নতুন প্রস্তাবনায় প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড নির্ধারণ করা হোক
ক’দিন আগে অর্থ মন্ত্রণালয় এক পরিপত্রে প্রাথমিক প্রধান ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব নাকচ করেছে।বলা হচ্ছে, বেতনে কোন বৈষম্য নেই !এ নিয়ে সারাদেশের প্রাথমিক শিক্ষকদের মাঝে প্রচন্ড ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।অবস্থার প্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব শিক্ষকদের আশার বাণী শোনাচ্ছেন।অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে প্রস্তাব নিয়ে আরোচনায় বসার আশ্বাস দিয়েছেন।
ইতিমধ্যে নাকচ করা প্রস্তাব কিন্তু সহকারী শিক্ষকদের সন্তুষ্ট করতে পারেনি।তাদের দাবি ছিল ১১তম গ্রেডের।প্রস্তাবে ছিল ১২ তম গ্রেডের কথা।সেখানেও ছিল সুষ্পষ্ট বৈষম্য।যোগ্যতার মাপকাঠিতে উভয় ক্যাটাগরির শিক্ষকগণ সমান।বেতম বৈষম্য নিয়ে সহকারী শিক্ষকরা আমরণ অনশন করেছিলেন।তৎকালীন মন্ত্রী ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বৈষম্য নিরসনের তাদের আশ্বাসও দিয়েছেলেন।কিন্তু সে আশ্বাস পরে ফিকে হয়ে আসে।
বর্তমান কর্তৃপক্ষও সময়ে সময়ে সহকারী শিক্ষকদের দাবির প্রতি একমত পোষণ করেছেন।কিন্তু প্রস্তাবে ঠিকই বৈষম্য রেখে দিয়েছেন।কেন এমন হল তার উত্তর কেউ দিতে পারেনা !
প্রস্তাব নাকচ করায় এবার সুযোগ এসেছে বেতম বৈষম্য দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার।যেহেতু প্রস্তাব নিয়ে আবার আলোচনা করার কথা বলা হচ্ছে সেহেতু আমি মনে নতুন করে প্রস্তাবনায় প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডের পাশাপাশি সহকারী শিক্ষকদের ১২তম গ্রেডের স্থলে ১১তম গ্রেড পুন:নির্ধারণ করাই হবে যুক্তিসংগত।এর ফলে কর্তৃপক্ষ বৃহত্তর শিক্ষক সমাজের আস্থা করবেন তাতে কোন সন্দেহ নেই।দূর হবে দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য।
কর্তৃপক্ষ নিরাশ করবেননা এমন আশায় বুক বেঁধে আছেন লক্ষ লক্ষ শিক্ষক।
★লেখক : শিক্ষক ও প্রাবন্ধিক



