কর্ণফুলীতে যাত্রী পারাপারে পুলিশের নিষেধাজ্ঞা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২০ ১৭৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীপথে যাত্রী পারাপার বন্ধ ঘোষণা করেছে নগর পুলিশ। তবে জরুরি ওষুধ ও খাদ্যদ্রব্য নৌযানের মাধ্যমে পরিবহন করা যাবে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান এই আদেশ দিয়েছেন।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি-জনসংযোগ) আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘কর্ণফুলী নদীর বিভিন্ন ঘাট থেকে নৌকায় করে গাদাগাদি করে যাত্রী নেওয়া হচ্ছে নদীপথে বিভিন্ন গন্তব্যে। এতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ব্যাপক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। সেজন্য নৌকায় যাত্রী পারাপার আপাতত বন্ধ থাকবে। জরুরি ওষুধ ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন করতে পারবে, কিন্তু সেখানেও সামাজিক দূরত্ব মেনে লোকজন নৌযানে থাকতে হবে।’

এডিসি আবু বক্কর জানিয়েছেন, নগরীতে কর্ণফুলী নদীর যেসব ঘাট থেকে যাত্রী পারাপার করা হয় সেগুলো নজরদারি করবে পুলিশ। এগুলো হচ্ছে- নগরীর সদরঘাট, অভয়মিত্র ঘাট, বাংলাবাজার ঘাট, ব্রীজঘাট, ৪, ৯, ১২, ১৪, ১৫ নম্বর ঘাট, টিংটোঙ্গারের ঘাট ও মাতব্বর ঘাট।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কর্ণফুলীতে যাত্রী পারাপারে পুলিশের নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় : ১১:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীপথে যাত্রী পারাপার বন্ধ ঘোষণা করেছে নগর পুলিশ। তবে জরুরি ওষুধ ও খাদ্যদ্রব্য নৌযানের মাধ্যমে পরিবহন করা যাবে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান এই আদেশ দিয়েছেন।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি-জনসংযোগ) আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘কর্ণফুলী নদীর বিভিন্ন ঘাট থেকে নৌকায় করে গাদাগাদি করে যাত্রী নেওয়া হচ্ছে নদীপথে বিভিন্ন গন্তব্যে। এতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ব্যাপক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। সেজন্য নৌকায় যাত্রী পারাপার আপাতত বন্ধ থাকবে। জরুরি ওষুধ ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন করতে পারবে, কিন্তু সেখানেও সামাজিক দূরত্ব মেনে লোকজন নৌযানে থাকতে হবে।’

এডিসি আবু বক্কর জানিয়েছেন, নগরীতে কর্ণফুলী নদীর যেসব ঘাট থেকে যাত্রী পারাপার করা হয় সেগুলো নজরদারি করবে পুলিশ। এগুলো হচ্ছে- নগরীর সদরঘাট, অভয়মিত্র ঘাট, বাংলাবাজার ঘাট, ব্রীজঘাট, ৪, ৯, ১২, ১৪, ১৫ নম্বর ঘাট, টিংটোঙ্গারের ঘাট ও মাতব্বর ঘাট।