আনোয়ারায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে এক পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২১ ৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আনোয়ারা প্রতিনিধি:
আনোয়ারা উপজেলার বটতলী এলাকায় গাছ, বাঁশ পেলে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে এক পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে অভিযোগ করেছেন বলে জানান ভোক্তভোগী মো. সাইদুল হক।

গত ৫ ডিসেম্বর থেকে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগী মোঃ সাইদুল হক (মনু) ও স্থানীয়রা।

গত ১৭ ডিসেম্বর এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে সাইদুল হক জানান, ১৯৯৭ সালে দলিল মূলে নুর কাশেম প্রকাশ বাদশা মিয়া থেকে ৮ শতক জমি ক্রয় করি। এবং ওই জমিতে আমি বসত ঘর নির্মান করে ২০ বছর যাবৎ বসবাস করে আসছি। আমার বসত বাড়ির পাশে সার্বজনীন চলাচলের রাস্তাটি আমরা ব্যবহার করে আসছি।যা জমি ক্রয়কালীন সময় আমার সাথে বাদশা মিয়ার সাথে একটি চুক্তিও সম্পাদন হয়। কিন্তু বাদশা মিয়া মৃত্যুরপর তার ছেলে মো. ওসমান, মো. আক্তার, ও মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে মো. জাফর ও মো. শফিক বিভিন্ন ইশারা ইঙ্গিতপূর্ণ আচরণে বলেন চলাচলের রাস্তাটি ব্যবহার করা যাবে না। ওদের এসব কথা আমি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবগত করি। সর্বশেষ গত ডিসেম্বরের ১৭ তারিখে আমার বাড়ির গেইটের সামনে বাঁশ, গাছ পেলে চলাচলের বাধা সৃষ্টি করে। পরে ওসব গাছ-বাঁশ সরাতে গেলে তারা আমার গাছে ৩লাখ টাকা দাবি করে। তারা বলে চলাচলের রাস্তাটি ব্যবহার করতে হলে আমাদের ৩লাখ টাকা দিতে হবে। এমতাবস্তায় পরিবার পরিজন নিয়ে আমি এক প্রকার বন্দিদশায় জীবন যাপন করে আসছি। এ বিষয় আমি উপজেলা প্রশাসনসহ থানায় অবগত করি। তারা আমাকে আশ্বস্ত করেছে। বিষয়টি একটা সামাধান করবে।

এই বিষয়ে অভিযুক্ত মো. ওসমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চলাচলের রাস্তাটি পকুরের ভাঙ্গনে চলে গেছে। এখন যে রাস্তাটি মানুষ চলাচল করছে ওটা আমাদের দলিলের জায়গা। বাঁশ-গাছ পেলে চলাচলের বাঁধা সৃষ্টির প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কারো চলাচলে বাঁধা সৃষ্টি করেনি আমাদের জায়গার উপর বাঁশ-গাছ রেখেছি।

এই বিষয়ে আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জুবায়ের আহমেদ বলেন, এই বিষয়ে একটা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আনোয়ারায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে এক পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ!

আপডেট সময় : ০২:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২১

আনোয়ারা প্রতিনিধি:
আনোয়ারা উপজেলার বটতলী এলাকায় গাছ, বাঁশ পেলে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে এক পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে অভিযোগ করেছেন বলে জানান ভোক্তভোগী মো. সাইদুল হক।

গত ৫ ডিসেম্বর থেকে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগী মোঃ সাইদুল হক (মনু) ও স্থানীয়রা।

গত ১৭ ডিসেম্বর এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে সাইদুল হক জানান, ১৯৯৭ সালে দলিল মূলে নুর কাশেম প্রকাশ বাদশা মিয়া থেকে ৮ শতক জমি ক্রয় করি। এবং ওই জমিতে আমি বসত ঘর নির্মান করে ২০ বছর যাবৎ বসবাস করে আসছি। আমার বসত বাড়ির পাশে সার্বজনীন চলাচলের রাস্তাটি আমরা ব্যবহার করে আসছি।যা জমি ক্রয়কালীন সময় আমার সাথে বাদশা মিয়ার সাথে একটি চুক্তিও সম্পাদন হয়। কিন্তু বাদশা মিয়া মৃত্যুরপর তার ছেলে মো. ওসমান, মো. আক্তার, ও মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে মো. জাফর ও মো. শফিক বিভিন্ন ইশারা ইঙ্গিতপূর্ণ আচরণে বলেন চলাচলের রাস্তাটি ব্যবহার করা যাবে না। ওদের এসব কথা আমি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবগত করি। সর্বশেষ গত ডিসেম্বরের ১৭ তারিখে আমার বাড়ির গেইটের সামনে বাঁশ, গাছ পেলে চলাচলের বাধা সৃষ্টি করে। পরে ওসব গাছ-বাঁশ সরাতে গেলে তারা আমার গাছে ৩লাখ টাকা দাবি করে। তারা বলে চলাচলের রাস্তাটি ব্যবহার করতে হলে আমাদের ৩লাখ টাকা দিতে হবে। এমতাবস্তায় পরিবার পরিজন নিয়ে আমি এক প্রকার বন্দিদশায় জীবন যাপন করে আসছি। এ বিষয় আমি উপজেলা প্রশাসনসহ থানায় অবগত করি। তারা আমাকে আশ্বস্ত করেছে। বিষয়টি একটা সামাধান করবে।

এই বিষয়ে অভিযুক্ত মো. ওসমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চলাচলের রাস্তাটি পকুরের ভাঙ্গনে চলে গেছে। এখন যে রাস্তাটি মানুষ চলাচল করছে ওটা আমাদের দলিলের জায়গা। বাঁশ-গাছ পেলে চলাচলের বাঁধা সৃষ্টির প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কারো চলাচলে বাঁধা সৃষ্টি করেনি আমাদের জায়গার উপর বাঁশ-গাছ রেখেছি।

এই বিষয়ে আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জুবায়ের আহমেদ বলেন, এই বিষয়ে একটা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।