চট্রগ্রাম ফটিকছড়িতে মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী মুহাম্মদ ইকবাল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯ ১০৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মুহাঃ জিপন উদ্দিন, ফটিকছড়ি:
চট্রগ্রাম ফটিকছড়ির মুহাঃইকবাল মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী, ফটিকছড়িতে তিনি এক অন্যন্য দৃষ্টান্ত দেখিয়ে যাচ্ছেন তার পরীক্ষা মূলক চাষ পদ্বতির মধ্য দিয়ে।শুধুমাত্র একটি গাছেই আয় হয় ২০হাজার টাকা।প্রতিদিন ভিড় করে পর্যটকরা তা যেন দেখার মত।উক্ত বাগানটি ফটিকছড়ি-হেয়াকো সড়কের গজারিয়া খালের পাশে নিশ্চিন্তা গ্রামে অবস্থিত তার “ইউনুস এগ্রো ফার্ম”।ইকবাল “চট্রগ্রাম ট্রিবিউন” কে জানায়,প্রথমে ২০১৩ সালে তার পিতা ইউনুস এই ফার্ম চালু করেন পরবর্তীতে ২০১৫ সালের দিকে ইকবালকে তার পিতা মাল্টা বাগানটি তার দায়িত্বে দিয়ে দেন।মাল্টার পাশাপাশি এখানে রয়েছে পরীক্ষামূলক পদ্বতিতে হাস পালন,মুরগি,টার্কি ইত্যাদি প্রজাতির চাষাবাদ যার জন্য বর্তমানে নিয়োজিত আছে ১৪জন শ্রমিক।শুরুর দিকে বাগানের আয়তন ৩একর হলেও তা এখন ৭একর এবং তার ভিতরেই তার হরেক রকমের চাষ,তিনি আরো জানান যে,তার এই উদ্দ্যেগ এবং সাফল্য দেখে অনেকেই আসে তার কাছে পরামর্শ নিতে তিনি সবাইকে খুব সুন্দর ভাবে সব ব্যাপার বুঝিয়ে দেন এবং তা কোন চাহিদা ছাড়াই।
চলতি মৌসুমে তার আয় হয় ৪০ লক্ষের ও বেশি এবং যেখানে তিনি ব্যয় করেছিলেন ৩০-৩২ লক্ষ টাকার মত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চট্রগ্রাম ফটিকছড়িতে মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী মুহাম্মদ ইকবাল

আপডেট সময় : ১০:৫১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯

মুহাঃ জিপন উদ্দিন, ফটিকছড়ি:
চট্রগ্রাম ফটিকছড়ির মুহাঃইকবাল মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী, ফটিকছড়িতে তিনি এক অন্যন্য দৃষ্টান্ত দেখিয়ে যাচ্ছেন তার পরীক্ষা মূলক চাষ পদ্বতির মধ্য দিয়ে।শুধুমাত্র একটি গাছেই আয় হয় ২০হাজার টাকা।প্রতিদিন ভিড় করে পর্যটকরা তা যেন দেখার মত।উক্ত বাগানটি ফটিকছড়ি-হেয়াকো সড়কের গজারিয়া খালের পাশে নিশ্চিন্তা গ্রামে অবস্থিত তার “ইউনুস এগ্রো ফার্ম”।ইকবাল “চট্রগ্রাম ট্রিবিউন” কে জানায়,প্রথমে ২০১৩ সালে তার পিতা ইউনুস এই ফার্ম চালু করেন পরবর্তীতে ২০১৫ সালের দিকে ইকবালকে তার পিতা মাল্টা বাগানটি তার দায়িত্বে দিয়ে দেন।মাল্টার পাশাপাশি এখানে রয়েছে পরীক্ষামূলক পদ্বতিতে হাস পালন,মুরগি,টার্কি ইত্যাদি প্রজাতির চাষাবাদ যার জন্য বর্তমানে নিয়োজিত আছে ১৪জন শ্রমিক।শুরুর দিকে বাগানের আয়তন ৩একর হলেও তা এখন ৭একর এবং তার ভিতরেই তার হরেক রকমের চাষ,তিনি আরো জানান যে,তার এই উদ্দ্যেগ এবং সাফল্য দেখে অনেকেই আসে তার কাছে পরামর্শ নিতে তিনি সবাইকে খুব সুন্দর ভাবে সব ব্যাপার বুঝিয়ে দেন এবং তা কোন চাহিদা ছাড়াই।
চলতি মৌসুমে তার আয় হয় ৪০ লক্ষের ও বেশি এবং যেখানে তিনি ব্যয় করেছিলেন ৩০-৩২ লক্ষ টাকার মত।