চট্টগ্রামে দ্রুত করোনো চিকিৎসাসেবা না বাড়ালে ভারী হবে মৃত্যুর মিছিল- তোতন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০ ৫২২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শরিফ হায়দার শিবলু,
বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মরণঘাতী করোনো ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েই চলছে পাশাপাশি বাড়ছে করোনো আক্রান্ত ও করোনো উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর মিছিল।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এস, কে খোদা তোতন গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশে করোনো সংক্রমণ সনাক্ত হওয়ার এতোদিন পরেও চট্টগ্রামে করোনো আক্রান্ত রোগীদের জন্য চিকিৎসা সেবা নেই বল্লেই চলে।

বর্তমান দেশে এই মহামারীতে প্রতিনিয়ত যেমন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা তার সাথে যোগ হয়েছে মৃত্যুর মিছিল।

কিন্তু চট্টগ্রামে সরকারি বেসরকারি সবগুলো হাসপাতালেই করোনো উপসর্গ নিয়ে কোন রোগী চিকিৎসা নিতে গেলে হাসপাতাল কতৃপক্ষ করোনো আক্রান্ত রোগী ভেবে সাধারণ রোগীদের ও চিকিৎসাসেবা না দিয়ে ভর্তি নিতে অপরাগত প্রকাশ করার কারনে অসুস্থ ব্যক্তি হয়তো বিভিন্ন হাসপাতাল গুলোতে ঘুরতে ঘুরতে রাস্তায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন নতুবা অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি হতে না পেরে বাসায় ফেরার পর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন।

তিনি বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করেন, যেখানে চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক এবং উনার (মা) করোনো সংক্রমণের পজিটিভ রিপোর্ট আসার পর চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতাল গুলো ঘুরে ভর্তি হতে ব্যার্থ হয়ে ঐদিন রাতেই ঢাকার একটি হাসপাতালে ঐ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং উনার (মা) ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

যেখানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তার এই অবস্থা তাহলে সাধারণ মানুষের কি পরিমাণ ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, করোনো উপসর্গ রোগীরা করোনো সংক্রমণ পরিক্ষা করতে গিয়ে তিন চারদিন পর্যন্ত হাসপাতাল গুলোর সামনে বসে থাকেন!

প্রতিদিন প্রয়োজনের চাইতে স্বল্পতম পরিক্ষা করার কারনে, আক্রান্ত করোনো রোগীদের পরিক্ষা না হওয়ায় অনেকেই ভাইরাসটির সংক্রমণ বহন করে অসাবধানতার কারনে অবাধে চলাচলে চট্টগ্রামে ভয়াবহ বিস্তার লাভ করছে করোনো ভাইরাস পরিস্থিতি।

এস,কে, খোদা তোতন বিবৃতিতে আরও উল্লেখ্য করে বলেন, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা দ্রুত চট্টগ্রামে করোনো চিকিৎসা কেন্দ্র ও শ্বাসকষ্ট রোগীদের জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডারের পরিমান বাড়ানো না গেলে চট্টগ্রাম পরিনত হবে মৃত্যুপুরীতে।

উল্লেখ্য, দেশে করোনো সংক্রমণের প্রথম রোগী সনাক্ত হওয়ার পরপরই চট্টগ্রামকে করোনো ভাইরাসের সর্বোচ্চ ঝুকিপূর্ণ এলকো হিসাবে ঘোষণা দিয়েছিলেন সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চট্টগ্রামে দ্রুত করোনো চিকিৎসাসেবা না বাড়ালে ভারী হবে মৃত্যুর মিছিল- তোতন

আপডেট সময় : ০৮:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০

শরিফ হায়দার শিবলু,
বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মরণঘাতী করোনো ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েই চলছে পাশাপাশি বাড়ছে করোনো আক্রান্ত ও করোনো উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর মিছিল।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এস, কে খোদা তোতন গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশে করোনো সংক্রমণ সনাক্ত হওয়ার এতোদিন পরেও চট্টগ্রামে করোনো আক্রান্ত রোগীদের জন্য চিকিৎসা সেবা নেই বল্লেই চলে।

বর্তমান দেশে এই মহামারীতে প্রতিনিয়ত যেমন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা তার সাথে যোগ হয়েছে মৃত্যুর মিছিল।

কিন্তু চট্টগ্রামে সরকারি বেসরকারি সবগুলো হাসপাতালেই করোনো উপসর্গ নিয়ে কোন রোগী চিকিৎসা নিতে গেলে হাসপাতাল কতৃপক্ষ করোনো আক্রান্ত রোগী ভেবে সাধারণ রোগীদের ও চিকিৎসাসেবা না দিয়ে ভর্তি নিতে অপরাগত প্রকাশ করার কারনে অসুস্থ ব্যক্তি হয়তো বিভিন্ন হাসপাতাল গুলোতে ঘুরতে ঘুরতে রাস্তায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন নতুবা অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি হতে না পেরে বাসায় ফেরার পর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন।

তিনি বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করেন, যেখানে চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক এবং উনার (মা) করোনো সংক্রমণের পজিটিভ রিপোর্ট আসার পর চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতাল গুলো ঘুরে ভর্তি হতে ব্যার্থ হয়ে ঐদিন রাতেই ঢাকার একটি হাসপাতালে ঐ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং উনার (মা) ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

যেখানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তার এই অবস্থা তাহলে সাধারণ মানুষের কি পরিমাণ ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, করোনো উপসর্গ রোগীরা করোনো সংক্রমণ পরিক্ষা করতে গিয়ে তিন চারদিন পর্যন্ত হাসপাতাল গুলোর সামনে বসে থাকেন!

প্রতিদিন প্রয়োজনের চাইতে স্বল্পতম পরিক্ষা করার কারনে, আক্রান্ত করোনো রোগীদের পরিক্ষা না হওয়ায় অনেকেই ভাইরাসটির সংক্রমণ বহন করে অসাবধানতার কারনে অবাধে চলাচলে চট্টগ্রামে ভয়াবহ বিস্তার লাভ করছে করোনো ভাইরাস পরিস্থিতি।

এস,কে, খোদা তোতন বিবৃতিতে আরও উল্লেখ্য করে বলেন, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা দ্রুত চট্টগ্রামে করোনো চিকিৎসা কেন্দ্র ও শ্বাসকষ্ট রোগীদের জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডারের পরিমান বাড়ানো না গেলে চট্টগ্রাম পরিনত হবে মৃত্যুপুরীতে।

উল্লেখ্য, দেশে করোনো সংক্রমণের প্রথম রোগী সনাক্ত হওয়ার পরপরই চট্টগ্রামকে করোনো ভাইরাসের সর্বোচ্চ ঝুকিপূর্ণ এলকো হিসাবে ঘোষণা দিয়েছিলেন সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বি।