Home সর্বশেষ সংবাদ এক্সক্লুসিভ শত কোটি টাকার সৌন্দর্য অযত্ন আর অবহেলার কারণে নস্ট হতে বসেছে

শত কোটি টাকার সৌন্দর্য অযত্ন আর অবহেলার কারণে নস্ট হতে বসেছে

শত কোটি টাকার সৌন্দর্য অযত্ন আর অবহেলার কারণে নস্ট হতে বসেছে

আব্দুল করিম, চট্টগ্রামঃ
গত তিন বছর আগেও দর্শনার্থী শূন্য হয়ে পড়েছিল পতেঙ্গা সৈকত। দর্শনার্থী হারাতে বসা এ সমুদ্র সৈকতকে বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে শত কোটি টাকা ব্যয়ে সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। সমুদ্রের ঢেউয়ের আদলে তিন স্তরে করা হয়েছে সৈকত পাড়ের ডিজাইন। তৈরি করা হয়েছে ওয়াকওয়ে, লিংক রোড ও কিডস জোন। যেখানে সৌন্দর্যবর্ধনে বসানো হয়েছে ফুলগাছ ও বিশ্রাম চেয়ার। সব মিলিয়ে নবরূপে সেজেছে পতেঙ্গা সৈকত। যে রূপে আকৃষ্ট হয়ে সেই দর্শনার্থী শূন্য পতেঙ্গা সৈকত আবারো মুখরিত হয়ে ওঠে পর্যটকদের পদচারণায়। তবে আবারো অযত্ন আর অবহেলায় পর্যটক হারানোর পথে এ সৈকত।

‘সবার কপালে নাকি সুখ সয় না’ প্রচলিত এ প্রবাদটির মতই যেন চট্টগ্রামবাসীর ভাগ্য। সৌন্দর্য উপভোগের আগেই তা ম্লান হতে বসেছে। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে সৈকত পাড়ে শত কোটি টাকা ব্যয়ে যে নির্মাণ কাজ চলছে তা শেষ হতে না হতেই ‘কিডস জোন’ দখলে নিয়ে নিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ হকাররা। দু’পাশ ঘিরে গড়ে তোলা হয়েছে শত শত ভ্রাম্যমাণ দোকান। যা এখন ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দর্শনার্থীদের কাছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্মাণ কাজ চলমান অবস্থায় শিশুদের জন্য নির্মাণাধীন ‘কিডস জোন’ এর জায়গা দখলে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসিয়েছে হকাররা। এখানে খাবার থেকে শুরু করে জামা-কাপড় ও রকামারি পণ্যের দোকান। এছাড়া সৈকত পাড়ের সৌন্দর্য রক্ষায় ‘ময়লা ফেললে হাজার টাকা জরিমানা’ উল্লেখ করে সাইনবোর্ড বসিয়েছে সিডিএ। তবে এই সাইন বোর্ডের পাশেই কিছু ভ্রাম্যমাণ খাবার দোকানিকে দেখা যায় খাবার বিক্রি করতে। এছাড়া পর্যটকদের খাবারের উচ্ছিষ্ট অংশগুলো সমুদ্রে ফেলতে দেখা যায় এসব দোকানদারদের। ফলে নবরূপে রঙিন এই পতেঙ্গা সৈকত দেখতে আসা পর্যটকরা উপভোগ করতে পারছেনা প্রকৃত সৌন্দর্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here