মশার প্রজনন ধ্বংসের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে: মেয়র নাছির

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩১:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ১০৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আব্দুল করিম, চট্টগ্রামঃ
নালা-নর্দমা পরিস্কারসহ মশার প্রজনন ধ্বংসের জন্য আরো তৎপর হওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।
মঙ্গলবার ( ১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে থিয়েটার ইনস্টিটিউট হলে চসিক ৫ম নির্বাচিত পরিষদের ৫৫ তম সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

এ প্রসঙ্গে সিটি মেয়র আরো বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আর্থিক ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত। বলতে গেলে আয়-ব্যয় প্রায়ই সমানে সমান। এ পরিস্থিতিতে মশার প্রজনন এবং উড়ন্ত মশা ধ্বংস করার জন্য ওষুধ ও যন্ত্রপাতি ক্রয় ব্যতিত চসিকের সামনে কোনো পথ খোলা নেই। তাই জরুরিভিত্তিতে এডালটিসাইড ও লার্ভিসাইডসহ যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য ২০ (বিশ) কোটি টাকার আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণের জন্য চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিলেন সিটি মেয়র।মেয়র বলেন, শুস্ক মৌসুমে মশার বিস্তারের উপযুক্ত সময়। ফলে নগরীতে মশার উপদ্রব ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাসা-বাড়িতে মশার উপদ্রবে নগরবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে। নগরবাসীকে মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা করতে চসিককে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে। আর্থিক অনটনের কথা বলে বসে থাকলে নগরবাসীর অভিযোগ থেকে পার পাওয়ার সুযোগ নেই চসিকের।মানুষের মঙ্গলের জন্য কাজ করাকে ইবাদত মনে করে উল্লেখ করে সিটি মেয়র বলেন, ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের নির্বাচন। এ নির্বাচনে যে কেউ জয়ী হয়ে আসতে পারে, আবার অনেকেই নাও আসতে পারে। বিজয়ী হয়ে আসতে না পারলে নিভৃতে বসে থাকাটা একজন জনপ্রতিনিধির কাম্য নয়। কারো ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। জনপ্রতিনিধির কাজ মানুষের সেবাদান করা। ক্ষমতায় না থাকলেও আপদে-বিপদে মানুষকে সেবা দিয়ে সাধারণ মানুষের মন জয় করতে হবে। এই সময়ই জনপ্রতিনিধিদের কাজ করার মোক্ষম সময় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ প্রসঙ্গে সিটি মেয়র বলেন আগামী ৪ আগস্ট পর্যন্ত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত ৫ম পরিষদের মেয়াদ থাকবে। এ মেয়াদকালীন সময়ের মধ্যে কাউন্সিলর ও চসিক কর্মকর্তাদের সমন্বয় সাধন পূর্বক করপোরেশনের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার উপর গুরুত্বারোপ করেন মেয়র।

তিনি বলেন, বিগত সময়ের চেয়ে এ মেয়াদেই চসিকের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। যা জনসম্মুখে প্রচার ও প্রসার করতে হবে। মেয়র চসিকের চলমান উন্নয়ন ধারাকে অব্যাহত রেখে সুন্দর নগরী হিসেবে বিশ্ব দরবারে পরিচিতি করতে হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠিত এ সভায় চসিক প্যানেল মেয়র, কাউন্সিলর, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর, চসিক প্রধান নির্বাহী মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল সোহেল আহমদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মফিদুল আলম, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, মেয়রের একান্ত সচিব মো. আবুল হাশেমসহ চসিক বিভাগীয় ও শাখা প্রধাননা উপস্থিত ছিলেন।

সভা সঞ্চালনায় ছিলেন চসিক সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মশার প্রজনন ধ্বংসের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে: মেয়র নাছির

আপডেট সময় : ১১:৩১:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০

আব্দুল করিম, চট্টগ্রামঃ
নালা-নর্দমা পরিস্কারসহ মশার প্রজনন ধ্বংসের জন্য আরো তৎপর হওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।
মঙ্গলবার ( ১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে থিয়েটার ইনস্টিটিউট হলে চসিক ৫ম নির্বাচিত পরিষদের ৫৫ তম সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

এ প্রসঙ্গে সিটি মেয়র আরো বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আর্থিক ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত। বলতে গেলে আয়-ব্যয় প্রায়ই সমানে সমান। এ পরিস্থিতিতে মশার প্রজনন এবং উড়ন্ত মশা ধ্বংস করার জন্য ওষুধ ও যন্ত্রপাতি ক্রয় ব্যতিত চসিকের সামনে কোনো পথ খোলা নেই। তাই জরুরিভিত্তিতে এডালটিসাইড ও লার্ভিসাইডসহ যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য ২০ (বিশ) কোটি টাকার আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণের জন্য চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিলেন সিটি মেয়র।মেয়র বলেন, শুস্ক মৌসুমে মশার বিস্তারের উপযুক্ত সময়। ফলে নগরীতে মশার উপদ্রব ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাসা-বাড়িতে মশার উপদ্রবে নগরবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে। নগরবাসীকে মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা করতে চসিককে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে। আর্থিক অনটনের কথা বলে বসে থাকলে নগরবাসীর অভিযোগ থেকে পার পাওয়ার সুযোগ নেই চসিকের।মানুষের মঙ্গলের জন্য কাজ করাকে ইবাদত মনে করে উল্লেখ করে সিটি মেয়র বলেন, ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের নির্বাচন। এ নির্বাচনে যে কেউ জয়ী হয়ে আসতে পারে, আবার অনেকেই নাও আসতে পারে। বিজয়ী হয়ে আসতে না পারলে নিভৃতে বসে থাকাটা একজন জনপ্রতিনিধির কাম্য নয়। কারো ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। জনপ্রতিনিধির কাজ মানুষের সেবাদান করা। ক্ষমতায় না থাকলেও আপদে-বিপদে মানুষকে সেবা দিয়ে সাধারণ মানুষের মন জয় করতে হবে। এই সময়ই জনপ্রতিনিধিদের কাজ করার মোক্ষম সময় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ প্রসঙ্গে সিটি মেয়র বলেন আগামী ৪ আগস্ট পর্যন্ত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত ৫ম পরিষদের মেয়াদ থাকবে। এ মেয়াদকালীন সময়ের মধ্যে কাউন্সিলর ও চসিক কর্মকর্তাদের সমন্বয় সাধন পূর্বক করপোরেশনের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার উপর গুরুত্বারোপ করেন মেয়র।

তিনি বলেন, বিগত সময়ের চেয়ে এ মেয়াদেই চসিকের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। যা জনসম্মুখে প্রচার ও প্রসার করতে হবে। মেয়র চসিকের চলমান উন্নয়ন ধারাকে অব্যাহত রেখে সুন্দর নগরী হিসেবে বিশ্ব দরবারে পরিচিতি করতে হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠিত এ সভায় চসিক প্যানেল মেয়র, কাউন্সিলর, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর, চসিক প্রধান নির্বাহী মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল সোহেল আহমদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মফিদুল আলম, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, মেয়রের একান্ত সচিব মো. আবুল হাশেমসহ চসিক বিভাগীয় ও শাখা প্রধাননা উপস্থিত ছিলেন।

সভা সঞ্চালনায় ছিলেন চসিক সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী।