নিজস্ব প্রতিবেদক,
গত ১৪ মে ২০২০ ইং অনলাইন পোর্টাল চট্টলা বাংলা ও উখিয়া নিউজ টুডেসহ কয়েকটি অনলাইন ও ফেসবুকে ”উখিয়ার সাংবাদিক শ,ম,গফুর ইয়াবা সিন্ডিকেটের মিথ্যা মামলার শিকার,প্রত্যাহারেরর দাবী উখিয়া প্রেস ক্লাবের সংবাদ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদে বলা হয়েছে ঘুমধুম সীমান্তের চিহ্নিত ইয়াবা সিন্ডিকেট,তুমব্রু পশ্চিমকূলের ছৈয়দ আলমের ছেলে, আইনশৃংখলা বাহিনীর তালিকাভুক্ত ইয়াবাকারবারী জসিম উদ্দিনের ইয়াবার চালান মনিটরিংয়ের দায়িত্বে থাকা আপন সহোদর বড় ভাই জকির আহমদ প্রকাশ ওরপে জহির আহমদ বাদী হয়ে মিথ্যা চাঁদা দাবীর অভিযোগ সৃজন করে শ,ম,গফুরকে ১ নং তাতে জকির আহমদের পারিবারিক বিষয়কে কেন্দ্র করে আরো ২ মহিলাকে আসামী করা হয়েছে। বান্দরবান চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ( আমলী) কোর্টে দায়ের করা ফৌজদারি অভিযোগে শ,ম,গফুর ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেছে মর্মে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়।
উল্লেখ্যঃ যে শ,ম,গফুর আমার দু,সম্পর্কের ভগনিপতি ছিল,তারই সুবাদে আমাদের পারিবারিক ভাবে তার যাতায়াত ছিল আমার বাড়িতে।আমার স্ত্রী শামীমা সুলতানা রেহেনা পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ssscht টেকসই সামাজিক সেবা প্রধান প্রকল্পের মাঠ কর্মী হিসেবে কাজ করতেন,এরই সুবাদে গফুর আমার স্ত্রীর সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে আমার অজান্তে।১৪ অক্টোবর ২০১৯ ইং নাইক্ষংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ৩ নং ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি নির্বাচনে ১/২/৩ নং ওয়ার্ড থেকে আমার স্ত্রী মহিলা সদস্যা হিসাবে নির্বাচনে অংশ নেয়।সেখানে আরো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে আমার স্ত্রীর সাথে।আমাদের দাম্পত্য জীবন শুরু হয় ১১মার্চ ২০০৯ ইং রেজিস্ট্যারি কাবিননামা মূলে বিবাহ সম্পাদন হয়।আমাদের দাম্পত্য জীবনে আমাদের ঘরে ২ দুটি সন্তান আসে।বড় মেয়ে মাইমুনা মারুয়া জিমার বয়স ১০। ছেলে আফনান সাঈদ এর বয়স সাড়ে ৩ বছর।তাদের নিয়ে আমাদের দাম্পত্য জীবন সুখে শান্তিতে চলে আসছিল।শ,ম,গফুর আমাদের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত এর কারণে আমাদের সংসারে অশান্তি নেমে আসে।তারই ধারাবাহিকতায় আমরা স্বামী-স্ত্রীর মাঝে জগড়া লেগে থাকতো।সেই সুযোগে শ,ম,গফুর আমার স্ত্রীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তার আয়ত্বে নিয়ে যায়।শ,ম,গফুর বিভিন্ন সময় আমার ও আমা পিতা-মাতার কাছ থেকে চাঁদা দাবী করে আসতো।আত্নীয়তার সুবাদে তার ছোট খাটো আবদার গুলো আমরা পূরণ করেছি।তবে সর্বশেষ সে আমার কাছে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে, যার সাক্ষী প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। তার দাবীকৃত চাঁদা না দিলে সে আমার স্ত্রীকে উঠিয়ে নিয়ে যাবে বলে হুমকি দেয়।সে এও হুমকি দেয় যে ১১ মার্চ তোর বিবাহবার্ষিকী পালন করতে দেবোনা।সেই সুবাদে ১১ মার্চ আমি প্রয়োজনীয় কাজে বাড়ির বাহিরে গেলে শ,ম,গফুরের এক আত্নীয়র সিএনজি গাড়ির মাধ্যমে আনুমানিক বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে বাড়ি থেকে আমার স্ত্রী ও ২ সন্তানকে নিয়ে কক্সবাজার হোটেলে নিয়ে যায়।যার সাক্ষী আমার বড় মেয়ে মাইমুনা মারুয়া জিমা।এসময় আমার রেখে যাওয়া নগদ ৭০ হাজার টাকা ও ৬ ভরি স্বর্ণ, প্রায় ৩৫ হাজার টাকার কাপড় চোপড়,প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বাড়ি থেকে নিয়ে যায়।খবর পেয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশকে অবহিত করি।পরেরদিন ১২ মার্চ বিকেল ৫ টার দিকে শ,ম,গফুরের ফেসবুক আইডিতে দেখতে পাই আমার স্ত্রী আমাকে এফিডেভিটের মাধ্যমে আমাকে ডির্ভোস দেয়।যার সনাক্তকারী শ,ম,গফুর নিজে।আমার প্রশ্ন এখানে যে আমার স্ত্রীর,পিতা-মাতা, ভাই বোন,চাচাসহ অনেক আত্নীয় স্বজন থাকাকালীন সর্তে ও শ,ম,গফুর কিভাবে আমার স্ত্রী আমাকে ডির্ভোস দিয়েছে তা সনাক্তকারী হতে পারে।তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে এখনো পর্যন্ত আমি আমার স্ত্রীর দেওয়া ডির্ভোস লেটার পাইনি তা ঘুমধুমের ইউপি চেয়ারম্যান,মেম্বারসহ এলাকার সচেতন মহল অবগত রয়েছে।শ,ম,গফুর আমার ২ ছেলে মেয়েকে মাতৃহারা করে ঘুমধুম ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের জনৈক হামিদ আলির বাসায় আমার স্ত্রীকে নিয়ে অবৈধ ভাবে সংসার করে আসছে।শ,ম,গফুর একজন বিবাহিত, তার ঘরে স্ত্রীসহ ৫ সন্তান রয়েছে। তার দাবীকৃত চাঁদা না দেওয়ায় শ,ম,গফুর সাংবাদিক হওয়ার সুবাদে বিভিন্ন সময় অনলাইনে আমাকে বিএনপির পাতি নেতা,যুবদলের ক্যাডার, ইয়াবার গডফাদার, মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক থাকায় সে আক্রোশ মূলক ভাবে মসজিদ থেকে টাকা আত্নসাৎ করছি মর্মে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে আসছিল।এখানে আমার বক্তব্য এই যে আমি দীর্ঘ ২০০৩সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সৌদি প্রবাসী ছিলাম।আমার পিতা হাজী ছৈয়দ আলম,১৯৯২ সাল থেকে এখনো পর্যন্ত সৌদি আরবে আছে।ছোট ভাই জসিম উদ্দিন,২০১৮ সাল থেকে আরব আমিরাতে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছে।প্রবাসী পরিবার হিসেবে এলাকায় সুনামের সাথে আমরা বসবাস করে আসছি।আমাদের পরিবারে হারাম উপার্জনের টাকার প্রয়োজন নেই।ইয়াবার সাথে আমার পরিবারের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই,যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে আমরা ইয়াবার সাথে জড়িত অথবা আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে কোন থানায় মামলা রয়েছে তাহলে নিজেরাই প্রশাসনের কাছে আত্বসমর্পণ করবো।তাই আমি নিজেই প্রশাসনের কাছে দাবী জানাচ্ছি, আপনারা সরজমিন এসে প্রকৃত ঘটনা কি তা দেখে যান,তাই শ,ম,গফুর তার দোষ আড়াল করতে শাক দিয়ে মাছ ডাকার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।এহেন ভিক্তিহীন সংবাদে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।যে সংবাদমাধ্যম গুলো আমার কোন বক্তব্য না নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে, সে অনলাইন পোর্টাল গুলোর বিরুদ্ধে আমি আইনানুগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।পরিশেষে সবার উদ্দেশ্যে বলতে চাই,পরিবার সবার রয়েছে,কেউ কারো সরলতার সুযোগ নিয়ে এহেন জগন্যতম কাজ করতে পারে কি তা আপনাদের কাছে বিচারদাবী করছি।সাংবাদিকরা আমার শত্রু নয় আমি সাংবাদিক ভাইদের সম্মান করি।তাই আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করার আগে আমার বক্তব্য ও সরজমিন পরিদর্শন করে প্রকৃত ঘটনা জেনে প্রকাশ করুণ।অহেতুক কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে নিজের সম্মানহানি করবেন না।এহেন ভিক্তিহীন সংবাদে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বর্গের প্রতি আমার পরিবারের প্রতি আনিত সংবাদে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী
জহির আহমদ
পিতাঃহাজী ছৈয়দ আলম
ঘুমধুম জলপাইতলী
নাইক্ষ্যংছড়ি,বান্দরবান।