আনোয়ারা থানা পুলিশের অভিযানে ২৩বস্তা চোলাই মদ উদ্ধার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ ২৬৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আনোয়ারা প্রতিনিধি:
আনোয়ারা উপজেলার বারশত ইউনিয়নের বোয়ালিয়া নিমতলা সড়কের খালের পাড় এলাকায় আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ দুলাল মাহমুদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযানে প্রায় তেইশ বস্তা চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়!

১০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বারশত এলাকার বোয়ালিয়া নিমতলা রোডের একটি জমির মাটির নিচ থেকে চোলাই মদ উদ্ধার করা হয় মাদক উদ্ধারের অভিযান এর উদ্ধারকৃত স্থল থেকে একাধিক মাদক মামলার আসামী শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলমগীর পালিয়ে যায়।

মুহাম্মদ আলমগীর (৪০)বারশত গ্রামের খান বাড়ির মোহাম্মদ আমিন শরীফের পুত্র, এলাকা সূত্রে জানা যায় মোহাম্মদ আলমগীর দীর্ঘদিন যাবৎ তার স্ত্রী খালেদা বেগম এবং তার ভাই মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরকে নিয়ে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল, প্রতিদিন মদ পান করে এলাকায় বিভিন্নজনের বিরুদ্ধে গালিগালাজ এবং মেয়েদের বিভিন্ন অনৈতিক নির্যাতন করেই যাচ্ছিল আলমগীরের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে তার স্ত্রী এবং মেয়ে অন্যত্র পালিয়ে গেছে বলে জানা যায় পালিয়ে কেন গিয়েছে জানতে চাইলে এলাকার একজন বাসিন্দা বলেন আলমগীর প্রতিদিন মদ খেয়ে রাতে তার মেয়ের ঘরে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় তাই স্ত্রী খালেদা বেগম নিরুপায় হয়ে মেয়েকে নিয়ে অন্যত্র চলে যায়।

পুলিশ চলে যাওয়ার পরে মাদক ব্যবসায়ী আলমগীর এর উপর ক্ষুব্ধ হয়ে এলাকার সচেতন যুবক এবং মুরব্বিরা দলবদ্ধ হয়ে আলমগীরের মাদকের আস্তানা ভেঙ্গে আগুন জ্বালিয়ে দেন।

এ ব্যাপারে আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ দুলাল মাহমুদ বলেন, সকালে আমরা খবর পেয়েছি বারশত ইউনিয়নের নিমতল এলাকায় আমিন শরীফের পুত্র একাধিক মাদক মামলার আসামি মোহাম্মদ আলমগীর (৪০) গাড়ি করে তার এলাকায় চোলাই মদ এনে রেখেছেন।

সেই সংবাদের ভিত্তিতে আমরা অভিযান চালিয়ে জমির মাটির নিচে পুতে রাখা ২৩ বস্তা চোলাই মদ উদ্ধার করি,চোলাই মদের ওজন এগারো শত ৫০ লিটার প্রায় এবং মূল্য (পাঁচ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রায়,আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে আলমগীর পালিয়ে যায় আনোয়ারা থানায় আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন, এর আগেও মাদক ব্যবসায়ী মোঃ আলমগীর এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আনোয়ারা থানাতে একাধিক মাদকের মামলা রয়েছে,আমরা আলমগীরকে গ্রেপ্তার করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আনোয়ারা থানা পুলিশের অভিযানে ২৩বস্তা চোলাই মদ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৭:২০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯

আনোয়ারা প্রতিনিধি:
আনোয়ারা উপজেলার বারশত ইউনিয়নের বোয়ালিয়া নিমতলা সড়কের খালের পাড় এলাকায় আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ দুলাল মাহমুদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযানে প্রায় তেইশ বস্তা চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়!

১০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বারশত এলাকার বোয়ালিয়া নিমতলা রোডের একটি জমির মাটির নিচ থেকে চোলাই মদ উদ্ধার করা হয় মাদক উদ্ধারের অভিযান এর উদ্ধারকৃত স্থল থেকে একাধিক মাদক মামলার আসামী শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলমগীর পালিয়ে যায়।

মুহাম্মদ আলমগীর (৪০)বারশত গ্রামের খান বাড়ির মোহাম্মদ আমিন শরীফের পুত্র, এলাকা সূত্রে জানা যায় মোহাম্মদ আলমগীর দীর্ঘদিন যাবৎ তার স্ত্রী খালেদা বেগম এবং তার ভাই মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরকে নিয়ে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল, প্রতিদিন মদ পান করে এলাকায় বিভিন্নজনের বিরুদ্ধে গালিগালাজ এবং মেয়েদের বিভিন্ন অনৈতিক নির্যাতন করেই যাচ্ছিল আলমগীরের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে তার স্ত্রী এবং মেয়ে অন্যত্র পালিয়ে গেছে বলে জানা যায় পালিয়ে কেন গিয়েছে জানতে চাইলে এলাকার একজন বাসিন্দা বলেন আলমগীর প্রতিদিন মদ খেয়ে রাতে তার মেয়ের ঘরে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় তাই স্ত্রী খালেদা বেগম নিরুপায় হয়ে মেয়েকে নিয়ে অন্যত্র চলে যায়।

পুলিশ চলে যাওয়ার পরে মাদক ব্যবসায়ী আলমগীর এর উপর ক্ষুব্ধ হয়ে এলাকার সচেতন যুবক এবং মুরব্বিরা দলবদ্ধ হয়ে আলমগীরের মাদকের আস্তানা ভেঙ্গে আগুন জ্বালিয়ে দেন।

এ ব্যাপারে আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ দুলাল মাহমুদ বলেন, সকালে আমরা খবর পেয়েছি বারশত ইউনিয়নের নিমতল এলাকায় আমিন শরীফের পুত্র একাধিক মাদক মামলার আসামি মোহাম্মদ আলমগীর (৪০) গাড়ি করে তার এলাকায় চোলাই মদ এনে রেখেছেন।

সেই সংবাদের ভিত্তিতে আমরা অভিযান চালিয়ে জমির মাটির নিচে পুতে রাখা ২৩ বস্তা চোলাই মদ উদ্ধার করি,চোলাই মদের ওজন এগারো শত ৫০ লিটার প্রায় এবং মূল্য (পাঁচ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রায়,আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে আলমগীর পালিয়ে যায় আনোয়ারা থানায় আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন, এর আগেও মাদক ব্যবসায়ী মোঃ আলমগীর এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আনোয়ারা থানাতে একাধিক মাদকের মামলা রয়েছে,আমরা আলমগীরকে গ্রেপ্তার করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।