কক্সবাজার সদর হাসপাতালে হচ্ছে ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০ শয্যার অত্যাধুনিক আইসিও, সিসিও

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২০ ১৩৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজার সংবাদদাতাঃ
অবশেষ ভেন্টিলেটর পেলো কক্সবাজারের জনগুরুত্বপূর্ণ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল। ভ্যান্টিলেটর সুবিধাসহ ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০ শয্যার অত্যাধুনিক আইসিও, সিসিও নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। এই ভেন্টিলেটর সমৃদ্ধ আইসিও, সিসিও নির্মাণে অর্থ সহায়তা দিচ্ছে ইউএনএইচসিআর। আগামী ২০দিনের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হবে। জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ইউএনএইচসিআর’র পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন জানান, করোনা সংক্রমণের কারণে কক্সবাজারের প্রধান সরকারি হাসপাতাল হিসেবে সদর হাসপাতালে ভেন্টিলেটর স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটিতে থাকবে ১০ শয্যা বিশিষ্ট অত্যাধুনিক আইসিও, সিসিও। এতে অর্থয়ান করছে ইউএনএইচসিআর।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ মহিউদ্দীন জানান, সদর হাসপাতালের পুরাতন মেডিকেল কলেজ ভবনের পঞ্চম তলায় নির্মিত হচ্ছে ভেন্টিল্টের সমৃদ্ধ ১০ শয্যার আইসিও, সিসিও। ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। শেষ হতে হতে আরো ২০দিন লাগবে।

ইউএনএইচসিআর সূত্র জানিয়েছে, ভেন্টিল্টের সমৃদ্ধ আইসিও, সিসিও ইউএনএইচসিআর কাজ শুরু করেছে। অত্যাধুনিক এইচডিও ফরমেটের যন্ত্রপাতি দিয়ে এই ভেন্টিল্টের সমৃদ্ধ আইসিও, সিসিও নির্মাণ করা হবে।

কক্সবাজারের সিভিল সার্জন মাহবুবুর রহমান বলেন, যেসব রোগীর সংক্রমণ খুবই মারাত্মক তাদের জীবনরক্ষায় ভেন্টিলেটর খুবই কার্যকর এক যন্ত্র। রোগীর ফুসফুস যদি কাজ না করে তাহলে রোগীর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের কাজটা ভেন্টিলেটর করে দেয়। এর মাধ্যমে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে এবং পুরোপুরিভাবে সেরে উঠতে রোগী হাতে কিছুটা সময় পান। নানা ধরনের ভেন্টিলেশন যন্ত্র দিয়ে এই কাজটা করা হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রায় ৮০% করোনাভাইরাস রোগী হাসপাতালের চিকিৎসা ছাড়াই সুস্থ হয়ে ওঠেন। কিন্তু প্রতি ছয়জন রোগীর মধ্যে একজন গুরুতরভাবে অসুস্থ হতে পারেন, এবং তাদের নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এই ধরনের মারাত্মক কেসে, ভাইরাস রোগীর ফুসফুস বিকল করে দেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে হচ্ছে ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০ শয্যার অত্যাধুনিক আইসিও, সিসিও

আপডেট সময় : ১১:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২০

কক্সবাজার সংবাদদাতাঃ
অবশেষ ভেন্টিলেটর পেলো কক্সবাজারের জনগুরুত্বপূর্ণ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল। ভ্যান্টিলেটর সুবিধাসহ ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০ শয্যার অত্যাধুনিক আইসিও, সিসিও নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। এই ভেন্টিলেটর সমৃদ্ধ আইসিও, সিসিও নির্মাণে অর্থ সহায়তা দিচ্ছে ইউএনএইচসিআর। আগামী ২০দিনের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হবে। জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ইউএনএইচসিআর’র পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন জানান, করোনা সংক্রমণের কারণে কক্সবাজারের প্রধান সরকারি হাসপাতাল হিসেবে সদর হাসপাতালে ভেন্টিলেটর স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটিতে থাকবে ১০ শয্যা বিশিষ্ট অত্যাধুনিক আইসিও, সিসিও। এতে অর্থয়ান করছে ইউএনএইচসিআর।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ মহিউদ্দীন জানান, সদর হাসপাতালের পুরাতন মেডিকেল কলেজ ভবনের পঞ্চম তলায় নির্মিত হচ্ছে ভেন্টিল্টের সমৃদ্ধ ১০ শয্যার আইসিও, সিসিও। ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। শেষ হতে হতে আরো ২০দিন লাগবে।

ইউএনএইচসিআর সূত্র জানিয়েছে, ভেন্টিল্টের সমৃদ্ধ আইসিও, সিসিও ইউএনএইচসিআর কাজ শুরু করেছে। অত্যাধুনিক এইচডিও ফরমেটের যন্ত্রপাতি দিয়ে এই ভেন্টিল্টের সমৃদ্ধ আইসিও, সিসিও নির্মাণ করা হবে।

কক্সবাজারের সিভিল সার্জন মাহবুবুর রহমান বলেন, যেসব রোগীর সংক্রমণ খুবই মারাত্মক তাদের জীবনরক্ষায় ভেন্টিলেটর খুবই কার্যকর এক যন্ত্র। রোগীর ফুসফুস যদি কাজ না করে তাহলে রোগীর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের কাজটা ভেন্টিলেটর করে দেয়। এর মাধ্যমে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে এবং পুরোপুরিভাবে সেরে উঠতে রোগী হাতে কিছুটা সময় পান। নানা ধরনের ভেন্টিলেশন যন্ত্র দিয়ে এই কাজটা করা হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রায় ৮০% করোনাভাইরাস রোগী হাসপাতালের চিকিৎসা ছাড়াই সুস্থ হয়ে ওঠেন। কিন্তু প্রতি ছয়জন রোগীর মধ্যে একজন গুরুতরভাবে অসুস্থ হতে পারেন, এবং তাদের নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এই ধরনের মারাত্মক কেসে, ভাইরাস রোগীর ফুসফুস বিকল করে দেয়।