রাজধানীতে অর্ধশতাধিক এলাকা লকডাউন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩২:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০ ২৬৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম ট্রিবিউন ডেস্কঃ
দেশে এখনো পর্যন্ত নভেল করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) শনাক্ত ৩৩০ জন করোনা রোগীর মধ্যে ১৮৫ জনই ঢাকা শহরের। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে মিরপুর এবং বাসাবোতে। তাই এ দুই এলাকা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোগী শনাক্ত হলেই এলাকা লকডাউন করতে হবে। শনাক্ত বাড়তে থাকায় এখন ঢাকায় অর্ধশতাধিক এলাকায় লকডাউন পরিস্থিতি।

ঢাকায় প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় মিরপুরের উত্তর টোলারবাগে। পরে সংক্রমণ রোধে লকডাউন করা হয় ওই এলাকা। এর পর টোলারবাগসহ একে একে শনাক্ত এলাকা বাড়তে থাকে একই সঙ্গে বাড়তে থাকে লকডাউন করা এলাকাও।

ঢাকায় সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকায় মিরপুর-১০-এর ৭ নম্বর রোড, মিরপুর-১৩-এর ডেসকো কোয়ার্টার, মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের একটি সড়ক, মিরপুর এক-এর ওভারব্রিজ এলাকা, কাজীপাড়ার একাংশ এবং সেনপাড়ার একাংশ করা হয় লকডাউন। মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় এখন পর্যন্ত ২৭ জন শনাক্ত।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বাসাবো এলাকা। আইইডিসিআর জানায়, ঢাকায় মিরপুরের পরেই ক্লাস্টার পদ্ধতিতে করোনাভাইরাস সংক্রমিত হচ্ছে বাসাবোতে। প্রশাসনের পাশাপাশি এই এলাকার বিভিন্ন অলি-গলি লকডাউন করেছেন স্থানীয়রাই। নন্দীপাড়ার ব্রিজের পাশের এলাকাও লকডা

আশকোনার কিছু অংশ উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টরের একটি সড়ক এলাকাও লকডাউন করা হয়েছে।

বসুন্ধরার অ্যাপোলো হাসপাতালসংলগ্ন এলাকা, ডি ব্লকের ৫ নম্বর সড়কও করা হয়েছে লকডাউন, মহাখালীর আরজত পাড়ার একটি ভবন সিল করেছে পুলিশ।

করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় লকডাউন হয়েছে বুয়েট এলাকার একাংশ, ইস্কাটনের দিলু রোডের একাংশ, নয়াটোলার একাংশ, পল্টনের কিছু অংশ।

ওয়ারী, নারিন্দার একাংশ, সোয়ারীঘাটের কিছু অংশ, ইসলামপুরের একাংশ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী, মীর হাজিরবাগ, ডেমরার একাংশও লকডাউন করা হয়েছে। পশ্চিম মানিকনগর, লালবাগের খাজে দেওয়ান রোডের একাংশেও একই দশা।

মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকাও রয়েছে লকডাউনের তালিকায়। এর মধ্যে কৃষি মার্কেটের সামনে, তাজমহল রোড মিনার মসজিদ এলাকা, রাজিয়া সুলতানা রোড, বাবর রোডের একাংশ, বছিলা এবং আদাবর এলাকার কয়েকটি বাড়ি ও রাস্তা।

সেন্ট্রাল রোডের কিছু অংশ, ধানমন্ডি-৬-এর একাংশে করোনা শনাক্ত হওয়ায় লকডাউন করা হয়।

পুলিশ জানায় লকডাউন করার আগে যারা বাসার বাইরে ছিলেন তারা এলাকায় ঢুকতে পারবেন। তবে অনুমতি এবং যাচাই-বাছাই ছাড়া কেউ বের হতে পারবেন না। নগরজুড়ে সহস্রাধিক বাড়ি এখন লকডাউনের আওতায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাজধানীতে অর্ধশতাধিক এলাকা লকডাউন

আপডেট সময় : ১০:৩২:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০

চট্টগ্রাম ট্রিবিউন ডেস্কঃ
দেশে এখনো পর্যন্ত নভেল করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) শনাক্ত ৩৩০ জন করোনা রোগীর মধ্যে ১৮৫ জনই ঢাকা শহরের। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে মিরপুর এবং বাসাবোতে। তাই এ দুই এলাকা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোগী শনাক্ত হলেই এলাকা লকডাউন করতে হবে। শনাক্ত বাড়তে থাকায় এখন ঢাকায় অর্ধশতাধিক এলাকায় লকডাউন পরিস্থিতি।

ঢাকায় প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় মিরপুরের উত্তর টোলারবাগে। পরে সংক্রমণ রোধে লকডাউন করা হয় ওই এলাকা। এর পর টোলারবাগসহ একে একে শনাক্ত এলাকা বাড়তে থাকে একই সঙ্গে বাড়তে থাকে লকডাউন করা এলাকাও।

ঢাকায় সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকায় মিরপুর-১০-এর ৭ নম্বর রোড, মিরপুর-১৩-এর ডেসকো কোয়ার্টার, মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের একটি সড়ক, মিরপুর এক-এর ওভারব্রিজ এলাকা, কাজীপাড়ার একাংশ এবং সেনপাড়ার একাংশ করা হয় লকডাউন। মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় এখন পর্যন্ত ২৭ জন শনাক্ত।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বাসাবো এলাকা। আইইডিসিআর জানায়, ঢাকায় মিরপুরের পরেই ক্লাস্টার পদ্ধতিতে করোনাভাইরাস সংক্রমিত হচ্ছে বাসাবোতে। প্রশাসনের পাশাপাশি এই এলাকার বিভিন্ন অলি-গলি লকডাউন করেছেন স্থানীয়রাই। নন্দীপাড়ার ব্রিজের পাশের এলাকাও লকডা

আশকোনার কিছু অংশ উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টরের একটি সড়ক এলাকাও লকডাউন করা হয়েছে।

বসুন্ধরার অ্যাপোলো হাসপাতালসংলগ্ন এলাকা, ডি ব্লকের ৫ নম্বর সড়কও করা হয়েছে লকডাউন, মহাখালীর আরজত পাড়ার একটি ভবন সিল করেছে পুলিশ।

করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় লকডাউন হয়েছে বুয়েট এলাকার একাংশ, ইস্কাটনের দিলু রোডের একাংশ, নয়াটোলার একাংশ, পল্টনের কিছু অংশ।

ওয়ারী, নারিন্দার একাংশ, সোয়ারীঘাটের কিছু অংশ, ইসলামপুরের একাংশ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী, মীর হাজিরবাগ, ডেমরার একাংশও লকডাউন করা হয়েছে। পশ্চিম মানিকনগর, লালবাগের খাজে দেওয়ান রোডের একাংশেও একই দশা।

মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকাও রয়েছে লকডাউনের তালিকায়। এর মধ্যে কৃষি মার্কেটের সামনে, তাজমহল রোড মিনার মসজিদ এলাকা, রাজিয়া সুলতানা রোড, বাবর রোডের একাংশ, বছিলা এবং আদাবর এলাকার কয়েকটি বাড়ি ও রাস্তা।

সেন্ট্রাল রোডের কিছু অংশ, ধানমন্ডি-৬-এর একাংশে করোনা শনাক্ত হওয়ায় লকডাউন করা হয়।

পুলিশ জানায় লকডাউন করার আগে যারা বাসার বাইরে ছিলেন তারা এলাকায় ঢুকতে পারবেন। তবে অনুমতি এবং যাচাই-বাছাই ছাড়া কেউ বের হতে পারবেন না। নগরজুড়ে সহস্রাধিক বাড়ি এখন লকডাউনের আওতায়।