এম এ সাত্তার, ককসবাজার:
কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে ছনখোলা পশ্চিম পাড়া হতে নয়াপাড়া উত্তর মাদলিয়াপাড়া এক্স মিলিটারি রোড় পর্যন্ত ১৩ শত মিটার এইচবিবি দ্বারা সড়কের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এই উন্নয়ন কাজ জিসিপি-৩ প্রকল্পের আওতায় হচ্ছে বলে জানাগেছে।
বিগত কয়েক বছর ধরে অনেকটা চলাচলের অনুপযোগী ছিল ছনখোলা পশ্চিমপাড়ার একাংশ, নয়াপাড়া থেকে উত্তর মালিয়া পাড়ার শেষ অংশ এক্স মিলিটারি রাস্তা পর্যন্ত মূল সড়ক। অন্যদিকে বর্ষায় বৃষ্টিতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ব্যস্ত এ সড়কটি। রাস্তায় সিঙ্গেল ইটে বিছানো গ্রামীণ কাঁচা এ সড়ক দিয়ে ডাম্পার সহ অন্যান্য গাড়ি ভারী বোঝা বহন করার কারণে ইটগুলি মাটির ভিতরে ঢুকে গেছে অনেক আগেই। ফলে ইটের কোন অবশিষ্ট দেখা যাচ্ছিল না। পুরো রাস্তায় অসংখ্য খানাখন্দ থাকায় মানুষদের প্রতিদিনই ভোগান্তি নিয়েই চলাচল করতে হয়।তবে স্বস্তির কথা যাত্রীদের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা করে বেহাল এ সড়কের সংস্কার কাজ শুরু করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ।
জানা গেছে, পশ্চিমপাড়া, নয়াপাড়া, মাদলিয়া পাড়া সহ দুর্গম পাহাড়ে বসবাসকারী লোকজন সহজে গাড়িযোগে ছনখোলা ঘাটঘর বাজার, টাইম বাজার, চেরাংঘর বাজার, বাংলাবাজার, কক্সবাজার টাউন সহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগ সহজ হবে। সড়কটি নির্মাণের ফলে অত্র এলাকার কয়েক হাজার মানুষের ভাগ্যের অমুল পরিবর্তন আসবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চলিত অর্থবছরে পিএমখালী ইউনিয়নের ছনখোলা পশ্চিম পাড়ার ধুপার পুকুর থেকে নয়াপাড়া হইয়ে উত্তর মাদলিয়া পাড়ার শেষ অংশে এক্স মিলিটারি রোড় পর্যন্ত ৮১ লাখ ৭৯ হাজার, ২২২ দশমিক ৬০ টাকা মূল্যের ১৩০০ মিটার এইচবিবি দ্বারা সড়ক নির্মাণ টেন্ডার আহবান করে এলজিইডি। আর কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় মেসার্স ও আর এন্ড সন্স, নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।স্থানীয়দের মতে সড়ক নির্মাণ হলে পাল্টে যাবে অত্র এলাকার চিত্র। পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গাড়িযোগে সময়মতো যে যার কাজে চলে যেতে পারবে।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত ম্যানেজার জানান, যত দ্রুত সম্ভব ড্রেনের কাজ শেষ করা হবে, এর পরপরই ইট বিছানো হবে।
পিএমখালি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাস্টার আব্দুর রহিম বলেন, দুর্গম এলাকার মানুষের জন্য যাতায়াতের সুবিধা, নিরাপত্তা ,শান্তি উন্নয়নসহ নানা দিক বিবেচনা করে এই রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। তাছাড়া রাস্তাটি দিয়ে সহজে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গাড়িযোগে নিয়মিত টহল দিতে পারবে।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, কাজের গুণগত মান ঠিক রেখে ধাপে ধাপে ১৩০০ মিটার রাস্তার ইট বিছানো কাজ সম্পন্ন করা হবে।