল অফিসকক্ষে প্রবেশ করে।