শনিবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫

ছবি ভাংচুর এর ঘঠনায় ১৩ দিন পর তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা

আপডেট:

নিজস্ব প্রতিবেদক,
গত ২৭ জানু্য়ারী আন্তর্জাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় চট্রগ্রাম এর কুমিরা ক্যাম্পাসে সংঘঠিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘঠনার পরিপেক্ষিতে ২৯ জানু্য়ারী রাত ৯ টার মধ্যে সকল শিক্ষার্থীকে আবাসিক হল ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশনা দেন বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ। ছাত্ররা হল ছেড়ে চলে যাওয়ার আগ মূহূত্বে রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ (প্রস্তাবিত) কমিটির কয়েক জন নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ছবি ভাংচুর এর অভিযোগ তুলে।

উক্ত ঘঠনার পরিপেক্ষিতে চট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলা অাওয়ামী যুবলীগ এর সহ -আইন বিষয়ক সম্পাদক
মোঃ কামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৬০/৭০ জনকে আসামি করে সীতাকুন্ড মডেল থানায় একটি মামলা করেন। মামলার এজাহারে ঘঠনার সময় সকাল ১০ ঘঠনাটি সংঘঠিত হয় বলে উল্লেখ করেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ এর ফেইবুক ফেইজে রাত ৮টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ৯টার মধ্যে ঘঠনাটি ঘঠে বলে তারা প্রকাশ করেন। এবং মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ৪ নং অাসামী সাবেক প্রোক্টর ড. কাউছার আহমদ শারীরিক অসুস্থ থাকায় ঐ দিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। একই মামলার ৬ নং আসামি সহকারী প্রোক্টর মোঃনিজাম উদ্দিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুউপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি কারণে বিকাল ৫ টা ৪৭ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন।

বিজ্ঞাপন

এই ঘঠনার পরিপেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ প্রফেসর ড.মোঃ নাজমুল হক নাদভী কে তদন্ত কমিঠির কনভেনার ও মোঃ ইকবাল হোসেন কে সদস্য সচিব করে সাত সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি ঘঠন করেন। উক্ত কমিটি কে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দিলেও ১৩ দিন পিছিয়ে ৯ মার্চ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন ঐ তদন্ত কমিটি। তদন্ত প্রতিবেদন এ কমিটি তাদের ৯টি পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।

তদন্ত কমিটির সুপারিশ উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে কোন শিক্ষার্থীর জাতির জনক ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি প্রদর্শনের সুযোগ নেই।এমতাবস্থায় কেউ রাখলে নিজ দায়িত্বে তা সংরক্ষণ করতে হবে,অন্যথায় জাতির জনক ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি যথাযত সংরক্ষণ না করার কারণে ছবি সংরক্ষণকারীর বিরোদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন অপরিহার্য। এই লক্ষ্যে তদন্ত কমিটি উক্ত ন্যাক্কারজনক ঘঠনার বিষয়ে যথাযত আইনী পদক্ষেপ গ্রহন পূর্বক উক্ত কক্ষের সাথে সম্পৃক্ত সকলের ফরেনসিক পরীক্ষাসহ অন্যান্য অাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধী সনাক্তকরণ ও তাদের দৃষ্টানতমূলক শাস্তির সুপারিশ করেন।

বিজ্ঞাপন

উলেক্ষ্য যে মামলার এজাহারে যে সকল শিক্ষকের না উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে তাদের কারো সম্পৃক্ততা মেলেনি জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে।

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্টার কর্ণেল মোহাম্মাদ আবুল কাশেম পিএসসি এর কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, তদন্ত কমিটি তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে যাদের বিরোদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যাবে তাদের বিরোদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করবে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত