করোনা থেকে রক্ষা পেতে আশ্রয় পীরের কাছে, পীর সহ ৪৪টি পরিবারকে লকডাউন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২০ ৩৪২২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাঈম আহমেদ কপিল,
চট্টগ্রাম নগরীর সাগরিকা এলাকায় গত কয়েকদিন আগে এক গার্মেন্টস শ্রমিকের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত করে চট্টগ্রাম জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

সনাক্তের পর আক্রান্ত ব্যক্তি যে বাড়িকে লকডাউন করে প্রশাসন। ওই ভাড়া বাড়িতে ফৌজদারহাটের আক্রান্ত ব্যক্তিকেও কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।

কিন্তু তিনি কোয়ারেন্টিন অমান্য করে সবার চোখকে ফাঁকি দিয়ে তার স্ত্রীকে নিয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাটস্থ নিজের বাড়িতে চলে আসেন।

তার শরীরে কাশি, সর্দি ও জ্বর দেখা দিলে তিনি হাসপাতালে না গিয়ে বাড়ির পার্শ্বে এক পীরের হুজরা শরীফে যান দোয়া নিতে।

বিষয়টি জানাজানি হলে উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) তে পাঠিয়ে দেন করোনা পরীক্ষার জন্য।

১২এপ্রিল রাত ১০টার দিকে তার করোনা পরীক্ষায় পজেটিভ আসে। এদিকে ওই ব্যক্তির করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় তাঁর গ্রামের বাড়ি এবং পীরের বাড়িসহ পাশের ৪৪টি পরিবারকে লকডাউন ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

উল্লেখ যে, গত ৮ এপ্রিল ঢাকার নারায়নগঞ্জ থেকে ব্যাংকের এক সিকিউরিটি গার্ড সীতাকুণ্ডের একটি ভাড়া বাসায় আসলে তার শরীরে করোনা ভাইরাসের শনাক্ত হয়। তারা দুইজনেই চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশনে রয়েছেন।

এদিকে গত ১৭ দিনে জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্টে ৫ জন নিহত সর্বশেষ ৫ দিনের মাথায় দুইজনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর থেকে সীতাকুণ্ড উপজেলায় মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

করোনা থেকে রক্ষা পেতে আশ্রয় পীরের কাছে, পীর সহ ৪৪টি পরিবারকে লকডাউন

আপডেট সময় : ১০:০৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২০

নাঈম আহমেদ কপিল,
চট্টগ্রাম নগরীর সাগরিকা এলাকায় গত কয়েকদিন আগে এক গার্মেন্টস শ্রমিকের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত করে চট্টগ্রাম জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

সনাক্তের পর আক্রান্ত ব্যক্তি যে বাড়িকে লকডাউন করে প্রশাসন। ওই ভাড়া বাড়িতে ফৌজদারহাটের আক্রান্ত ব্যক্তিকেও কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।

কিন্তু তিনি কোয়ারেন্টিন অমান্য করে সবার চোখকে ফাঁকি দিয়ে তার স্ত্রীকে নিয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাটস্থ নিজের বাড়িতে চলে আসেন।

তার শরীরে কাশি, সর্দি ও জ্বর দেখা দিলে তিনি হাসপাতালে না গিয়ে বাড়ির পার্শ্বে এক পীরের হুজরা শরীফে যান দোয়া নিতে।

বিষয়টি জানাজানি হলে উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) তে পাঠিয়ে দেন করোনা পরীক্ষার জন্য।

১২এপ্রিল রাত ১০টার দিকে তার করোনা পরীক্ষায় পজেটিভ আসে। এদিকে ওই ব্যক্তির করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় তাঁর গ্রামের বাড়ি এবং পীরের বাড়িসহ পাশের ৪৪টি পরিবারকে লকডাউন ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

উল্লেখ যে, গত ৮ এপ্রিল ঢাকার নারায়নগঞ্জ থেকে ব্যাংকের এক সিকিউরিটি গার্ড সীতাকুণ্ডের একটি ভাড়া বাসায় আসলে তার শরীরে করোনা ভাইরাসের শনাক্ত হয়। তারা দুইজনেই চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশনে রয়েছেন।

এদিকে গত ১৭ দিনে জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্টে ৫ জন নিহত সর্বশেষ ৫ দিনের মাথায় দুইজনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর থেকে সীতাকুণ্ড উপজেলায় মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।