ঘন কুয়াশায় শাহ আমানত বিমান বন্দরে ফ্লাইট বিপর্যয়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ৮৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আব্দুল করিম, চট্টগ্রামঃ
ঘন কুয়াশায় দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়ায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে পারেনি সাতটি ফ্লাইট। পরে ফ্লাইটগুলো ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাঠানো হয়।

আজ রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা পর্যন্ত শাহ আমানতে ভিজিবিলিটি ছিলো ৬শ মিটার। প্লেন নামানোর জন্য কমপক্ষে যা দরকার ৮শ মিটার।

বিমানবন্দরের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক মাহমুদ আকতার হোসেন জানান, সকালে দোহা থেকে আসা রিজেন্ট এয়ারওয়েজ, মাসকাট থেকে আসা একটি ও দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইট শাহ আমানতে নামতে না পেরে শাহজালাল বিমানবন্দরে চলে গেছে। এছাড়া শারজাহ থেকে আসা এয়ার এরাবিয়ার ফ্লাইটটি কয়েক ঘণ্টা ধরে চট্টগ্রামের আকাশে অপেক্ষা করছে। এটি সকাল সাড়ে ৭টায় নামার কথা ছিলো। প্লেনটিতে পর্যাপ্ত জ্বালানি রয়েছে। যদি এখানে নামতে না পারে তবে সেটিও ঢাকা চলে যাবে।

তিনি জানান, শনিবার রাত ৯টায় চট্টগ্রামে ভিজিবিলিটি শূন্যে নেমে আসে। তাই শারজাহ থেকে আসা এয়ার এরাবিয়া, ইউএস বাংলার একটি ডমেস্টিক ও একটি ঢাকা-চট্টগ্রাম-মাসকাট রুটের ফ্লাইট চট্টগ্রামে নামতে না পেরে ঢাকা চলে গেছে।এ বিষয়ে
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উইং কমান্ডার সারওয়ার-ই-জামান বলেন, আজ সকালে ঘন কুয়াশায় দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়ায় চারটি ফ্লাইট শাহ আমানতে ল্যান্ড করতে পারেনি। পরে ফ্লাইটগুলো ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাঠানো হয়েছে। তবে সকাল ১০ টা থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে ও ফ্লাইটগুলো ল্যান্ড করতে পারছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঘন কুয়াশায় শাহ আমানত বিমান বন্দরে ফ্লাইট বিপর্যয়

আপডেট সময় : ০৪:৩০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০

আব্দুল করিম, চট্টগ্রামঃ
ঘন কুয়াশায় দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়ায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে পারেনি সাতটি ফ্লাইট। পরে ফ্লাইটগুলো ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাঠানো হয়।

আজ রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা পর্যন্ত শাহ আমানতে ভিজিবিলিটি ছিলো ৬শ মিটার। প্লেন নামানোর জন্য কমপক্ষে যা দরকার ৮শ মিটার।

বিমানবন্দরের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক মাহমুদ আকতার হোসেন জানান, সকালে দোহা থেকে আসা রিজেন্ট এয়ারওয়েজ, মাসকাট থেকে আসা একটি ও দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইট শাহ আমানতে নামতে না পেরে শাহজালাল বিমানবন্দরে চলে গেছে। এছাড়া শারজাহ থেকে আসা এয়ার এরাবিয়ার ফ্লাইটটি কয়েক ঘণ্টা ধরে চট্টগ্রামের আকাশে অপেক্ষা করছে। এটি সকাল সাড়ে ৭টায় নামার কথা ছিলো। প্লেনটিতে পর্যাপ্ত জ্বালানি রয়েছে। যদি এখানে নামতে না পারে তবে সেটিও ঢাকা চলে যাবে।

তিনি জানান, শনিবার রাত ৯টায় চট্টগ্রামে ভিজিবিলিটি শূন্যে নেমে আসে। তাই শারজাহ থেকে আসা এয়ার এরাবিয়া, ইউএস বাংলার একটি ডমেস্টিক ও একটি ঢাকা-চট্টগ্রাম-মাসকাট রুটের ফ্লাইট চট্টগ্রামে নামতে না পেরে ঢাকা চলে গেছে।এ বিষয়ে
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উইং কমান্ডার সারওয়ার-ই-জামান বলেন, আজ সকালে ঘন কুয়াশায় দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়ায় চারটি ফ্লাইট শাহ আমানতে ল্যান্ড করতে পারেনি। পরে ফ্লাইটগুলো ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাঠানো হয়েছে। তবে সকাল ১০ টা থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে ও ফ্লাইটগুলো ল্যান্ড করতে পারছে।