বৃক্ষ পরিচর্যার সচেতনতা বৃদ্ধিতে দূর্বার তারুণ্য এর ‘আমরা মালি’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ ৬ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাফায়েত মোরশেদ, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
“আমার যত্নে, আমার গাছ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশের জনপ্রিয় সামজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দূর্বার তারুণ্য ‘আমরা মালি’ শীর্ষক বৃক্ষরোপন করে চট্টগ্রামে ব্যতিক্রমী কার্যক্রম সম্পূর্ণ করল।

আজ ২৭ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, বিকাল ৩ ঘটিকায় চট্টগ্রামে সিআরবি এলাকায় শতাধিক বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে প্রজেক্টটির চলমান আরেকটি পর্ব সম্পন্ন করা হয়। দূর্বার তারুণ্য এর প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আবু আবিদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন করোনা প্রতিরোধক বুথ এর উদ্ভাবক হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর।

উক্ত অনুষ্ঠানের অতিথির বক্তব্যে হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর বলেন, গাছকে বলা হয় অক্সিজেনের ফ্যাক্টরি। মানুষ, গাছ, প্রাণিকুল সব মিলে একটি বায়বীয় গ্যাসীয় সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে, যার মাধ্যমে একে অপরের উপকারার্থে নিবেদিত। কাজেই পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার্থে একটি দেশের আয়াতনের শতকরা ২৫ ভাগ এলাকায় বনভূমি থাকা একান্ত প্রয়োজন রয়েছে বলে বিশেজ্ঞগণ মনে করেন। কিন্তু বাংলাদেশের আয়তনের তুলনায় বনাচ্ছাদিত এলাকার পরিমান মাত্র ৭.৭ ভাগ এবং ভুমি এলাকার তুলনায় ১৪ শতাংশ বনাঞ্চল। অতএব বিভিন্ন প্রকার শিল্পের উপকরণ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার সীমাহীন প্রয়োজনের তুলনায় আমাদের বৃক্ষের সংখ্যা নিতান্তই নগণ্য। আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণে অংশগ্রহণ করা।
তাই গন পর্যায়ে বৃক্ষ রোপন ও সঠিক পরিচর্যা কেবল পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার্থে এবং ফলমূল ও বনজ দব্যে দেশকে স্বনির্ভর করে তুলতে সাহায্য করবে না, বরং ব্যক্তি পরিবারের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য বিধানে অনুকূল ভুমিকা পালন করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে অবদান রাখবে। দেশের অর্থনীতি ও জনজীবনে স্বাচ্ছন্দ্য আনার জন্য আমাদের প্রত্যেকের প্রতিবছর অন্তত দুটি করে বৃক্ষ রোপণ ও এর সঠিকভাবে পরিচর্যা করা দরকার।

দূর্বার তারুণ্য এর প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আবু আবিদ প্রজেক্ট সম্পর্কে বলেন, বৃক্ষ আমাদের পরম বন্ধু। বৃক্ষ শুধু প্রাকৃতিক শোভাই বর্ধন করে না, মাটির ক্ষয় রোধ করে, বন্যা প্রতিরোধ করে, ঝড় তুফানকে বাধা দিয়ে জীবন ও সম্পদ রক্ষা করে। আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণেও বৃক্ষের ভূমিকা অপরিসীম। বৃক্ষ ছাড়া পৃথিবী মরুভূমিতে পরিণত হতো। বৃক্ষ অক্সিজেন সরবরাহ করে আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। তাই বৃক্ষকে বলা হয় প্রাণের অগ্রদূত। বর্তমানে বাংলাদেশে বৃক্ষরোপনের সংখ্যা বাড়লেও তা পরিচর্যার দিকে তেমন একটা মনযোগ নেই বললেই চলে। ‘আমরা মালি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে চাই। বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সবাই কম বেশি জানে, কিন্তু এই বহুল প্রয়োজনীয় জিনিসটিকে ঠিকঠাক গড়ে তোলার জন্য দরকার পরিচর্যা।

এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রবিউল হাসান, হৃদয় হোসেন মল্লিক, মোঃ কামরুল ইসলাম, এইচ এম আলাউদ্দিন, মোঃ এমদাদুল হক মারুফ, এইচ. এ. মোবারক, হাকিমুল ইসলাম সাকিব, সাফায়েত মোর্শেদ,মোবারক উল্লাহসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃত্ববৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বৃক্ষ পরিচর্যার সচেতনতা বৃদ্ধিতে দূর্বার তারুণ্য এর ‘আমরা মালি’

আপডেট সময় : ০৮:২৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

সাফায়েত মোরশেদ, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
“আমার যত্নে, আমার গাছ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশের জনপ্রিয় সামজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দূর্বার তারুণ্য ‘আমরা মালি’ শীর্ষক বৃক্ষরোপন করে চট্টগ্রামে ব্যতিক্রমী কার্যক্রম সম্পূর্ণ করল।

আজ ২৭ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, বিকাল ৩ ঘটিকায় চট্টগ্রামে সিআরবি এলাকায় শতাধিক বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে প্রজেক্টটির চলমান আরেকটি পর্ব সম্পন্ন করা হয়। দূর্বার তারুণ্য এর প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আবু আবিদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন করোনা প্রতিরোধক বুথ এর উদ্ভাবক হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর।

উক্ত অনুষ্ঠানের অতিথির বক্তব্যে হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর বলেন, গাছকে বলা হয় অক্সিজেনের ফ্যাক্টরি। মানুষ, গাছ, প্রাণিকুল সব মিলে একটি বায়বীয় গ্যাসীয় সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে, যার মাধ্যমে একে অপরের উপকারার্থে নিবেদিত। কাজেই পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার্থে একটি দেশের আয়াতনের শতকরা ২৫ ভাগ এলাকায় বনভূমি থাকা একান্ত প্রয়োজন রয়েছে বলে বিশেজ্ঞগণ মনে করেন। কিন্তু বাংলাদেশের আয়তনের তুলনায় বনাচ্ছাদিত এলাকার পরিমান মাত্র ৭.৭ ভাগ এবং ভুমি এলাকার তুলনায় ১৪ শতাংশ বনাঞ্চল। অতএব বিভিন্ন প্রকার শিল্পের উপকরণ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার সীমাহীন প্রয়োজনের তুলনায় আমাদের বৃক্ষের সংখ্যা নিতান্তই নগণ্য। আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণে অংশগ্রহণ করা।
তাই গন পর্যায়ে বৃক্ষ রোপন ও সঠিক পরিচর্যা কেবল পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার্থে এবং ফলমূল ও বনজ দব্যে দেশকে স্বনির্ভর করে তুলতে সাহায্য করবে না, বরং ব্যক্তি পরিবারের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য বিধানে অনুকূল ভুমিকা পালন করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে অবদান রাখবে। দেশের অর্থনীতি ও জনজীবনে স্বাচ্ছন্দ্য আনার জন্য আমাদের প্রত্যেকের প্রতিবছর অন্তত দুটি করে বৃক্ষ রোপণ ও এর সঠিকভাবে পরিচর্যা করা দরকার।

দূর্বার তারুণ্য এর প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আবু আবিদ প্রজেক্ট সম্পর্কে বলেন, বৃক্ষ আমাদের পরম বন্ধু। বৃক্ষ শুধু প্রাকৃতিক শোভাই বর্ধন করে না, মাটির ক্ষয় রোধ করে, বন্যা প্রতিরোধ করে, ঝড় তুফানকে বাধা দিয়ে জীবন ও সম্পদ রক্ষা করে। আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণেও বৃক্ষের ভূমিকা অপরিসীম। বৃক্ষ ছাড়া পৃথিবী মরুভূমিতে পরিণত হতো। বৃক্ষ অক্সিজেন সরবরাহ করে আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। তাই বৃক্ষকে বলা হয় প্রাণের অগ্রদূত। বর্তমানে বাংলাদেশে বৃক্ষরোপনের সংখ্যা বাড়লেও তা পরিচর্যার দিকে তেমন একটা মনযোগ নেই বললেই চলে। ‘আমরা মালি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে চাই। বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সবাই কম বেশি জানে, কিন্তু এই বহুল প্রয়োজনীয় জিনিসটিকে ঠিকঠাক গড়ে তোলার জন্য দরকার পরিচর্যা।

এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রবিউল হাসান, হৃদয় হোসেন মল্লিক, মোঃ কামরুল ইসলাম, এইচ এম আলাউদ্দিন, মোঃ এমদাদুল হক মারুফ, এইচ. এ. মোবারক, হাকিমুল ইসলাম সাকিব, সাফায়েত মোর্শেদ,মোবারক উল্লাহসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃত্ববৃন্দ।