ক্যাম্পে পর্যাপ্ত সুবিধা পাওয়ার পরও রোহিঙ্গাদের বেপরোয়া জীবন-যাপন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫১:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৯ ১২০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ
মিয়ানমারের রাখাইনে সহিংসতার পর গত বছরের ২৫ আগস্ট থেকে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রয় নিয়েছে সাড়ে ৬ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।

জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদেরকে বাংলাদেশ সরকার মানবিক কারণে আশ্রয় দেওয়ার পাশাপাশি তাদের মৌলিক চাহিদা তথা আশ্রয়, খাবার, চিকিৎসা, স্যানিটেশন, শিক্ষাসহ সব ধরনের সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছেন। এরপর দেশান্তর হয়ে আসা আশ্রয়হীন রোহিঙ্গারাদের মধ্যে অনেকেই এদেশে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

ক্যাম্পের বাইরেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অনেক রোহিঙ্গা। সব ধরনের সহায়তার পরও ক্যাম্প থেকে পালিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে যেতে এক প্রকার মরিয়া হয়ে উঠছে রোহিঙ্গারা। এ পর্যন্ত অনেক রোহিঙ্গাকে আটক করে ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২১ অক্টোবর টেকনাফের নয়াপাড়া ক্যাম্পে কবির আহম্মদ নামে এক এসআইকে পিটিয়ে আহত করে রোহিঙ্গারা। ২৭ অক্টোবর রামুর খুনিয়াপালংয়ে আব্দুল জব্বার নামে স্থানীয় এক বাঙালী যুবককে কুপিয়ে হত্যা করে আরেক রোহিঙ্গা।

একই দিন বালুখালী ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের হামলায় ৪ জন নলকূপ শ্রমিক আহত হয়। সে সময় দেশীয় ২টি বন্দুক সহ ২ রোহিঙ্গাকে আটক করে পুলিশ। ৩০ অক্টোবর ডাকাতির প্রস্তুতির সময় উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্প এলাকার বাগান থেকে অস্ত্রসহ ৫ রোহিঙ্গাকে আটক করে র‌্যাব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ক্যাম্পে পর্যাপ্ত সুবিধা পাওয়ার পরও রোহিঙ্গাদের বেপরোয়া জীবন-যাপন

আপডেট সময় : ০৪:৫১:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৯

কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ
মিয়ানমারের রাখাইনে সহিংসতার পর গত বছরের ২৫ আগস্ট থেকে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রয় নিয়েছে সাড়ে ৬ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।

জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদেরকে বাংলাদেশ সরকার মানবিক কারণে আশ্রয় দেওয়ার পাশাপাশি তাদের মৌলিক চাহিদা তথা আশ্রয়, খাবার, চিকিৎসা, স্যানিটেশন, শিক্ষাসহ সব ধরনের সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছেন। এরপর দেশান্তর হয়ে আসা আশ্রয়হীন রোহিঙ্গারাদের মধ্যে অনেকেই এদেশে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

ক্যাম্পের বাইরেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অনেক রোহিঙ্গা। সব ধরনের সহায়তার পরও ক্যাম্প থেকে পালিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে যেতে এক প্রকার মরিয়া হয়ে উঠছে রোহিঙ্গারা। এ পর্যন্ত অনেক রোহিঙ্গাকে আটক করে ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২১ অক্টোবর টেকনাফের নয়াপাড়া ক্যাম্পে কবির আহম্মদ নামে এক এসআইকে পিটিয়ে আহত করে রোহিঙ্গারা। ২৭ অক্টোবর রামুর খুনিয়াপালংয়ে আব্দুল জব্বার নামে স্থানীয় এক বাঙালী যুবককে কুপিয়ে হত্যা করে আরেক রোহিঙ্গা।

একই দিন বালুখালী ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের হামলায় ৪ জন নলকূপ শ্রমিক আহত হয়। সে সময় দেশীয় ২টি বন্দুক সহ ২ রোহিঙ্গাকে আটক করে পুলিশ। ৩০ অক্টোবর ডাকাতির প্রস্তুতির সময় উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্প এলাকার বাগান থেকে অস্ত্রসহ ৫ রোহিঙ্গাকে আটক করে র‌্যাব।