এম.মোবারক হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার:
রামু পূর্বাঞ্চল (গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়া)’র সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত গর্জনিয়া থেকে রামু লাইনের সিএনজি ও লোডশেডিং এর তীব্র হয়রানিতে ভুগচ্ছে। এই হয়রানি থেকে অবসানের জন্য রামুর ইউএনও প্রণয় চাকমা মহোদয়ের কাছে আবেদন জানান।
গর্জনিয়া থেকে রামু লাইনের সিএনজি গুলো সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ সাধারণ ভুক্তভোগী মানুষের। উল্লেখ্য ১৬/০৫/২০২১ ইংরেজি রোজ রবিবার ভুক্তভোগী এক প্যাসেঞ্জার অভিযোগ করে সাংবাদিককে জানান কক্সবাজার-থ ১১৪১৩৬ নং সিএনজি করে পাঁচজন প্যাসেঞ্জার নিয়ে রামু থেকে গর্জনিয়া আসলে সবার থেকে ৬০ টাকা করে ভাড়া আদায় করেন ঐ সিএনজির ড্রাইভার। তখন তিনি(প্যাসেঞ্জার) প্রতিবাদ করলে রেইড ভাড়া ৬০ টাকা বলে দাবী করেন উক্ত ড্রাইভার। রেইড কে করে দিয়েছে প্যাসেঞ্জারের এমন প্রশ্নে সেই ড্রাইভার ইউএনও মহোদয়ের দেয়া বলে দাবী করেন।
প্যাসেঞ্জারের অভিযোগের ভিত্তিতে রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের সাথে কথা বললে তিনি বলেন ইউএনও ভাড়া নির্ধারণ করে না, ভাড়া নির্ধারণ করে চালক সমিতি। আমার(ইউএনও) কাজ যাত্রীদের অসুবিধা হলে তাদের সুবিধার জন্য সব কিছু বিবেচনা করে ভাড়া নির্ধারণ করে দেয়া। তিনি আরো বলেন, সিএনজি সমিতির নেতৃবৃন্দ সহ সকল ড্রাইভারের সাথে বসে চারজন যাত্রী নেওয়ার ভিত্তিতে ৪৫ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল। এরপর আর কোন ভাড়া ভাঁড়ানো কমানোর কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। যারা অন্যায় ভাবে ভাড়া আদায় কিংবা যাত্রীদের হয়রানি করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অপর দিকে গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়ায় লোডশেডিং এর তীব্রতায় অতিষ্ঠের অভিযোগ সাধারণ মানুষের। দৈনিক ২৪ ঘণ্টায় ৫টি ঘন্টাও বিদ্যুৎ দিচ্ছে না রামু পূর্বাঞ্চল গর্জনিয়া -কচ্ছপিয়ায়। উক্ত এলাকায় প্রতিদিন ৪০/৪১ ডিগ্রী সেলসিয়াস গরমে লোডশেডিং থেকে অবসান দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সাধারণ মানুষের আকুতি। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে লিখেন “পুরো রমজান মাস লোডশেডিং এর কারণে ঠিকমতো ইবাদত করতে পারিনি,রামুর বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা গুলো বিবেকহীনের পরিচয় দিচ্ছে “। এইভাবে শতশত মন্তব্য করছে রামুর বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের গালিগালাজ করে লোডশেডিং এর অতিষ্ঠতা প্রকাশ করছে।সাধারণ মানুষগন বিনীত অনুরোধ করেন, সিএনজি চালকদের অনিয়ম ও লোডশেডিং এর মত হয়রানি থেকে রক্ষার।