গর্জনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি হাফেজ আহামদকে মিথ্যা মামলা থেকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবী!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২১ ২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এম.মোবারক হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টারঃ
গর্জনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হাফেজ আহমদ ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি মিজানুর রহমানের পিতা ডা. ছোরত আলমকে একই ইউনিয়নের কথিত মঞ্জুর হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করেছে রামু থানা পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার ২৯-১০-২০২১ ইং তারিখ রাত সাড়ে ৩টায় তাদেরকে গর্জনিয়া ইউনিয়নের বোমাংখীল গ্রামের তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছেন পুলিশ। এলাকাবাসী এমন ন্যক্কারজনক ঘঠনার জন্য তীব্র নিন্দা জানান এবং নিঃশর্তে মুক্তির দাবী করেন।

পুলিশ জানান,তাদেরকে একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করেছে তারা। যে মামলাটি ২০১৬সালে গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নিবার্চনে মঞ্জুর আলম হত্যা মামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে করা হয়েছিলো।

মঞ্জুর হত্যা মামলার বাদী মঞ্জুরের শশুর আবুল শামা জানান,তার জামাতাকে সে দিন (২০১৬সালে নিবার্চনী সহিংসতায়) নির্মমভাবে হত্যা করেছিল কতিপয় এলাকার চিহ্নিত দূর্বৃত্ত্বরা। যদিও এলাকাবাসী ও বাদীপক্ষের দাবি মূল অপরাধীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে কিন্তু এই হত্যা মামলায় অধিকাংশ আসামি নিরীহ-নিরপরাধ যারা সেদিন এলাকায়ও ছিল না। তাদেরকেও এই মামলার আসামি করে হয়রানিতে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেন এলাকার সচেতন মহল।

উপরোক্ত মামলার আসামী করা হয়েছিলো গর্জনিয়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামকেও। বর্তমানে তিনি জামিনে আছেন,তবে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা মঞ্জুর হত্যায় কোনভাবে জড়িত ছিলেননা এমনটাই জানান সংশ্লিষ্টরা। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হাফেজ আহমদ ও ডাক্তার ছোরত আলমকে হয়রানিমূলকভাবে আসামি করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন এলাকার সচেতন মহল।

গর্জনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হাফেজ আহমদ ও ডাক্তার ছোরত আলমকে কথিত মঞ্জুর হত্যা মামলার মিথ্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্টর, ব্যানারের মাধ্যমে তাদের দ্রুত মুক্তির দাবি জানাচ্ছে।

এলাকার ছাত্র, যুবক সহ সচেতন মহলের অনেকেই জানান, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হাফেজ আহামদ একজন ক্লিন ইমেইজের যুব নেতা। তৃণমূল থেকে এমন রাজনীতিবীদ তৈরি করা ভাগ্যের ব্যাপার। এইভাবে ক্লিন ইমেইজের যুব নেতা গুলোকে হিংসা প্রয়াণ হয়ে হয়রানি করলে ভবিষ্যতে প্রকৃত রাজনীতিবীদ তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়বে।আমরা(এলাকাবাসী) নিরপরাধ ব্যক্তিদেরকে মামলা দিয়ে হয়রানি না করার ঝোর দাবী জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গর্জনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি হাফেজ আহামদকে মিথ্যা মামলা থেকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবী!

আপডেট সময় : ০৯:১৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২১

এম.মোবারক হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টারঃ
গর্জনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হাফেজ আহমদ ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি মিজানুর রহমানের পিতা ডা. ছোরত আলমকে একই ইউনিয়নের কথিত মঞ্জুর হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করেছে রামু থানা পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার ২৯-১০-২০২১ ইং তারিখ রাত সাড়ে ৩টায় তাদেরকে গর্জনিয়া ইউনিয়নের বোমাংখীল গ্রামের তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছেন পুলিশ। এলাকাবাসী এমন ন্যক্কারজনক ঘঠনার জন্য তীব্র নিন্দা জানান এবং নিঃশর্তে মুক্তির দাবী করেন।

পুলিশ জানান,তাদেরকে একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করেছে তারা। যে মামলাটি ২০১৬সালে গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নিবার্চনে মঞ্জুর আলম হত্যা মামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে করা হয়েছিলো।

মঞ্জুর হত্যা মামলার বাদী মঞ্জুরের শশুর আবুল শামা জানান,তার জামাতাকে সে দিন (২০১৬সালে নিবার্চনী সহিংসতায়) নির্মমভাবে হত্যা করেছিল কতিপয় এলাকার চিহ্নিত দূর্বৃত্ত্বরা। যদিও এলাকাবাসী ও বাদীপক্ষের দাবি মূল অপরাধীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে কিন্তু এই হত্যা মামলায় অধিকাংশ আসামি নিরীহ-নিরপরাধ যারা সেদিন এলাকায়ও ছিল না। তাদেরকেও এই মামলার আসামি করে হয়রানিতে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেন এলাকার সচেতন মহল।

উপরোক্ত মামলার আসামী করা হয়েছিলো গর্জনিয়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামকেও। বর্তমানে তিনি জামিনে আছেন,তবে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা মঞ্জুর হত্যায় কোনভাবে জড়িত ছিলেননা এমনটাই জানান সংশ্লিষ্টরা। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হাফেজ আহমদ ও ডাক্তার ছোরত আলমকে হয়রানিমূলকভাবে আসামি করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন এলাকার সচেতন মহল।

গর্জনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হাফেজ আহমদ ও ডাক্তার ছোরত আলমকে কথিত মঞ্জুর হত্যা মামলার মিথ্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্টর, ব্যানারের মাধ্যমে তাদের দ্রুত মুক্তির দাবি জানাচ্ছে।

এলাকার ছাত্র, যুবক সহ সচেতন মহলের অনেকেই জানান, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হাফেজ আহামদ একজন ক্লিন ইমেইজের যুব নেতা। তৃণমূল থেকে এমন রাজনীতিবীদ তৈরি করা ভাগ্যের ব্যাপার। এইভাবে ক্লিন ইমেইজের যুব নেতা গুলোকে হিংসা প্রয়াণ হয়ে হয়রানি করলে ভবিষ্যতে প্রকৃত রাজনীতিবীদ তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়বে।আমরা(এলাকাবাসী) নিরপরাধ ব্যক্তিদেরকে মামলা দিয়ে হয়রানি না করার ঝোর দাবী জানাচ্ছি।