চট্টগ্রামের চকবাজার ওয়ার্ডকে রেড জোন হলেও মানছে না হোটেল রেস্টুরেন্টগুলো

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২০ ৪৬৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক,
করোনা ঝুঁকির কারনে চট্টগ্রামের চকবাজার ওয়ার্ডকে রেড জোন তালিকাভুক্ত করা হলেও কোন ধরনের সামাজিক দুরত্ব ও সরকারী নির্দেশনা মানছে না খোলা থাকা হোটেল রেস্টুরেন্টগুলো।

সোমবার রাত নয়টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্টে কোন ধরনের সামাজিক দুরত্ব রক্ষা না করে স্বাভাবিকভাবে টেবিলে বসে গল্পোগুজবে ব্যস্ত কাস্টমাররা। রেস্টুরেন্টের সামনে পুলিশের ভ্যান দাঁড়ানো থাকলেও কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় নি।

তবে পাশ্ববর্তি একটি হোটেল থেকে মুছা নামের এক কর্মচারীকে পুলিশের ভ্যানে তুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। সোয়া আটটার দিকে কুটুমবাড়ির পাশ্ববর্তী ঝাল বিতান নামের মাঝারী মানের হোটেলটি বন্ধ রেখে ভেতরে কাজ করছিল একজন কর্মচারী। এ কারনে তালা খুলে এই কর্মচারীকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিতে দেখা যায় কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের। অথচ ঠিক পাশের কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্ট খোলা রয়েছে। ভেতরে কাস্টমার ভর্তি থাকলেও কোন ধরনের সামাজিক দুরত্ব রক্ষার কোন আয়োজন চোখে পড়েনি।

জানতে চাইলে কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্টের কর্মচারী ইমাম হোসেন জানান, প্রতিদিন রাত দশটা পর্যন্ত খোলা থাকে এই রেস্টুরেন্টটি।

জানা যায়, চকবাজার এলাকার অধিকাংশই রেস্টুরেন্ট লকডাউনের কারনে বন্ধ থাকলেও পুলিশকে ম্যানেজ করেই রাত দশটা অবধি খোলাই থাকছে কলেজ রোড়ের সাদিয়া’স কিচেন, কাপাসগোলা রোড়ের কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্ট, গোলজার মোড়ের ওরিয়েন্ট রেস্টুরেন্ট।

জানতে চাইলে জোনের সহকারী কমিশনার রাইসুল ইসলাম জানান, রাত দশটা পর্যন্ত কোন রেস্তোরাঁ বা হোটেল খোলা থাকার কোন নির্দেশনা নেই । সাতটার পরই সব রেস্টুরেন্ট বন্ধ করার নিয়ম রয়েছে। তবে কেউ নির্দেশনা না মেনে দীর্ঘসময় রেস্টুরেন্ট খোলা রাখলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

একই এলাকার সাদিয়া’স কিচেন রাত নয়টারও খোলা দেখা যায় ৷ জানতে চাইলে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ জানান, ধুয়ামোছার কাজ শেষ করতে সময় লাগছে। তবে টেবিলে বসা কাস্টমার সম্পর্কে কোন উত্তর নেই কর্তৃপক্ষের।

স্থানীয়দের অভিযোগ চকবাজার এলাকার অধিকাংশ রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকলেও কয়েকটি রেস্টুরেন্ট পুলিশের সহযোগিতায় রাত অবধি খোলা রাখছে লকডাউনের শুরু থেকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চট্টগ্রামের চকবাজার ওয়ার্ডকে রেড জোন হলেও মানছে না হোটেল রেস্টুরেন্টগুলো

আপডেট সময় : ১১:০৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক,
করোনা ঝুঁকির কারনে চট্টগ্রামের চকবাজার ওয়ার্ডকে রেড জোন তালিকাভুক্ত করা হলেও কোন ধরনের সামাজিক দুরত্ব ও সরকারী নির্দেশনা মানছে না খোলা থাকা হোটেল রেস্টুরেন্টগুলো।

সোমবার রাত নয়টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্টে কোন ধরনের সামাজিক দুরত্ব রক্ষা না করে স্বাভাবিকভাবে টেবিলে বসে গল্পোগুজবে ব্যস্ত কাস্টমাররা। রেস্টুরেন্টের সামনে পুলিশের ভ্যান দাঁড়ানো থাকলেও কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় নি।

তবে পাশ্ববর্তি একটি হোটেল থেকে মুছা নামের এক কর্মচারীকে পুলিশের ভ্যানে তুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। সোয়া আটটার দিকে কুটুমবাড়ির পাশ্ববর্তী ঝাল বিতান নামের মাঝারী মানের হোটেলটি বন্ধ রেখে ভেতরে কাজ করছিল একজন কর্মচারী। এ কারনে তালা খুলে এই কর্মচারীকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিতে দেখা যায় কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের। অথচ ঠিক পাশের কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্ট খোলা রয়েছে। ভেতরে কাস্টমার ভর্তি থাকলেও কোন ধরনের সামাজিক দুরত্ব রক্ষার কোন আয়োজন চোখে পড়েনি।

জানতে চাইলে কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্টের কর্মচারী ইমাম হোসেন জানান, প্রতিদিন রাত দশটা পর্যন্ত খোলা থাকে এই রেস্টুরেন্টটি।

জানা যায়, চকবাজার এলাকার অধিকাংশই রেস্টুরেন্ট লকডাউনের কারনে বন্ধ থাকলেও পুলিশকে ম্যানেজ করেই রাত দশটা অবধি খোলাই থাকছে কলেজ রোড়ের সাদিয়া’স কিচেন, কাপাসগোলা রোড়ের কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্ট, গোলজার মোড়ের ওরিয়েন্ট রেস্টুরেন্ট।

জানতে চাইলে জোনের সহকারী কমিশনার রাইসুল ইসলাম জানান, রাত দশটা পর্যন্ত কোন রেস্তোরাঁ বা হোটেল খোলা থাকার কোন নির্দেশনা নেই । সাতটার পরই সব রেস্টুরেন্ট বন্ধ করার নিয়ম রয়েছে। তবে কেউ নির্দেশনা না মেনে দীর্ঘসময় রেস্টুরেন্ট খোলা রাখলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

একই এলাকার সাদিয়া’স কিচেন রাত নয়টারও খোলা দেখা যায় ৷ জানতে চাইলে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ জানান, ধুয়ামোছার কাজ শেষ করতে সময় লাগছে। তবে টেবিলে বসা কাস্টমার সম্পর্কে কোন উত্তর নেই কর্তৃপক্ষের।

স্থানীয়দের অভিযোগ চকবাজার এলাকার অধিকাংশ রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকলেও কয়েকটি রেস্টুরেন্ট পুলিশের সহযোগিতায় রাত অবধি খোলা রাখছে লকডাউনের শুরু থেকে।