‘আমি ও মরবো তুমিও মরবে’ বলে জড়িয়ে ধরলেন করোনা রোগী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২০ ১০৩৯ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ:
কক্সবাজারে পাওনা টাকার জন্য ‘করোনা লাগিয়ে দেওয়ার’ কথা বলেই দেনাদারকে ঝাপটে ধরলেন করোনা পজিটিভ এক যুবক।

মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার শহরতলীর লিংকরোড বাস স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। লকডাউন অমান্যকারী করোনা আক্রান্ত রোগীর নাম জাহাঙ্গীর আলম (৩২)। তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের পশ্চিম মুকতারকুল গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় সিএনজি চালিত ট্যাক্সি ব্যবসায়ী। পাওনা টাকার জন্য তিনি লিংক রোডের সালামত নামে এক দোকানীকে ‘আমিও মরব, তুইও মর’ বলে ঝাপটে ধরেন।

জানা যায়, চার দিন আগে তার করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। তার ভগ্নীপতি আবদুর রহমান ও তার বোন খুরশিদা বেগমও বেশ কয়েকদিন ধরে করোনা আক্রান্ত হয়ে রামু করোনা চিকিৎসায় নির্ধারিত হাসপাতালের আইসোলেশন রয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, নিজ বাড়ির লকডাউন অমান্য করে এই যুবক গত কয়েকদিন ধরেই মোটর সাইকেলে বেপরোয়া ঘুরাঘুরি করছেন।

এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ উল্লাহ মারুফ জানান, গত রবিবার জাহাঙ্গীর আলমকে নিজ ঘরে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া হয়। সেই সাথে পাড়াটিও লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তাকে রামু আইসোলেশন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানান।

ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান জানান, করোনা আক্রান্ত যুবক জাহাঙ্গীরের বেপরোয়া আচরণের সালিশ-বিচার নিয়ে আমরাও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। তিনি লকডাউন না মেনে হরদম মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করায় স্থানীয়রাও বিপাকে পড়েছেন। হামলার শিকার সালামতকে দ্রুত সাবান নিয়ে গোসল করানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

‘আমি ও মরবো তুমিও মরবে’ বলে জড়িয়ে ধরলেন করোনা রোগী

আপডেট সময় : ০৪:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২০

মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ:
কক্সবাজারে পাওনা টাকার জন্য ‘করোনা লাগিয়ে দেওয়ার’ কথা বলেই দেনাদারকে ঝাপটে ধরলেন করোনা পজিটিভ এক যুবক।

মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার শহরতলীর লিংকরোড বাস স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। লকডাউন অমান্যকারী করোনা আক্রান্ত রোগীর নাম জাহাঙ্গীর আলম (৩২)। তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের পশ্চিম মুকতারকুল গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় সিএনজি চালিত ট্যাক্সি ব্যবসায়ী। পাওনা টাকার জন্য তিনি লিংক রোডের সালামত নামে এক দোকানীকে ‘আমিও মরব, তুইও মর’ বলে ঝাপটে ধরেন।

জানা যায়, চার দিন আগে তার করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। তার ভগ্নীপতি আবদুর রহমান ও তার বোন খুরশিদা বেগমও বেশ কয়েকদিন ধরে করোনা আক্রান্ত হয়ে রামু করোনা চিকিৎসায় নির্ধারিত হাসপাতালের আইসোলেশন রয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, নিজ বাড়ির লকডাউন অমান্য করে এই যুবক গত কয়েকদিন ধরেই মোটর সাইকেলে বেপরোয়া ঘুরাঘুরি করছেন।

এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ উল্লাহ মারুফ জানান, গত রবিবার জাহাঙ্গীর আলমকে নিজ ঘরে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া হয়। সেই সাথে পাড়াটিও লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তাকে রামু আইসোলেশন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানান।

ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান জানান, করোনা আক্রান্ত যুবক জাহাঙ্গীরের বেপরোয়া আচরণের সালিশ-বিচার নিয়ে আমরাও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। তিনি লকডাউন না মেনে হরদম মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করায় স্থানীয়রাও বিপাকে পড়েছেন। হামলার শিকার সালামতকে দ্রুত সাবান নিয়ে গোসল করানো হয়েছে বলে জানান তিনি।