মহিউদ্দীন মনজুর, আনোয়ারা:
চট্টগ্রাম আনোয়ারা উপজেলার বন্দর ১৫ নং ঘাটঘর যাত্রী ছাউনির বেহাল দশা।যেখানে হাজার হাজার যাত্রী পারাপার করে ব্যস্ততম এই ঘাট দিয়ে। অপেক্ষামান যাত্রীর জন্য যে যাত্রী ছাউনি তাতে বসার জন্য সুযোগ থাকলেও কিন্তু তাতে বসার পরিবেশ নাই একেবারে নেই বললেও চলে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রী ছাউনি প্রবেশের পথে পাথরের বাঁধ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছে। যাতে ভেতরের কেউ প্রবেশ করতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। যাত্রী ছাউনির ভেতরের অংশ জীর্ণশীর্ণ ও অযত্নে-অবহেলায় পড়ে আছে এবং বসার জায়গা যেটা আছে সেটাও পরিত্যক্ত।
যাত্রী ছাউনিতে বসা আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী জুলেখা আকতার জুলি বলেন,নামে যাত্রী ছাউনি হলেও বসার কোন পরিবেশ নাই। প্রবেশের পথে লম্বা পাথরের একটা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে ভেতরে যাওয়াটা শিশু এবং বৃদ্ধাদের কষ্টসাধ্য।
ভুক্তভোগী এমন আরো কয়েকজনে সাথে কথা বললে প্রায় একইরকম বক্তব্য পাওয়া যায়। তার মধ্যে প্রবাসী হেলাল উদ্দিন জানান, এটি আসলে দুঃখজনক ব্যাপার। এই যাত্রী ছাউনিতে বসার জায়গায় গর্ত হয়ে গেছে।ননে হচ্ছে জনসাধারণ এটির সুফল পাচ্ছে না।
এ ব্যাপারে ১নং বৈরাগ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের মোহাম্মদ সোলাইমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,এ যাত্রী ছাউনি সিইউএফএল’র।ওনারা দোকানপাট এবং মোটর সাইকেল পার্কিং ভাড়া দেয়। এখানে জনসাধারণ তেমন সুযোগ পাচ্ছে না।আবার এটাতে আমাদের হস্তক্ষেপ নাই বললেই চলে। তবুও আমি ঘাটের রেলিং বিষয় সিইউএফএল’র এমডির সাথে কথা বলেছি। এখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ভালো না। তিনি আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন এটা সরেজমিনে গিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিবেন। এবং যাত্রী ছাউনির মেরামত এবং রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে তার সাথে কথা বলবো।
দক্ষিণ চট্টগ্রামের স্থানীয় মানুষ থেকে শুরু করে বাঁশখালী,চন্দনাইশ,সাতকানিয়া ও কক্সবাজার জেলার অধিকাংশ যাত্রী এ ঘাট ব্যবহার করে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হয়ে বিদেশে পাড়ি দিয়ে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।
এ ব্যাপারে আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) শেখ জোবায়ের আহমেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,বিষয়টি আমরা সিইউএফএল কতৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিব।