আরিফুল ইসলাম, হালিশহর প্রতিনিধি:
শেষ মুহুর্তের বেচা-কেনা চলছে চট্টগ্রাম নগরীর স্থায়ী -অস্থায়ী সহ বিভিন্ন পশুর হাটগুলোতে। কিন্তু বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরীর সাগরিকা পশুর হাট,বিবিরহাট সহ অন্যান্য বেশীরভাগ পশুর হাটগুলো গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকে প্রায় পশু শূন্য হয়ে পড়েছে। এতে শেষ মুহুর্তে গরু কিনতে আসা ক্রেতারা চরম বিপাকে পড়েছেন। হাটে যে কয়েকটি গরু আছে তার ও আকাশ ছোঁয়া দাম চাওয়া হচ্ছে। এতে করে কোরবানির পশু কেনার জন্য শেষ মুহুর্তে হন্য হয়ে ঘুরছেন ক্রেতারা। ছুটছেন একবাজার থেকে অন্য বাজারে।কিন্তু কোথাও কাঙ্ক্ষিত গরুর দেখা মিলছে না। এতে করে নগরীর পশুর হাটগুলোতে ক্রেতাদের মাঝে এক ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে পশু সংকট এর কারণ জানতে চাইলে হাটের ইজারাদাররা বলেন,’আসলে এখানে কোনো সিন্ডিকেট কৃত্রিম সংকট তৈরি করে নাই, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিবছর যে বেপারিরা গরু নিয়ে আসেন তারা এবার করোনা পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে গরু নিয়ে আসেননি।’ এছাড়া বাজার শুরুর পর থেকে হাটে ক্রেতা না পাওয়ায় একপর্যায়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পড়েন বিক্রেতারা।এতে করে অনেক স্থানীয় বেপারিরা গরু নিয়ে গ্রামের হাটগুলোতে ছুটেছেন। বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে চট্টগ্রামের বাজারগুলোতে হঠাৎ করে ক্রেতার আধিক্য বাড়ায় বাজারে গরু সংকট শুরু হয়েছে। হাটে গরু থেকে ক্রেতার সংখ্যা বেশি। তবে সংকট মোকাবেলায় ইতিমধ্যে চট্টগ্রামের আশপাশের জেলাগুলোর বেপারিদের গরু নিয়ে আসতে খবর দেওয়া হয়েছে বলে জানান বাজার ইজারাদাররা।
‘ইতিমধ্যে হাটের আশেপাশে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির মতো গরু থাকলে নিয়ে আসতে মাইকিং করা হচ্ছে।’
এদিকে হাটের বিক্রেতারা বলছেন,’আসলে বন্যা ওকরোনা পরিস্থিতির কারণে এ বছর হাটে পর্যাপ্ত গরু আসেনি।’এছাড়া শুরুর দিকে হাটে ক্রেতা না থাকায়,অনেকটা চিন্তিত হয়ে পড়েন হাটে পশু বিক্রি করতে আসা বিক্রেতারা।’তাই নতুন করে গরু নিয়ে আসেননি বেপারিরা।
শেষ মুহুর্তে গরু কিনতে আসা ক্রেতারা বলছেন,পশুর সংকট হবে এমনটা তারা বুঝতে পারেননি। এখন হাটে যেসব পশু আছে তার দাম ও সহনীয় পর্যায়ে নেই।
তবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সহকারী এস্টেট অফিসার এখলাস উদ্দিন আহমদ চট্টগ্রাম ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাজারে গরু সংকটের খবর পেয়ে ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলেছি।’আশা করছি সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।তিনি হতাশ হতে মানা করেছেন।