চট্টগ্রাম দেওয়ানহাট ফ্লাইওভার থেকে পড়লো ইয়াবাভর্তি ব্যাগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অগাস্ট ২০১৯ ১৪৯ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আব্দুল করিম, চট্টগ্রাম মহানগরঃ
চট্টগ্রাম দেওয়ানহাট ফ্লাইওভারের নিচে( ২৯আগস্ট) রাত ১০টার দিকে দায়িত্ব পালন করছিলেন সিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট কুদ্দুস আলী। হঠাৎ ফ্লাইওভার থেকে উড়ে এসে তার পাশে পড়ল চারটি কাগজের চারটি প্যাকেট। উপর থেকে সজোরে পড়া প্যাকেটে তিনি প্রথমে একটু ভীতসন্ত্রস্ত হলেও খানিক্ষণ পর কৌতুহলবশত প্যাকেটে কি আছে তা খুলে দেখেন। একটি প্যাকেট খুলতেই ভিতর থেকে চারটি প্যাকেটে বেরিয়ে আসে। তখন কৌতুহল আরো বেড়ে যায়। তিনি ছোট প্যাকেট খুলে দেখেন সেখানে ইয়াবা। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি তিনি তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান।

ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনার কথা বর্ণনা করে ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট কুদ্দুস আলী বলেন, তিনি দায়িত্ব পালনের সময় ইয়াবা উদ্ধার করবেন তা কল্পনাও করেননি। হঠাৎ করে আকাশ থেকে পড়ায় তিনি বিষ্ময় প্রকাশ করে বলেন, হয়তো কোন ইয়াবা কারবারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার ভয়ে ইয়াবাগুলো ফেলে পালিয়ে গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বড় প্যাকেটগুলো খুলে অন্তত ২০টি ছোট প্যাকেট পাওয়া গেছে। একেকটি প্যাকেটে আনুমানিক ১০ হাজার ইয়াবা থাকলেও মোট ইয়াবার পরিমাণ দুই লাখের কম নয়।

জানতে চাইলে সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডবলমুরিং) আশিকুর রহমান বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় বলেন, উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। তখনো গণনা করা হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইয়াবার সংখ্যা আনুমানিক ৪০ হাজার হতে পারে। ইয়াবাগুলো কারা, কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল তা খুঁজে বের করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চট্টগ্রাম দেওয়ানহাট ফ্লাইওভার থেকে পড়লো ইয়াবাভর্তি ব্যাগ

আপডেট সময় : ০৯:৫৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অগাস্ট ২০১৯

আব্দুল করিম, চট্টগ্রাম মহানগরঃ
চট্টগ্রাম দেওয়ানহাট ফ্লাইওভারের নিচে( ২৯আগস্ট) রাত ১০টার দিকে দায়িত্ব পালন করছিলেন সিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট কুদ্দুস আলী। হঠাৎ ফ্লাইওভার থেকে উড়ে এসে তার পাশে পড়ল চারটি কাগজের চারটি প্যাকেট। উপর থেকে সজোরে পড়া প্যাকেটে তিনি প্রথমে একটু ভীতসন্ত্রস্ত হলেও খানিক্ষণ পর কৌতুহলবশত প্যাকেটে কি আছে তা খুলে দেখেন। একটি প্যাকেট খুলতেই ভিতর থেকে চারটি প্যাকেটে বেরিয়ে আসে। তখন কৌতুহল আরো বেড়ে যায়। তিনি ছোট প্যাকেট খুলে দেখেন সেখানে ইয়াবা। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি তিনি তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান।

ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনার কথা বর্ণনা করে ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট কুদ্দুস আলী বলেন, তিনি দায়িত্ব পালনের সময় ইয়াবা উদ্ধার করবেন তা কল্পনাও করেননি। হঠাৎ করে আকাশ থেকে পড়ায় তিনি বিষ্ময় প্রকাশ করে বলেন, হয়তো কোন ইয়াবা কারবারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার ভয়ে ইয়াবাগুলো ফেলে পালিয়ে গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বড় প্যাকেটগুলো খুলে অন্তত ২০টি ছোট প্যাকেট পাওয়া গেছে। একেকটি প্যাকেটে আনুমানিক ১০ হাজার ইয়াবা থাকলেও মোট ইয়াবার পরিমাণ দুই লাখের কম নয়।

জানতে চাইলে সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডবলমুরিং) আশিকুর রহমান বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় বলেন, উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। তখনো গণনা করা হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইয়াবার সংখ্যা আনুমানিক ৪০ হাজার হতে পারে। ইয়াবাগুলো কারা, কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল তা খুঁজে বের করা হবে।