করোনায় আপনার ঈদের কুরবানি যেন প্রতিবেশীর সাথে সমানভাবে ভাগ হয়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০ ৮২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মহিউদ্দীন মনজুর,
সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:
এই করোনাকালে দুইমাস আগে অতিবাহিত হলো ঈদুল ফিতর যেটাতে আমরা অনেকে গরীবের কষ্ট বুঝে নিজেরাই নতুন জামা পরিধান করিনি।শুধু একটি কারণে যাতে এই ঈদ নতুন জামা ছাড়া পালন করে সে অর্থ দিয়ে মানুষের পাশে দাড়ানো।

ঠিক তেমনিভাবে দীর্ঘ দুইমাস পেরিয়ে সামনে আসছে পবিত্র ঈদুল আযহা অর্থাৎ কুরবানি ঈদ! তবে নতুন জামা ছাড়া কুরবানি ঈদ পালন করা হলেও কুরবানি ঈদ পালন হবে ভিন্নতা! কারণ কুরবানি যাদের উপর ওয়াজিব তাদেরকে কুরবানি অবশ্যই দিতে হবে।কুরবানি ঈদ হল কবি নজরুলের ভাষায় বলা যায়,,সবার সুখে হাসবো আমি কাঁদবো সবার দুঃখে,নিজের খাবার বিলিয়ে দিব অনাহারির মুখে।

নিজের কুরবানি ওয়াজিব হলেও সেই কুরবানির গোস্ত যেন ফ্রিজে টাই না হয়ে গরীবের মুখে যায় এবং সবাই মিলে যাতে ভাগ করে খাই।সেটা আমাদের মাঝে অন্তরে নিয়ত রাখতে হবে ইনশাআল্লাহ।

সমাজে এমন লোক বা ধনী ব্যক্তি থাকে যারা কয়েকটি পশু কুরবানি দিতে সক্ষম।সমাজে এমন লোক আছে যাদের ব্যক্তিগত সম্পদ হিসেব করলে দেখা যাবে অনেক বছরের যাকাতের টাকা নিজেদের ব্যংকে পড়ে আছে।তাহলে তারা কি সে অর্থ ও সম্পদগুলো কখনো কবরে নিয়ে যেতে পারবে? না পারবেনা! হইতো তার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সেগুলো ব্যয় করবে। নইতো পর্বতীতে সেই জমানো অর্থ সম্পদ অন্যরা চুষে খাবে।

তাই আসুন! আমরা যারা কুরবানি দেই তারা যেন প্রতিবেশীদের সাথে ভাগ করে খেয়ে এবারের করোনাকালের কুরবানি ঈদ পালন করি।হতে পারে এটা আল্লাহ তায়ালা বিত্তবানদের পরীক্ষা করতেছেন যে তার বান্দাগণ তার সম্পদগুলো কোন কাজে কিভাবে ব্যবহার করতেছে। আল্লাহ আমাদের কুরবানিকে কবুল করুন!আমীন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

করোনায় আপনার ঈদের কুরবানি যেন প্রতিবেশীর সাথে সমানভাবে ভাগ হয়

আপডেট সময় : ০৮:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০

মহিউদ্দীন মনজুর,
সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:
এই করোনাকালে দুইমাস আগে অতিবাহিত হলো ঈদুল ফিতর যেটাতে আমরা অনেকে গরীবের কষ্ট বুঝে নিজেরাই নতুন জামা পরিধান করিনি।শুধু একটি কারণে যাতে এই ঈদ নতুন জামা ছাড়া পালন করে সে অর্থ দিয়ে মানুষের পাশে দাড়ানো।

ঠিক তেমনিভাবে দীর্ঘ দুইমাস পেরিয়ে সামনে আসছে পবিত্র ঈদুল আযহা অর্থাৎ কুরবানি ঈদ! তবে নতুন জামা ছাড়া কুরবানি ঈদ পালন করা হলেও কুরবানি ঈদ পালন হবে ভিন্নতা! কারণ কুরবানি যাদের উপর ওয়াজিব তাদেরকে কুরবানি অবশ্যই দিতে হবে।কুরবানি ঈদ হল কবি নজরুলের ভাষায় বলা যায়,,সবার সুখে হাসবো আমি কাঁদবো সবার দুঃখে,নিজের খাবার বিলিয়ে দিব অনাহারির মুখে।

নিজের কুরবানি ওয়াজিব হলেও সেই কুরবানির গোস্ত যেন ফ্রিজে টাই না হয়ে গরীবের মুখে যায় এবং সবাই মিলে যাতে ভাগ করে খাই।সেটা আমাদের মাঝে অন্তরে নিয়ত রাখতে হবে ইনশাআল্লাহ।

সমাজে এমন লোক বা ধনী ব্যক্তি থাকে যারা কয়েকটি পশু কুরবানি দিতে সক্ষম।সমাজে এমন লোক আছে যাদের ব্যক্তিগত সম্পদ হিসেব করলে দেখা যাবে অনেক বছরের যাকাতের টাকা নিজেদের ব্যংকে পড়ে আছে।তাহলে তারা কি সে অর্থ ও সম্পদগুলো কখনো কবরে নিয়ে যেতে পারবে? না পারবেনা! হইতো তার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সেগুলো ব্যয় করবে। নইতো পর্বতীতে সেই জমানো অর্থ সম্পদ অন্যরা চুষে খাবে।

তাই আসুন! আমরা যারা কুরবানি দেই তারা যেন প্রতিবেশীদের সাথে ভাগ করে খেয়ে এবারের করোনাকালের কুরবানি ঈদ পালন করি।হতে পারে এটা আল্লাহ তায়ালা বিত্তবানদের পরীক্ষা করতেছেন যে তার বান্দাগণ তার সম্পদগুলো কোন কাজে কিভাবে ব্যবহার করতেছে। আল্লাহ আমাদের কুরবানিকে কবুল করুন!আমীন