করোনায় ওমানে রাউজানের সুলতানের মৃত্যু!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুলাই ২০২১ ৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাসুদা আকতার, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
করোনায় আক্রান্ত হয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে এক প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি চট্টগ্রামের রাউজানের নোয়াপাড়া ইউনিয়নের চৌধুরীহাট নুর আলি চৌকিদারের বাড়ির মৃত শামসুল আলমের একমাত্র ছেলে মোহাম্মদ সুলতান আহমেদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৩ বছর।

গত সোমবার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১১ টায় স্থানীয় একটি সরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত সুলতান আহমেদের ভগ্নিপতি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তার পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুলাই নিহতের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ওমানের একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে দীর্ঘ ১১ দিন যাবৎ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে তিনি মারা যান।

জানা যায় তিনি দীর্ঘ ২৬ বছর ওমানে রয়েছেন। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।

সুলতান আহমেদের একটি ১১ বছরের প্রতিবন্ধী কন্যা সন্তান রয়েছে। সুলতান আহমেদ পরিবারে একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন। তাকে হারিয়ে পরিবারে নেমে এসেছে ঘোর অন্ধকার।

করোনায় মৃত্যু হওয়ার কারণে তার লাশ দেশে আনা হবে না। ওমানে তার লাশ দাফন সম্পন্ন হবে ।আজ বুধবার (১৪ জুলাই) সকালে তার দাফন কাপন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। মৃত্যুকালে তিনি এক মেয়ে, স্ত্রীসহ মাকে রেখে যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

করোনায় ওমানে রাউজানের সুলতানের মৃত্যু!

আপডেট সময় : ০৩:৫৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুলাই ২০২১

মাসুদা আকতার, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
করোনায় আক্রান্ত হয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে এক প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি চট্টগ্রামের রাউজানের নোয়াপাড়া ইউনিয়নের চৌধুরীহাট নুর আলি চৌকিদারের বাড়ির মৃত শামসুল আলমের একমাত্র ছেলে মোহাম্মদ সুলতান আহমেদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৩ বছর।

গত সোমবার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১১ টায় স্থানীয় একটি সরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত সুলতান আহমেদের ভগ্নিপতি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তার পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুলাই নিহতের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ওমানের একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে দীর্ঘ ১১ দিন যাবৎ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে তিনি মারা যান।

জানা যায় তিনি দীর্ঘ ২৬ বছর ওমানে রয়েছেন। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।

সুলতান আহমেদের একটি ১১ বছরের প্রতিবন্ধী কন্যা সন্তান রয়েছে। সুলতান আহমেদ পরিবারে একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন। তাকে হারিয়ে পরিবারে নেমে এসেছে ঘোর অন্ধকার।

করোনায় মৃত্যু হওয়ার কারণে তার লাশ দেশে আনা হবে না। ওমানে তার লাশ দাফন সম্পন্ন হবে ।আজ বুধবার (১৪ জুলাই) সকালে তার দাফন কাপন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। মৃত্যুকালে তিনি এক মেয়ে, স্ত্রীসহ মাকে রেখে যান।