কৃষকের আপন বন্ধু আনোয়ারা কৃষি অফিসার হাসানুজ্জামান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মহিউদ্দিন মনজুর, আনোয়ারা:
দিন মজুর কৃষক মিলন ঘোষ!বাড়ি আনোয়ারা উপজেলার চাতরী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কেঁয়াগড় গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন যাবত তার ধানের ফসলের পোকামাকড় সমস্যা নিয়ে বীজের নমুনা নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসারের নিকট শরা পন্ন হন।

সেই কৃষককে বন্ধুর মত বুঝিয়ে দিলেন।এবং জানিয়ে দিলেন পরবর্তী সমস্যা হলে তার করণীয় সমূহ।

এতে খুশি হয়ে কৃষক মিলন ঘোষ জানান,জমির ধানের বীজ নষ্ট হওয়ায় আমি বীজের ওষুধের দোকানে গিয়ে সমাধান না পেয়ে অফিসারের কাছে শরা পন্ন হয়।এতে(কৃষি অফিসার) তিনি আমাকে ওষুধ দেওয়ার নিয়মগুলো জানিয়ে দেন এবং নিজের নাম্বারটিও দেন যাতে কোন সমস্যা হলে জানাতে।

এ ব্যাপারে আনোয়ারা উপজেলা কৃষি অফিসার হাসানুজ্জামান জানান,আনোয়ারার প্রত্যেক ইউনিয়ন পর্যায়ে ৩জন করে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা রয়েছেন।দেখা যায় যে কৃষকেরা তাদের সাথে যোগাযোগ না করে সরাসরি বিভিন্ন সার ও কীটনাশক দোকানে গিয়ে ইচ্চেমত ওষুধ কিনে জমিতে ব্যবহার করে থাকেন।এতে কৃষকেরা আর্থিকভাবে কষ্ট পেয়ে থাকে।

অতএব তিনি কৃষকদের প্রতি আহবান করে বলেন। ইউনিয়ন মাট পর্যায়ে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে পরামর্শক্রমে বিভিন্ন ফসল উৎপাদনের জন্য সার ও কীটনাশক ব্যবহার করলে উপরোক্ত সমস্যাগুলো আর থাকবেনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কৃষকের আপন বন্ধু আনোয়ারা কৃষি অফিসার হাসানুজ্জামান

আপডেট সময় : ০১:৩২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

মহিউদ্দিন মনজুর, আনোয়ারা:
দিন মজুর কৃষক মিলন ঘোষ!বাড়ি আনোয়ারা উপজেলার চাতরী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কেঁয়াগড় গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন যাবত তার ধানের ফসলের পোকামাকড় সমস্যা নিয়ে বীজের নমুনা নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসারের নিকট শরা পন্ন হন।

সেই কৃষককে বন্ধুর মত বুঝিয়ে দিলেন।এবং জানিয়ে দিলেন পরবর্তী সমস্যা হলে তার করণীয় সমূহ।

এতে খুশি হয়ে কৃষক মিলন ঘোষ জানান,জমির ধানের বীজ নষ্ট হওয়ায় আমি বীজের ওষুধের দোকানে গিয়ে সমাধান না পেয়ে অফিসারের কাছে শরা পন্ন হয়।এতে(কৃষি অফিসার) তিনি আমাকে ওষুধ দেওয়ার নিয়মগুলো জানিয়ে দেন এবং নিজের নাম্বারটিও দেন যাতে কোন সমস্যা হলে জানাতে।

এ ব্যাপারে আনোয়ারা উপজেলা কৃষি অফিসার হাসানুজ্জামান জানান,আনোয়ারার প্রত্যেক ইউনিয়ন পর্যায়ে ৩জন করে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা রয়েছেন।দেখা যায় যে কৃষকেরা তাদের সাথে যোগাযোগ না করে সরাসরি বিভিন্ন সার ও কীটনাশক দোকানে গিয়ে ইচ্চেমত ওষুধ কিনে জমিতে ব্যবহার করে থাকেন।এতে কৃষকেরা আর্থিকভাবে কষ্ট পেয়ে থাকে।

অতএব তিনি কৃষকদের প্রতি আহবান করে বলেন। ইউনিয়ন মাট পর্যায়ে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে পরামর্শক্রমে বিভিন্ন ফসল উৎপাদনের জন্য সার ও কীটনাশক ব্যবহার করলে উপরোক্ত সমস্যাগুলো আর থাকবেনা।