আব্দুল করিম, চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধি:
ঔষধ প্রশাসন চট্টগ্রাম ও জেলা প্রশাসন চট্টগ্রাম এর যৌথ উদ্যেগে চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবর শাহ এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।ভ্রাম্যমান আদালতে নগরিতে করোনা পরিস্থিতিতে ঔষধের মুল্য স্বাভাবিক আছে কিনা যাচাই করা হয় এবং ঔষধের সরবরাহ ঠিক আছে কিনা তা মনিটরিং করা হয়।আকবার শাহ এলাকায় ঔষধের সরবরাহ মোটামুটি ঠিক আছে বলে ব্যবসায়ীরা জানায়। বিনা প্রেস্ক্রিপশনে যেন ঔষধ বিক্রয় না হয় সেই জন্য ঔষধ প্রশাসন চট্টগ্রাম এর ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক মো কামরুল হাসান ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করেন।এ সময় কর্ণেল জোন্স রোডের তিনটি দোকানে ড্রাগ এক্ট ১৯৪০ এর ১৮ এর বিভিন্ন ধারা ভংগের দায়ে অনঅনুমোদিত ঔষধ, আনরেজিস্টার্ড ঔষধ, বিক্রয়ের দায়ে মক্কা ফার্মেসিকে ২০ হাজার টাকা, বিনা লাইসেন্সে ঔষধ সংরক্ষন ও বিক্র্য় করার অপরাধে আগমনি ফার্মেসিকে ৪০ হাজার টাকা এবং অপর একটা দোকান গ্রামীণ ফার্মেসিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তার। শিরীন আক্তার জানান ঔষধের ব্যবস্থাপনা যেন সুন্দর ও স্বাভাবিক থাকে এবং মানুষ যেন সব ধরনের ঔষধ বাজারে সরবরাহ থাকে সেই জন্য জেল প্রশাসন ও ঔষধ প্রশাসন চট্টগ্রাম এর অভিযান অব্যাহত থাকবে।