Home সর্বশেষ সংবাদ এক্সক্লুসিভ উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে কিছু কথা: মোবাশশির ইসলাম

উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে কিছু কথা: মোবাশশির ইসলাম

উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে কিছু কথা: মোবাশশির ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক:
রোহিঙ্গারা যেসব অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে, তা কি আদৌ গ্রহণ করা যায়? দেশের নিরাপত্তা বলে কথা! সরকারের আইনকে প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে রোহিঙ্গারা খুন-খারাবি মাদক ব্যবসা অস্ত্র ব্যবসা চোরাচালান সন্ত্রাসী সহ অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত থেকে আরম্ভ করে চুরি-ডাকাতি, এমনকি নাম ভাঙিয়ে কৌশল করে বাংলাদেশি পাসপোর্ট বের করছে। চলে যাচ্ছে বিদেশে।

প্রতিদিন বিভিন্ন নিউজে দেখি আমার নিজ জন্মভূমি টেকনাফ উপজেলা হোয়াইকং ইউনিয়ন এবং বাহারছড়া ইউনিয়ন, হৃীলা ইউনিয়নের জনগণকে ধরে নিয়ে যে হারে টাকা আদায় করছে! যদি টাকা দিতে ব্যর্থ হয় পাহাড়ে নিয়ে গুলি করে হত্যা করছে যুবকদেরকে এটা কি আমাদের মানবতা প্রতিদান,২০১৭ ইং তে তাদেরকে আশ্রয় দেওয়াটা আমাদের কি অপরাধ ছিল, আজ আমাদের অনেক মায়ের বুক খালি হয়ে গেছে, এটা কি মানবতা ফসল!

জনাব আলোচিত সমালোচিত কুখ্যাত ডাকাত আব্দুল হাকিম ডাকাতকে ধরতে আমরা ব্যর্থ! তাকে অস্ত্র যোগান দেওয়া ও অপহরণ কারীরা কারা তাদের চিন্হ করতে ও ব্যর্থ আমরা”! রোহিঙ্গা চোরা চালান মাদক ব্যবসা এইসব বন্ধ করাতে ও আমরা ব্যর্থ! এইসব ব্যর্থতার দায়ভার কে নিবে? এবং এর মূলত কারণ কি এটা খোঁজে বের করতে হবে শীঘ্রই প্রশাসনের।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলাকে কাটা তারের বেড়া দেওয়া সময়ের দাবি আমাদের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা অতি জরুরী না হয় রোহিঙ্গারা বন্যের পশু চেয়ে জগন্যতম পশু হবে এবং প্রত্যেক ইউনিয়নের শেষ দিকে সেনাবাহিনীর চেকপোস্ট বসাতে হবে না হয় তারা ওপ্রেন চলাচল করবে।

বিশ্বের মানবাধিকার সংস্থা কোথায় আজকাল তারাতো অনেক মানবতা দেখিয়ে ছিল রোহিঙ্গাকে? কিন্তু বাঙালিকে যেহারে গণহত্যার করতেছে পাহাড়ে নিয়ে তা কি একবার পর্যবেক্ষণ করছে মানবাধিকার কমিশন এটা আমাদের প্রশ্ন রইলো?

যেখানে রোহিঙ্গা ক্যাম্প আছে সেখানে একটি সমাজিক হউক বা রাষ্ট্রীয় হউক জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে একটি টিম গঠন করে উপজেলা নিবার্হী অফিসারকে প্রধান করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একটি কমিটি করা অতি জরুরি সে কমিটিতে ওয়ার্ড মেম্বার মসজিদের ইমাম শিক্ষক মুক্তিযুদ্ধা, কৃষক শ্রমিক রাজনীতি বীদ সহ সকল পেশাজীবি লোক নিয়ে রোহিঙ্গা পর্যবেক্ষণ ও নজরদারি রাখা সম্ভব সেখানে প্রয়োজন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও এই কমিটিতে যোগদান করতে পারবে। কে কোন দায়িত্ব পালন করবে তা উল্লেখ করে রোহিঙ্গা নজরদারি রাখা সম্ভব আমি মনে করি

কক্সবাজার জেলাবাসীকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প NGO চাকরিতে প্রাধান্য দিতে হবে, সবশেষে ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজার জেলা বাসী ফসল জমি আবাদি জমি সব কিছু ধংশ এটাও মনে যোগদিয়ে বিবেচনা করা অতি জরুরি। ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে সরকারি সহয়তা নিশ্চিত করতে হবে

ওদের অনেকেই দেশের অভ্যন্তরে জনগণের সঙ্গে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এই যে সামাজিক স্খলন সৃষ্টির অপপ্রয়াস চলছে, আমরা তো তাকে প্রতিরোধ করতে পারছি না। দু’একজন ধরা পড়ছে বটে; কিন্তু বিপুলসংখ্যক এর মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে।

এদিকে যে রোহিঙ্গা নারীরা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে এসেছিলেন, তারা তো সন্তান জন্ম দিয়েছেনই, তারপরও নতুন নতুন শিশু জন্মলাভ করছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ১১ লাখ ছাড়িয়ে ১২ লাখ ছুঁইছুঁই করছে। কী বিপদেই না পড়েছে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ।

তিন বছর পার হয়ে গেছে; আজও তাদের একজনকেও ফেরত পাঠাতে পারেনি। সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও দু’দুবার তা ব্যর্থ হয়েছে। কখনও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর কর্তাদের কলাকৌশলের কারণে আবার কখনওবা আমাদের ব্যর্থতার কারণে।

সত্য কথা বলতে কী, আমরা যে মহানুভবতা দেখিয়ে মিয়ানমার থেকে আসা নাগরিকদের ব্যাপক আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছি, বিশ্বের নানা রাষ্ট্রের কাছে এ সংকট সমাধানের আবেদনও জানিয়েছি; কিন্তু সে আবেদনে কতটুকু সাড়া পেয়েছি তা এ ৩’বছরের শূন্যগর্ভ কর্মকাণ্ডেই তা প্রমাণিত হচ্ছে।

এদিকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী আশ্রয় শিবিরে থেকে কিছু কিছু বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) উসকানিতে ফিরে যাওয়ার কথা তো প্রত্যাখ্যান করছেই, তার ওপর তারা বিশাল জমায়েত করে পাঁচ দফা দাবিও পেশ করেছে। সে দাবিগুলোতে যেসব বিষয়ের উল্লেখ আছে তা আমার কাছে মনে হয়েছে ফিরে না যাওয়ার একটা বাহানা মাত্র।

আবার অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, মানবেতর জীবনযাপনের এ পরিবেশ থেকে উদ্ধারের জন্য বাংলাদেশ সরকার ভাসানচর নামে একটি বিশাল এলাকাজুড়ে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের জন্য একটি স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করেছে।

অথচ আশ্রিত এ রোহিঙ্গারা সে স্থানে যেতে আপত্তি জানিয়েছে। আশ্রিতদের জন্য এই যে সরকারি ব্যবস্থা তা বর্তমান শিবিরের চেয়ে অনেকটাই স্বচ্ছন্দ ছিল। কিন্তু তারা সেখানে যাবেন না।

কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে যে রোহিঙ্গা আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, সেখানে গোপনে ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে প্রকাশ্যে দোকানপাট খুলে তারা বেশ জমিয়ে বসেছেন। নিয়মিত বিয়ে-শাদিও চলছে। আর তার জন্য অলঙ্কারের দোকান পর্যন্ত নাকি খুলে বসেছে তারা!

যারা আশ্রিত এবং বাংলাদেশ সরকারের ওপর ভরসা করে জীবনযাপন করছে, তাদের মধ্যে এ ধরনের বিলাসবহুল শৌখিনতা কী করে মানায়? শুধু কি তাই? গোপনে মাদক ও অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গেও তারা জড়িত।

খবরের কাগজে প্রকাশিত সংবাদে আমরা যা পড়ছি তা থেকে বোঝা যাচ্ছে, এ আশ্রয়কেন্দ্রে বহিরাগত এনজিওকর্মীরা নানা ধরনের সাহায্য-উপকরণ নিয়ে ওদের মধ্যে প্রবেশ করেছে। তারাই আশ্রয়ণে সরকারি পদক্ষেপেও নানা জটিলতা সৃষ্টি করছে।

দেশি-বিদেশি যেসব এনজিও এ রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে কাজ করছিল, তারা নিশ্চয়ই সরকারের অনুমতি নিয়েই এ এলাকাগুলোতে ‘অনুপ্রবেশ’ করেছে। কিন্তু তারা অনুমতির সদ্ব্যবহার না করে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার করে রোহিঙ্গাদের মনমানসিকতাকে আরও বিষাক্ত করে তুলছে। ফলে বাংলাদেশ সরকার ৪১টি এনজিওর কাজকর্ম বন্ধ করে দিয়েছে।

সর্বশেষ অনুরোধ এই পোস্টটি যথাযথ মর্যাদায় বাংলাদেশের সকল সংবাদ কর্মীরা যেন প্রচার করে এটা আমার অনুরোধ থাকবে৷

লেখক,
মোবাশশির ইসলাম
সাধারণ সম্পাদক- বাহারছড়া ইউনিয়ন ইয়ুথ ফোরাম,
প্রচার সম্পাদক – বাহারছড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ,
উপজেলা টেকনাফ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here