করোনা উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩২:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২০ ৬১৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আব্দুল করিম, চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধি:
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাইমুল হক (৩৫) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু হয়েছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এই প্রথম চট্টগ্রামে কোনো পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হলো।

শুক্রবার (১৫ মে) দুপুর ১টার দিকে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আব্দুর রব।তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক পুলিশ সদস্য শুক্রবার দুপুরে মারা গেছেন।

এ পুলিশ সদস্য ছাড়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সলিল বিশ্বাস নামে ৭৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১টার দিকে মারা যান বলে জানান ডা. আব্দুর রব।এনিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে মৃত্যু হয়েছে ৩০ জনের। ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি গেছেন ৯৩ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৭৩ জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

করোনা উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৫:৩২:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২০

আব্দুল করিম, চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধি:
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাইমুল হক (৩৫) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু হয়েছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এই প্রথম চট্টগ্রামে কোনো পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হলো।

শুক্রবার (১৫ মে) দুপুর ১টার দিকে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আব্দুর রব।তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক পুলিশ সদস্য শুক্রবার দুপুরে মারা গেছেন।

এ পুলিশ সদস্য ছাড়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সলিল বিশ্বাস নামে ৭৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১টার দিকে মারা যান বলে জানান ডা. আব্দুর রব।এনিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে মৃত্যু হয়েছে ৩০ জনের। ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি গেছেন ৯৩ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৭৩ জন।