চট্টগ্রামে একই এলাকায় করোনো উপসর্গ নিয়ে ৬ ঘন্টায় ৩ জনের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০ ৩৯৮৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক,
বন্দরনগরী চট্টগ্রামে করোনো আক্রান্ত সনাক্তের পাশাপাশি বেড়েই চলছে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর সংখ্যা।

নগরীতে বসবাসরত জনসংখ্যার তুলনায় করোনো সংক্রমণ পরিক্ষা কেন্দ্র খুবই নগন্য।

অন্যদিকে পরিক্ষা কেন্দ্র স্বল্পতার কারনে ও নমুনা পরিক্ষার রিপোর্ট ধীরগতিতে আসায় শহরজুড়ে করোনো সংক্রমণ উপসর্গ নিয়ে সামাজিক দুরত্ব ও সচেতনতা অবলম্বন না করে অযথা পাড়া মহল্লায় আড্ডা বাজি সহ ঘুরাঘুরি করছেন
যার কারনে চট্টগ্রাম দ্রুত করোনো আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে।

নগরীর খুলশী থানাধীন টাইগারপাস এলাকায় গতকাল (১১ জুন) রাত সাড়ে ৮,টায় ইয়াসিন হোসেন মনা (৩২) নামে এক যুবক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন।

একই রাতে রেলওয়ের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল মান্নান (৫৫) রাত চারটার সময় মৃত্যু বরন করেছেন।
একই রাতে ভোর ৬,টার দিকে এক (৫৫) বছরের হিন্দু বৃদ্ধ মহিলার মৃত্যু হয়।

ইয়াসমিন হোসেন মনার পরিবারের দাবি সে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন, মনার ঘনিষ্ঠজনরা সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মনা করোনে নয় দাবী করে নিউমোনিয়ায় মৃত্যু হয়েছে বলে জানালেও নিউমোনিয়ার উপশম গুলোই করোনো ভাইরাসের উপসর্গ হিসাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা দাবী করে আসছেন।
এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে করোনোর চিকিৎসায় ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক ব্যবহার করে আসছেন।

এদিকে ইয়াসিন হোসেন মনা করোনো পরিক্ষাও করিয়েছে যার রিপোর্ট এখনো পায়নি তার পরিবার।

বৃদ্ধ মহিলার নাম জানা যায়নি, আর আবদুল মান্নান সহ একই রাতে চট্টগ্রামে একই এলাকায় ৬, ঘন্টার ব্যবধানে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মৃত ব্যক্তিদের পূর্বে কোন রোগও ছিলোনা, একই দিনে এলাকায় ৩ জনের মৃত্যুতে টাইগারপাস এলাকায় শোকের চায়া নেমে আসে।

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ঘনবসতি বসতি ও সামাজিক সচেতনতার অভাবে করোনো ভাইরাস ভয়াল রুপ ধারন করেছে।

মরণঘাতী এই ভাইরাসের থাবায় চট্টগ্রামে আক্রান্ত ও মৃত্যু বরন করেছেন পুলিশ, ব্যাবসায়ী, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, চিকিৎসক, সাধারণ মানুষ সহ অনেকই।

উল্লেখ্য, দেশে করোনো সংক্রমণ বিস্তারের শুরুতেই চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বি দেশের সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা হিসাবে ঘোষণা দিয়েছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চট্টগ্রামে একই এলাকায় করোনো উপসর্গ নিয়ে ৬ ঘন্টায় ৩ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০২:২১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক,
বন্দরনগরী চট্টগ্রামে করোনো আক্রান্ত সনাক্তের পাশাপাশি বেড়েই চলছে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর সংখ্যা।

নগরীতে বসবাসরত জনসংখ্যার তুলনায় করোনো সংক্রমণ পরিক্ষা কেন্দ্র খুবই নগন্য।

অন্যদিকে পরিক্ষা কেন্দ্র স্বল্পতার কারনে ও নমুনা পরিক্ষার রিপোর্ট ধীরগতিতে আসায় শহরজুড়ে করোনো সংক্রমণ উপসর্গ নিয়ে সামাজিক দুরত্ব ও সচেতনতা অবলম্বন না করে অযথা পাড়া মহল্লায় আড্ডা বাজি সহ ঘুরাঘুরি করছেন
যার কারনে চট্টগ্রাম দ্রুত করোনো আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে।

নগরীর খুলশী থানাধীন টাইগারপাস এলাকায় গতকাল (১১ জুন) রাত সাড়ে ৮,টায় ইয়াসিন হোসেন মনা (৩২) নামে এক যুবক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন।

একই রাতে রেলওয়ের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল মান্নান (৫৫) রাত চারটার সময় মৃত্যু বরন করেছেন।
একই রাতে ভোর ৬,টার দিকে এক (৫৫) বছরের হিন্দু বৃদ্ধ মহিলার মৃত্যু হয়।

ইয়াসমিন হোসেন মনার পরিবারের দাবি সে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন, মনার ঘনিষ্ঠজনরা সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মনা করোনে নয় দাবী করে নিউমোনিয়ায় মৃত্যু হয়েছে বলে জানালেও নিউমোনিয়ার উপশম গুলোই করোনো ভাইরাসের উপসর্গ হিসাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা দাবী করে আসছেন।
এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে করোনোর চিকিৎসায় ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক ব্যবহার করে আসছেন।

এদিকে ইয়াসিন হোসেন মনা করোনো পরিক্ষাও করিয়েছে যার রিপোর্ট এখনো পায়নি তার পরিবার।

বৃদ্ধ মহিলার নাম জানা যায়নি, আর আবদুল মান্নান সহ একই রাতে চট্টগ্রামে একই এলাকায় ৬, ঘন্টার ব্যবধানে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মৃত ব্যক্তিদের পূর্বে কোন রোগও ছিলোনা, একই দিনে এলাকায় ৩ জনের মৃত্যুতে টাইগারপাস এলাকায় শোকের চায়া নেমে আসে।

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ঘনবসতি বসতি ও সামাজিক সচেতনতার অভাবে করোনো ভাইরাস ভয়াল রুপ ধারন করেছে।

মরণঘাতী এই ভাইরাসের থাবায় চট্টগ্রামে আক্রান্ত ও মৃত্যু বরন করেছেন পুলিশ, ব্যাবসায়ী, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, চিকিৎসক, সাধারণ মানুষ সহ অনেকই।

উল্লেখ্য, দেশে করোনো সংক্রমণ বিস্তারের শুরুতেই চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বি দেশের সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা হিসাবে ঘোষণা দিয়েছিলেন।