মধ্যপ্রাচ্যে দুই সপ্তাহের ব্যাবধানে করোনায় একই পরিবারের দুই ভাইয়ের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৪:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২০ ২৮২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোহাম্মদ জিপন উদ্দিন, ফটিকছড়ি:
সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে মহামারি করোনার (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাব। আরব আমিরাতে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ফটিকছড়ির দুই সহোদর বেদারুল আলম(৪৮) ও শাহ আলম (৪৪) আবুধাবীতে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাহি রাজিউন)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবীতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৬ই মে শাহ আলম মারা যান। তারপর মাত্র দুই সপ্তাহ পর ১৯ এপ্রিল শাহ আলমের বড় ভাই বেদারুল আলমও আরব আমিরাতের আবুধাবীতে কোভিট-১৯ আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারায়।

তারা দু’জনই ফটিকছড়ি উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড নুর আলী টেন্ডলের বাড়ির মৃত্যু ডাঃ মুহাম্মদ শামসুল আলমের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুত্র। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে একই পরিবারের দুই জনের মৃত্যু।
পরিবারের একটি শোক কেটে না উঠতেই আরেক টি হৃদয়বিদারক খবর। এই শোক নেমে এসেছে পরিবার পরিজনদের মাঝে।

প্রবাসের মাটিতে একের পর এক মৃত্যুর মিছিল বেড়েই চলছে। এদের মধ্যে অধিকাংশ প্রবাসীদের মৃত্যু হচ্ছে স্ট্রোক, হৃদরোগে ও কোভিট-১৯ আক্রান্ত হয়ে। এ মুহুর্তে সারা বিশ্বে করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে বিমান চলাচল বন্ধ হওয়াতে লাশ দেশে আনাও যাচ্ছেনা। পরিবার পরিজনরা শেষমুহুর্তে একটিবারের শেষ দেখা দেখার ও সুযোগ পাচ্ছেনা। বিভিন্ন সময়ে মারা যাওয়া এখনো শতাধিক প্রবাসীর লাশ হাসপাতালের মর্গে পরে আছে। যদিও তাদের পরিবার,স্বজনরা লাশ দেশে আনতে চায় কিন্তু অধিক খরচের জন্য তা আনা সম্ভবপর হচ্ছেনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মধ্যপ্রাচ্যে দুই সপ্তাহের ব্যাবধানে করোনায় একই পরিবারের দুই ভাইয়ের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১০:৩৪:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২০

মোহাম্মদ জিপন উদ্দিন, ফটিকছড়ি:
সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে মহামারি করোনার (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাব। আরব আমিরাতে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ফটিকছড়ির দুই সহোদর বেদারুল আলম(৪৮) ও শাহ আলম (৪৪) আবুধাবীতে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাহি রাজিউন)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবীতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৬ই মে শাহ আলম মারা যান। তারপর মাত্র দুই সপ্তাহ পর ১৯ এপ্রিল শাহ আলমের বড় ভাই বেদারুল আলমও আরব আমিরাতের আবুধাবীতে কোভিট-১৯ আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারায়।

তারা দু’জনই ফটিকছড়ি উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড নুর আলী টেন্ডলের বাড়ির মৃত্যু ডাঃ মুহাম্মদ শামসুল আলমের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুত্র। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে একই পরিবারের দুই জনের মৃত্যু।
পরিবারের একটি শোক কেটে না উঠতেই আরেক টি হৃদয়বিদারক খবর। এই শোক নেমে এসেছে পরিবার পরিজনদের মাঝে।

প্রবাসের মাটিতে একের পর এক মৃত্যুর মিছিল বেড়েই চলছে। এদের মধ্যে অধিকাংশ প্রবাসীদের মৃত্যু হচ্ছে স্ট্রোক, হৃদরোগে ও কোভিট-১৯ আক্রান্ত হয়ে। এ মুহুর্তে সারা বিশ্বে করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে বিমান চলাচল বন্ধ হওয়াতে লাশ দেশে আনাও যাচ্ছেনা। পরিবার পরিজনরা শেষমুহুর্তে একটিবারের শেষ দেখা দেখার ও সুযোগ পাচ্ছেনা। বিভিন্ন সময়ে মারা যাওয়া এখনো শতাধিক প্রবাসীর লাশ হাসপাতালের মর্গে পরে আছে। যদিও তাদের পরিবার,স্বজনরা লাশ দেশে আনতে চায় কিন্তু অধিক খরচের জন্য তা আনা সম্ভবপর হচ্ছেনা।