বাড়িভাড়ার দুশ্চিন্তায় মিরসরাইয়ের ঘরবন্দি ভাড়াটিয়ারা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৬:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২০ ১১০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাবেদ ভূঁইয়া, মিরসরাই প্রতিনিধি:
চোখের পলকে শেষ হয় ৩০ দিন। এই সময় চোখের ঘুম যেন উবে যায় অধিকাংশ ভাড়াটের। সাধারণত মাসের ১ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে গুণতে হয় ভাড়ার টাকা। এতে নির্দিষ্ট সময়ে এই ভাড়া জোগাড় করতে অনেক সময় হিমশিমও খেতে হচ্ছে অনেককে। মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন এলকায় অধিকাংশ ভাড়াটেরই এমন অবস্থা করোনার এই দুর্যোগকালে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী গত একসপ্তাহ ধরে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন শ্রমজীবী ও চাকরিজীবী মানুষ। এতে হঠাৎ করে আয় ও রোজগার বন্ধ হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ভাড়াটেরা।

বেশ কয়েকজন ভাড়াটের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, তাদের সবারই কর্মস্থল বন্ধ। নিজেরা হয়ে আছেন ঘরবন্দি। তাই আয়-রোজগারও নেই। মানবিক বিবেচনায় তারা বাড়ির মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, অন্তত মার্চ ও এপ্রিল মাসের ভাড়া যেন মওকুফ করা হয়।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভাড়াটিয়া রয়েছেন। তবে সবচেয়ে বেশি রয়েছেন মিরসরাই সদর, জোরারগঞ্জ, বারইয়ারহাট পৌরসভা এলাকায়।

ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, করোনায় স্বল্প, নিম্ন ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের আয় ও রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় ভাড়াটিয়ারা মাস শেষে এই বাড়িভাড়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। মানবিক বিবেচনায় অন্তত একমাসের ভাড়া মওকুফ করা হলে মধ্যবিত্ত ও সাধারণদের উপকার হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাড়িভাড়ার দুশ্চিন্তায় মিরসরাইয়ের ঘরবন্দি ভাড়াটিয়ারা

আপডেট সময় : ০৬:০৬:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২০

জাবেদ ভূঁইয়া, মিরসরাই প্রতিনিধি:
চোখের পলকে শেষ হয় ৩০ দিন। এই সময় চোখের ঘুম যেন উবে যায় অধিকাংশ ভাড়াটের। সাধারণত মাসের ১ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে গুণতে হয় ভাড়ার টাকা। এতে নির্দিষ্ট সময়ে এই ভাড়া জোগাড় করতে অনেক সময় হিমশিমও খেতে হচ্ছে অনেককে। মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন এলকায় অধিকাংশ ভাড়াটেরই এমন অবস্থা করোনার এই দুর্যোগকালে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী গত একসপ্তাহ ধরে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন শ্রমজীবী ও চাকরিজীবী মানুষ। এতে হঠাৎ করে আয় ও রোজগার বন্ধ হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ভাড়াটেরা।

বেশ কয়েকজন ভাড়াটের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, তাদের সবারই কর্মস্থল বন্ধ। নিজেরা হয়ে আছেন ঘরবন্দি। তাই আয়-রোজগারও নেই। মানবিক বিবেচনায় তারা বাড়ির মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, অন্তত মার্চ ও এপ্রিল মাসের ভাড়া যেন মওকুফ করা হয়।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভাড়াটিয়া রয়েছেন। তবে সবচেয়ে বেশি রয়েছেন মিরসরাই সদর, জোরারগঞ্জ, বারইয়ারহাট পৌরসভা এলাকায়।

ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, করোনায় স্বল্প, নিম্ন ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের আয় ও রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় ভাড়াটিয়ারা মাস শেষে এই বাড়িভাড়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। মানবিক বিবেচনায় অন্তত একমাসের ভাড়া মওকুফ করা হলে মধ্যবিত্ত ও সাধারণদের উপকার হবে।