খুলশী থানার ডিজেল কলোনিতে স্ত্রীকে হত্যার পর সন্দ্বীপে আত্মগোপন, গ্রেপ্তার স্বামী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫০:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ ১১৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আব্দুল করিম, চট্টগ্রাম মহানগরঃ
চট্টগ্রাম নগরের খুলশি থানার ডিজেল কলোনিতে স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মগোপনে থাকা স্বামী রেজাউল করিমকে (২৯) সন্দ্বীপ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (৭ ডিসেম্বর) সন্দ্বীপের উড়িরচর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে খুলশি থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তার রেজাউল করিম সীতাকুণ্ড কুমিরা মসজিদ্দা এলাকার আবুল মনসুরের ছেলে। খুন হওয়া রোজিনা আক্তার ও রেজাউল করিম বেসরকারি পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সিকিউরিটি হিসেবে চাকরি করতেন।

খুলশি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রণব চৌধুরী বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী রোজিনা আক্তারকে হত্যা করেছিলেন রেজাউল করিম। হত্যার পরে সে সন্দ্বীপে পালিয়ে আত্মগোপন করে।
তিনি আরো বলেন, রেজাউল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে রোজিনা তার কথা শুনতেন না এ নিয়ে ক্ষোভ ছিল রেজাউলের মনে। ২ ডিসেম্বর রাতে রোজিনা ঘুমিয়ে পড়লে তাকে কম্বল দিয়ে মুখ চেপে ধরে এবং মাথায় কাচের গ্লাস দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেন। পরে হাত-পা বেঁধে মরদেহ বেডশিট দিয়ে ঢেকে রেখে পালিয়ে যান। রোববার (৮ ডিসেম্বর) রেজাউল করিমকে আদালতে হাজির করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৩ ডিসেম্বর সকালে ডিজেল কলোনির একটি বাসা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রোজিনার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে রোজিনার বোন মনি আক্তার বাদি হয়ে রেজাউল করিমকে আসামি করে খুলশি থানায় মামলা দায়ের করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

খুলশী থানার ডিজেল কলোনিতে স্ত্রীকে হত্যার পর সন্দ্বীপে আত্মগোপন, গ্রেপ্তার স্বামী

আপডেট সময় : ০৭:৫০:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯

আব্দুল করিম, চট্টগ্রাম মহানগরঃ
চট্টগ্রাম নগরের খুলশি থানার ডিজেল কলোনিতে স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মগোপনে থাকা স্বামী রেজাউল করিমকে (২৯) সন্দ্বীপ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (৭ ডিসেম্বর) সন্দ্বীপের উড়িরচর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে খুলশি থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তার রেজাউল করিম সীতাকুণ্ড কুমিরা মসজিদ্দা এলাকার আবুল মনসুরের ছেলে। খুন হওয়া রোজিনা আক্তার ও রেজাউল করিম বেসরকারি পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সিকিউরিটি হিসেবে চাকরি করতেন।

খুলশি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রণব চৌধুরী বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী রোজিনা আক্তারকে হত্যা করেছিলেন রেজাউল করিম। হত্যার পরে সে সন্দ্বীপে পালিয়ে আত্মগোপন করে।
তিনি আরো বলেন, রেজাউল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে রোজিনা তার কথা শুনতেন না এ নিয়ে ক্ষোভ ছিল রেজাউলের মনে। ২ ডিসেম্বর রাতে রোজিনা ঘুমিয়ে পড়লে তাকে কম্বল দিয়ে মুখ চেপে ধরে এবং মাথায় কাচের গ্লাস দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেন। পরে হাত-পা বেঁধে মরদেহ বেডশিট দিয়ে ঢেকে রেখে পালিয়ে যান। রোববার (৮ ডিসেম্বর) রেজাউল করিমকে আদালতে হাজির করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৩ ডিসেম্বর সকালে ডিজেল কলোনির একটি বাসা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রোজিনার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে রোজিনার বোন মনি আক্তার বাদি হয়ে রেজাউল করিমকে আসামি করে খুলশি থানায় মামলা দায়ের করেন।