কক্সবাজার প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের হিমছড়িতে এক অস্ট্রেলিয়ান নারী পর্যটককে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠছে। এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে কটেজ মালিকসহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
সূত্রে জানা গেছে রবিবার হিমছড়ির মারমেইড বিচ রিসোর্টের সাথে লাগোয়া একটি কটেজে উঠেন অস্ট্রেলিয়ান নারী পর্যটক এলিসা বুকি (১৯)। রাতে ঘুমানোর সময় ২ যুবক ওই নারীর রুমে ঢুকে ধর্ষনের চেষ্টা করে। ধর্ষকদের সাথে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাদের কাছ থেকে নিজেকে রক্ষা করে কটেজ থেকে বের হয়ে চিৎকার করলে ধর্ষন চেষ্ঠাকারীরা পালিয়ে যায়। এ সময় এলিসা বুকি আহত হন। পরে ওই পর্যটক ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করে পুলিশের সহায়তা চায়।
এ বিষয়ে ওসি আবুল খায়ের জানান, ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পর্যটককে উদ্ধার করে আহত অবস্থায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মারমেইডের মালিক আনিসুল হক সোহাগের ভাই শামিমুল হক স্যাম সহ ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিঙ্গাসাবাদ করা হচ্ছে। এই বিষয়ে ওই অস্ট্রেলিয়ান পর্যটক বা অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন মামলা করলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। নতুবা পুলিশ বাদী হয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, রামু হিমছড়ির মারমেইড বিচ রিসোর্টের পাশেই বেশ কয়েকটি অনুমোদনহীন কটেজ তৈরি করেছে মারমেইডের মালিক আনিসুল হক সোহাগ ও তার ভাই শামিমুল হক স্যাম। আর মারমেইড বিচ রিসোর্টের সাথে লাগোয়া এই কটেজটি মারমেইড হিসেবে চেনেন স্থানীয়সহ পর্যটকরা। কাগজে কলমে এটি মারমেইডের অংশ না হলেও মারমেইড কটেজটি পরিচালিত করে আসছে। এই কটেজের খাওয়া থেকে শুরু করে সবকিছু মারমেইড থেকে সরবরাহ করা হয়।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে মারমেইড বিচ রিসোর্টের অপারেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ রানা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, এরকম কোন ঘটনা সম্পর্কে তারা কিছু জানেন না। মারমেইডে এই ধরণের কোন ঘটনা হয়নি।